বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই ২০২০
Online Edition

তিন জেলার পাইলট প্রকল্পে বীমার আওতায় ৯ হাজার কৃষক

স্টাফ রিপোর্টার: আবহাওয়া সূচকভিত্তিক শস্য বীমায় আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। দেশের ৩টি জেলায় চলমান পরীক্ষামূলক এই প্রকল্পের আওতায় এসেছেন ৯ হাজার ৯৬ জন কৃষক। বাস্তবায়ন হয়েছে ৫টি পাইলটিং। প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ৬ষ্ঠ পাইলটিং।
এ বিষয়ে শস্য বীমার প্রকল্প পরিচালক ওয়াসিফুল হক বলেন, সহজ ও স্বচ্ছ, কম প্রিমিয়াম খরচ এবং দাবি পদ্ধতি সহজ ও বিজ্ঞানসম্মত হওয়ায় শস্য বীমা কৃষকদের আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে। প্রকল্প এলাকার ১৬ হাজারের বেশি কৃষককে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সচেতন করা হয়েছে। জুনে এই প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। কৃষকদের সুরক্ষায় দেশব্যাপী ব্যাপকভাবে শস্য বীমা চালু করা প্রয়োজন।
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন (এসবিসি) সূত্রে জানা গেছে, আবহাওয়া সূচকভিত্তিক শস্য বীমা প্রকল্পের আওতায় রাজশাহী, নেয়াখালী ও সিরাজগঞ্জ জেলার ২০টি উপজেলায় স্বয়ংক্রিয় আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ যন্ত্র স্থাপন করা হয়েছে। চলমান ৫টি পাইলটিংয়ের ৭ হাজার ৯৬জন কৃষকের মাধ্যমে ৩৭ লাখ ২৩ হাজার ৬৩০ টাকা প্রিমিয়াম সংগ্রহ করা হয়েছে। এর বিপরীতে দাবি পরিশোধ করা হয়েছে ৫৩ লাখ ৪৬ হাজার ১৫৪ টাকা। তথ্যমতে, ১ম পাইলটিংয়ের বীমাকৃত ফসল আমন ধানের ১৬৫জন কৃষকের জমাকৃত ২০ হাজার টাকা প্রিমিয়ামের বিপরীতে দাবি পরিশোধ করা হয়েছে ২৯ হাজার ৪০০ টাকা। দ্বিতীয় পাইলটিং আলুর ১৬৭জনের ৬৩ হাজার ৫০০টাকা প্রিমিয়ামের বিপরীতে ৩১ হাজার ৭৫০ টাকা, তৃতীয় পাইলটিং আমনের ৫ হাজার ৬৭জনের ২৫ লাখ ৫৭ হাজার ৯৮০ টাকা প্রিমিয়ামের বিপরীতে ১৬ লাখ ৯৩ হাজার ৪১৪ টাকা, চতুর্থ পাইলটিং বোরোর ১ হাজার ৩৭৩জনের ৮ লাখ ৪৮ হাজার ২৪০ টাকা প্রিমিয়ামের বিপরীতে ৩২ লাখ ৮৩ হাজার ১০০ টাকা এবং ৫ম পাইলটিং আমনের ৩২৪জনের ২ লাখ ৩৩ হাজার ৯১০ টাকা প্রিমিয়ামের বিপরীতে ৩ লাখ ৮ হাজার ৪৯০ টাকা দাবি পরিশোধ করা হয়েছে।
কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়েছেন বিআইডিএস’র সাবেক পরিচালক ড. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, কৃষকদের সুরক্ষায় শস্য বীমার প্রয়োজন রয়েছে এবং এটি চলমান রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। অবশ্য পৃথিবীর কোনো দেশেই শস্য বীমায় শতভাগ সুফল আসে না। তবে কৃষকদের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ