সোমবার ২৬ অক্টোবর ২০২০
Online Edition

মংলা বন্দর হবে বিশ্বের সেরা বন্দর

খুলনা অফিস : রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মংলা বন্দর হবে বিশ্বের অন্যতম সেরা বন্দর। এজন্য হয়রানি মুক্ত পরিবেশে বন্দর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। বন্দরের প্রতিটি কাজকে কস্ট ইফেকটিভ করতে হবে। দ্রুত মালামাল খালাস ও কার্গো হ্যান্ডেলিং সহজতর করতে হবে। বুধবার রাতে মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ৬৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে মংলা বন্দর এ অঞ্চলসহ জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখছে। দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের প্রবেশদ্বার আমদানি-রফতনি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বর্তমান সরকার সুদূর পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে বন্দরের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়েছে। ফলে বন্দরটি ব্যবহারকারীদের কাছে আকৃষ্ট হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান বিশ্বে সিংহভাগ বাণিজ্য হয় নৌপথে। তাই বন্দরকে আরও আধুনিক করতে হবে।

এর আগে সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে খুলনা থেকে সড়ক পথে মংলা বন্দরে পৌঁছান রাষ্ট্রপতি। তাকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান বন্দর কর্তৃপক্ষ। পরে তাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি বন্দরের প্রশাসনিক ভবন চত্বরে একটি বৃক্ষ রোপন করেন। এরপর অনুষ্ঠানে বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর এ কে এম ফারুক হাসান স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এরপর বন্দরের ওপর নির্মিত বিভিন্ন ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরে রাষ্ট্রপতি মংলা বন্দরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটেন। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ মংলা বন্দরে দু’টি প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন ও দু’টি প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন-নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাহাজান খান ও বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য তালুকদার আব্দুল খালেক। অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রপতি সপরিবারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ রাতে বন্দরের রেস্ট হাউস ‘পারিজাতে’ রাত যাপন করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বিলাসবহুল জাহাজে করে তিনি পশুর চ্যানেল পরিদর্শন করেন।

উল্লেখ্য, ১ ডিসেম্বর বন্দর প্রতিষ্ঠা দিবস পালিত হলেও রাষ্ট্রপতির আগমন উপলক্ষে তা পিছিয়ে ৪ এপ্রিলে আনা হয়েছে বলে জানায় বন্দর কর্তৃপক্ষ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ