সোমবার ১৩ জুলাই ২০২০
Online Edition

প্লাস্টিক বর্জ্য কমাতে সমুদ্র-শৈবালের তৈরি আইসক্রিম কাপ

৮ এপ্রিল, ইন্ডিপেনডেন্ট : প্লাস্টিক বর্জ্য কমাতে ইন্দোনেশিয়াতে নেয়া হয়েছে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। সমুদ্রের শৈবালে তৈরি করা হয়েছে আইসক্রিমের কাপ যা খাওয়া যায়। ইন্দোনেশিয়ার একটি আইসক্রিমের দোকানে এটি দেখা যায়। এটি তৈরি করেছেন ২৬ বছর বয়সী ডেভিড ক্রিস্টিয়ান। ২০১৫ সালের সায়েন্স জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের পর ইন্দোনেশিয়া দ্বিতীয় বৃহত্তম প্লাস্টিক দূষণকারী দেশ। বিশ্বের ২৭ ভাগ প্লাস্টিক বর্জ্য হয় ইন্দোনেশিয়ায়।

এভোয়েরের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ২৬ বছরের ডেভিড ক্রিস্টিয়ান। সমুদ্র-শৈবাল চূর্ণ দিয়ে তৈরি করছেন আইসক্রিম কাপ। জাকার্তার রাস্তা ও নদীতে বর্জ্যের পরিমাণে বিস্মিত হয়ে ২০১৬ সালে এভোয়েরের যাত্রা শুরু করেন ক্রিস্টিয়ান। উদ্দেশ্য ছিল- মজার কিছু তৈরি করা, যা মানুষকে প্রকৃতি নিয়ে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার শিক্ষা দেবে। তখনই তিনি তৈরি করেন সমুদ্র শৈবালের ভোজ্য কাপ। নাম দেন এলোজেলো। ইন্দোনেশিয়া বড় সমুদ্র শৈবাল উৎপাদনকারীদের একটি, তাই এটাই বেছে নিয়েছেন ক্রিস্টিয়ান। এটি তৈরির প্রক্রিয়া খুব সহজ। ফুটন্ত পানিতে সমুদ্র শৈবালের চূর্ণ মেশানো হয়। এরপর এটা ছাঁচে ঢেলে রাখা হয় মিনিট পনেরো। পরে শক্ত করার জন রাখা হয় ফ্রিজে।

ইভোয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ডেভিড ক্রিস্টিয়ান বলেন, মানুষ পান করতে পারবে, সাথে গ্লাসটাও খেতে পারবে। অনন্য কিছু যা আগে কখনও ছিল না। যারা আমাদের এ গ্লাস কিনবে, তাদের আমরা প্লাস্টিক বর্জ্য কমানোর উদ্যোগের সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানাবো। এভাবেই আমরা শিখাবো।

জাকার্তার বেশ কিছু আইসক্রিম বিক্রেতার মধ্যে ক্রান’জ কোনসে ব্যবহার করা হয় এই এলোজেলো।

ক্রান’জ কোনস এর মালিক অং তেক জান বলেন, প্রথমত আমার সৃজনশীল কিছু পছন্দ। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ