সোমবার ৩০ নবেম্বর ২০২০
Online Edition

সিএনজি মালিকদের করের আওতায় আনা হবে ---এনবিআর

 

স্টাফ রিপোর্টার: আগামী বাজেটে সিএনজি অটোরিকশার মালিকদের করের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব  বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় এনবিআর ভবনের সম্মেলন কক্ষে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের প্রাক বাজেট আলচনায় তিনি এসব কথা জানান। 

সভায় বাংলাদেশ অটোমোবাইল ওয়ার্কসপ মালিক সমিতি, ফোর স্ট্রোক সিএনজি অটোরিকশা এন্ড থ্রি হুইলার্স মোটরবাইক ওনার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, বাংলাদেশ মোটর পার্টস ও টায়ার টিউব ব্যবসায়ী সমিতিসহ কয়েকটি সংগঠন এতে অংশ নেয়।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, দীর্ঘ সময় থেকে পরিবহন বাণিজ্য করে আসলেও কর দেয় না সিএনজি অটোরিকশার মালিকরা। এতে রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। এই অবস্থায় আগামী বাজেটে সিএনজি অটোরিকশার মালিকদের ট্রেড লাইসেন্স ও করের আওতায় আনা হবে।

সভায় ফোর স্ট্রোক সিএনজি অটোরিকশা এন্ড থ্রি হুইলার্স মোটরবাইক ওনার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি মো. আনসার আলী বলেন, সিএনজি মালিকদের ট্রেড লাইসেন্স থাকতে হবে। পাশাপাশি মালিকদের করের আওতায় আনা উচিত। একই সঙ্গে সিএনজিকে অ্যাপ ভিত্তিক সেবায় আসতে হবে। বাধ্যতামূলক এসোসিয়েশনের সদস্য হওয়া ও সনদপত্র থাকতে হবে।

তিনি বলেন, ৩২ হাজার বেবি ট্যাক্সি ছিল, বর্তমানে ২০ হাজার সিএনজি অটোরিকশা আছে। ১৫ হাজার লোকই বেকার।

সংগঠনটির প্রস্তাবের পক্ষে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, সিএনজি অটোরিকশা মালিকদের ট্রেড লাইসেন্স থাকা উচিত। অনেকেই বলছেন, বাস ট্রাককে কীভাবে আমরা করের আওতায় আনতে পারি। আগামী বাজেটে সিএনজি অটোরিকশা মালিকদের ট্রেড লাইসেন্স ও ই-টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হবে।

পরিবহন মালিক সমিতির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে চলে গেছে। সবাই বলে এটা কমান, ওটা কমান। অনেককেই আবার আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। পরিবহন ব্যবসার পাশাপাশি অন্য একটা ব্যবসা দেখিয়ে যাতে কর ফাঁকি দেওয়া না যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখা হবে। পরিবহন খাতে যাতে কর বাড়ানো যায় তা নিয়ে আপনাদের সঙ্গে বসব।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ