সোমবার ১২ এপ্রিল ২০২১
Online Edition

মাহিদ হত্যায় অংশ নেয় ৪ জন সবাই পেশাদার ছিনতাইকারী

সিলেট ব্যুরো : শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহিদ আল সালাম হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার মির্জা আতিক আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেলে সিলেট মহানগর হাকিম-১ মামুনুর রশীদ সিদ্দিকীর আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় আতিক। এতে সে মাহিদকে হত্যার দায় স্বীকার করে।
সিলেট মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) অমূল্য চৌধুরী বলেন, আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করেছে মির্জা আতিক। ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই তারা ছুরিকাঘাত করে বলে জানিয়েছেন। দুটি মোটরসাইকেলে করে তারা চারজন ছিনতাইয়ে অংশ নেয় বলেও আদালতকে জানিয়েছে আতিক।
কীন ব্রিজ পেরোনোর পরই দুই মোটরসাইকেলে করে চারজন এসে ঘিরে ধরে মাহিদ আল সালামকে। একজন শুরুতেই তার উরুতে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। এরপরই অন্যরা ছিনিয়ে নেয় মাহিদের টাকাপয়সা ও মোবাইল ফোন। ছিনতাইয়ের পর মোটরসাইকেল নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায় তারা। এ ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া তায়েফ মো. রিপনকে গতকাল বুধবার বিকেলে একই আদালতের মাধ্যমে তিন দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। অমূল্য চৌধুরী বলেন, এই মামলায় তায়েফ মো. রিপন নামের আরেকজনকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমন্ড চাইলে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল ফজল বলেন, গত মঙ্গলবার রাতে দক্ষিণ সুরমার ভার্তখলা কবরস্থানের পাশ থেকে আতিক ও রিপনকে গ্রেফতার করা হয়। এরা পেশাদার ছিনতাইকারী। এদের বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের আরো কয়েকটি মামলা রয়েছে। এরপর মির্জা আতিকের স্বীকারোক্তি মোতাবেক হামলার সময় ব্যবহৃত ছুরিও উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি বলেন, এ ঘটনায় জড়িত অপর দু'জনকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মাহিদ আল সালামকে গত রোববার রাতে দক্ষিণ সুরমার কদমতলী বাস টার্মিনাল এলাকায় ছুরিকাঘাত করে একদল দুর্বৃত্তরা। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসার পর রাতেই তিনি মারা যান। এ ঘটনায় মাহিদের চাচা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এটিম হাসান জেবুল বাদী হয়ে দক্ষিণ সুরমা থানায় অজ্ঞাতামা আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ