মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট ২০২০
Online Edition

মৌলভীবাজারে একটি ‘আগর শিল্পপার্ক’ স্থাপন করা হবে ---শিল্পমন্ত্রী

 

স্টাফ রিপোর্টার: শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, রপ্তানি বাজারে আগর শিল্পের বিশাল সম্ভাবনা কাজে লাগাতে মৌলভীবাজারে একটি ‘আগর শিল্পপার্ক’ স্থাপন করা হবে। এ উদ্যোগ বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (স্কিটি) মিলনায়তনে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) দুই দিনব্যাপী  বার্ষিক সম্মেলন-২০১৮ এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন শিল্পমন্ত্রী।

বিসিক চেয়ারম্যান মুশতাক হাসান মুহাম্মদ ইফতিখারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিল্পসচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, অতিরিক্ত সচিব বেগম পরাগ ও বিসিকের পরিচালক জীবন কুমার চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে সবুজ শিল্পায়নের ধারা জোরদারের মাধ্যমে অর্থনৈতিক অগ্রগতির কাক্সিক্ষত লক্ষ অর্জনে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। বর্তমান সরকার সুষম অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য এলাকাভিত্তিক কাঁচামাল ও সম্ভাবনা কাজে লাগানোর নীতি গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে। এসব অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে যেখানে বিসিক শিল্পনগরী নেই, সেখানে বিসিক শিল্পনগরীর জন্য আলাদা জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হবে। ফলে এলাকাভিত্তিক ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পায়ন কার্যক্রম জোরদার হবে বলে জানান তিনি।

আমির হোসেন আমু বলেন, অনেক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও বর্তমান সরকার হাজারীবাগ থেকে সাভার চামড়া শিল্পনগরীতে ট্যানারি স্থানান্তরে সক্ষম হয়েছে। এটি বর্তমান সরকারের একটি বড় অর্জন। বাংলাদেশের চামড়া শিল্প নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণার পরও এখাতে রপ্তানি বাড়ছে। পাদুকা উৎপাদনে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বিশ্বে অস্টম স্থান দখল করেছে। ভবিষ্যতে চামড়া শিল্প খাতে রপ্তানির পরিমাণ তৈরি পোশাক শিল্প খাতকে ছাড়িয়ে যাবে।

এ সময় তিনি ওষুধ, প্লাস্টিক, হালকা প্রকৌশল এবং কেমিক্যাল শিল্প খাতের উন্নয়নে গৃহীত প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে তৎপর হতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের তাগিদ দেয়াসহ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যর্থতার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে বলেও সতর্ক করেন।

উল্লেখ্য, দুদিনব্যাপী আয়োজিত এ সম্মেলনে বিসিকের মাঠ পর্যায়ের দুই শতাধিক কর্মকর্তা অংশ নিয়েছেন। তারা সম্মেলনের বিভিন্ন অধিবেশনে শিল্প নগরিভিত্তিক সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তাারিত আলোচনা করবেন। পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে বিসিকের কার্যক্রম গতিশীল করার কৌশল প্রণয়ন করবেন। এর ফলে দেশব্যাপী টেকসই ও পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের ধারা জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ