মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট ২০২০
Online Edition

সিংড়ায় গৃহবধূ হত্যা মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার

 

সিংড়া (নাটোর) সংবাদদাতা : নাটোরের সিংড়ায় রাতের আধাঁরে গামছা বাহিনীর হাতে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর ঘটনায় দায়েরকৃত হত্যা মামলার প্রধান আসামী মোঃ গাইরুলকে আটক করেছে সিংড়া থানা পুলিশ। আটককৃত গাইরুল আত্রাই উপজেলার খরস্বতী মধ্যপাড়ার মৃত আঃ গফুরের পুত্র। বুধবার রাতে তাকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বুধবার রাতে সিংড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) খাইরুজ্জামানের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স সিংড়া থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে।       

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও মামলার বাদী প্রদীপ কুমার ঘোষ সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মার্চ ভোর রাতে উপজেলার দূর্গম পল্লী তাজপুর গ্রামে ঘরের জানালা ভেঙ্গে একদল গামছা বাহিনী বিমল চন্দ্র ঘোষ ও বেলী চন্দ্র ঘোষ নামের এক হিন্দু দম্পতিকে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। পরে তাদেরকে আশংকাজনক অবস্থা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ৪ এপ্রিল বুধবার দুপুরে আহত ওই গৃহবধূ মৃত্যুবরণ করে। সেদিন রাতেই খরস্বতি গ্রামের আশরাফ আলীর ছেলে মিজু ও গুল মোহাজনের ছেলে আমিরুল ইসলাম নামের দুইজনকে আটক করে পুলিশ। এ নিয়ে এ মামলায় ৩জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত ৩জনই স্বীকারউক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে বলে জানান পুলিশ। 

সিংড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) খাইরুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, হিন্দু গৃহবধূ হত্যা মামলার প্রধান আসামী গাইরুলকে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতারকৃত ৩জনই স্বীকারউক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। বাকী আসামীদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

রক্ষা পেলো স্কুল ছাত্রী আর্জিনা: নাটোরের সিংড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সন্দ্বীপ কুমার সরকার, ইউপি চেয়ারম্যান রশিদুল ইসলাম ও সাংবাদিকদের তৎপরতায় বাল্য বিবাহের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে বিলদহর একান্নবিঘা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী আর্জিনা খাতুন (১০)। বুধবার সন্ধ্যায় বিয়েটি পন্ড করে দেয়া হয়। জানা যায়, বিলদহর নতুন পাড়ার ফরিদ আলীর স্কুল পড়ুয়া মেয়ে আর্জিনার সাথে স্থানীয় হেকমত আলীর ছেলের বিয়ের দিন ধার্য্য হয়। এমন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সন্দ্বীপ কুমার সরকার, ইউপি চেয়ারম্যান রশিদুল ইসলাম ও সাংবাদিকদের তৎপরতায় বাল্যবিবাহ বন্ধ করে দেন। এসময় উভয় পক্ষের লোকজন বিবাহ দিবোনা মর্মে মুচলেকা প্রদান করেন। ইউএনও সন্দ্বীপ কুমার সরকার বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে জনপ্রতিনিধি ও গ্রাম পুলিশ পাঠানো হয় এবং উভয় পক্ষ বিয়ে দিবেনা মর্মে মুচলেকা প্রদান করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ