মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২০
Online Edition

ফিলিপাইনের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন দ্বীপ বন্ধ ঘোষণা

ফিলিপাইনের জনপ্রিয় পর্যটন দ্বীপ বোরা

৫ এপ্রিল, গার্ডিয়ান : ফিলিপাইনের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন দ্বীপ বোরাকে ছয়মাসের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। ২৬ এপ্রিল থেকে এটি কার্যকর হবে বলে এক টুইটবার্তায় জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুয়ের্তের মুখপাত্র হ্যারি রক। তবে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই সিদ্ধান্তে পর্যটন শিল্পের উপর নির্ভরশীল ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েছেন। বছরে প্রায় ২০ লাখ পর্যটক দ্বীপটিতে ঘুরতে যেন। সেটার উপর নির্ভর করে গড়ে উঠেছে ৫০০টি ব্যবসা। গত বছর এই খাত থেকেই এসেছে ১০৭ কোটি ডলার।

বোরাকে দ্বীপে ৫০০টি হোটেল রয়েছে। সেখানে কাজ করে ১৭ হাজার মানুষ। এছাড়া নির্মাণ কাজে জড়িত আছেন আরও ১১ হাজার শ্রমিক। ফেব্রুয়ারিতে দ্বীপটিতে থাকা হোটেল ও রেস্টুরেন্টগুলোর সমালোচনা করেছেন দুয়ের্তে। তিনি অভিযোগ করেন, সুয়ারেজ লাইন সরাসরি সাগরে দেওয়ায় এটি এখন আবর্জনার স্তুপ য়ে গেছে।

কর্মকর্তারা আগেই সতর্ক করেন যে দ্বীপের পয়নিষ্কাশন ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কাছাকাছি থাকা সমুদ্রের নীল পানি। পরিবেশ মন্ত্রণালয় জানায়, ১৯০টি ব্যবসা ও ৪ হাজার গ্রাহক এই সুয়েরেজ লাইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট না। ফেব্রুয়ারিতে সরকার জানিয়েছিল, পয়নিষ্কাশনে গাফিলতির জন্য ৩০০ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যে পরিবেশ আইনভঙ্গে ৫১টি প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করা হয়েছে। পরিবেশ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী জোনাস লেনস গত মাসে বলেছিলেন, এই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিমান ও ফেরি চলাচলও বন্ধ হয়ে যাবে। প্রয়োজনে সেখানেই পুলিশ মোতায়েন করা হবে। তিনি বলেন, ‘পূর্বের অবস্থা ফিরিয়ে আনতে সবাইকেই সতর্ক হতে হবে।’

দ্বীপের ব্যবাসীয়দের সংগঠন সরকারকে অনুরোধ করেছে শুধু যেন দোষীদেরই শাস্তি দেওয়া হয়। বোরাকে ফাউন্ডেশনের পিয়া মিরাফ্লোরস বলেন, এটা অবিচার যে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানদের সাজা সবাইকে ভোগ করতে হবে।

এই বন্ধ করার ঘোষনা আসার আগেই তিনি বলেছিলেন, অভিযুক্তদের কর্মকা-ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সবাই। মিরাফ্লোরস বলেন, ‘ট্যুর গাইডরা ইতোমধ্যে অভিযোগ করেছে যে তাদের নতুন কোনও অতিথি নেই। এটা অনেক বড় প্রভাব। বিমান ও নৌকায় আগের চেয়ে ভীড় কম হয়।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ