রবিবার ২৯ নবেম্বর ২০২০
Online Edition

কবিতা

কাজ

নয়ন আহমেদ

 

অসুখ চোখ রাঙাচ্ছে খুব।

এসো, ওকে সেবিকার কাছে রেখে আসি।

পাথর বুকের ওপর চেপে বসেছে খুব।

এসো, ওকে পাহাড়ে প্রতিস্থাপন করে আসি।

হাতগুলো ছুঁতে পারছে না অমৃত জীবন।

এসো, কারখানায় সূর্য লটকিয়ে আসি।

চোখগুলো দূরত্ব চিনছে না আর।

এসো, অবুঝদের আবাসন থেকে মৃত্যু মুছে আসি।

 

পোশাকের ভেতরে মানুষ থাকছে না আর।

এসো, যাবতীয় মুখোশ সমাহিত করে আসি।

 

শেষকৃত্যে শব্দরা মিছিল করবে 

মোস্তফা হায়দার

 

এফবি কিছু বিষয় ভুলতে দিবে না দেখছি

সত্য সুন্দরের মায়াজালে শিখছি ও লিখছি। 

সবুজের কাঁচাহাতে ফুলেরা মালা গাঁথে

ভুলেরা ভুলে যায় ভর করে  মিথ্যার সাথে।

 

জাগতিক স্বপ্নে কলিরা হাঁটতে চায় বোঝেসুঝে

ভোমরের গুঞ্জরণে ফুলেরা মধু দেয় চোখ বুঝে।

আপনার হাতবেয়ে বেড়ে উঠা সময় যাচ্ছে চলে

হিসেব নিকেশ করা যায়নি বোবা হওয়ার ছলে!

 

দিনগুলো খসে পড়ে পাতাদের সংসারে হিসেব ভুলে

কীর্তন করে খাতায় আঁক কষে চড়েছো হিংসার শূলে!

যাওয়ার সময় এসেছে বলে নুয়ে পড়েছো কাঁথা বালিশে

শেষকৃত্যে শব্দরা মিছিল করবে রাজপথের কার্ণিশে!

 

অবাক হওয়ার কিছু নেই! আপনার হিসেব নিতে বসেছি

রেখে আসা পাতার সংসার আবার কষতে শুরু করেছি।

 

 

আকাক্সক্ষার নদীগুলো

হাসান নাজমুল

 

আমি তো শ্রমের জগতের খেটে খাওয়া মানুষ

জীবনের প্রতিকূল ¯্রােতে ভেসে যেতে যেতে

জীবন-কাজের মাঝে ডুবে থাকি;

দুর্বল দমও সবল হয়ে ফিরে আসে-

জীবন-শ্বাসের ঘরে,

প্রশান্তির নামে বিশ্রামও ভুলে যাই!

আকাক্সক্ষার নদীগুলো তীব্র ঢেউ তুলে-

ছুটে চলে মোহনার পথে;

মহামিলনের পথে চলতেই মৃত্যুর আগেই

এতো দম নিতে হয়

কখনো জখম হতে হয় আপাদমস্তক,

এতো শ্রম দিতে হয় মিলনের নিমিত্তেই,

এ জীবনটাই শ্রমের; তাইতো ঘুমের দরিয়া ভেঙে-

আমি জেগে থাকি- শ্রমের আশ্রয়ে। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ