শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২০
Online Edition

বিজেপি বিরোধী জোট গঠনের লক্ষ্যে দিল্লিতে মমতা

২৬ মার্চ, এই সময় : বিজেপি বিরোধী জোট করার লক্ষ্যে, গতকাল সোমবার দিল্লি গিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার তিনি সংসদ ভবনে যাবেন। সেখানেই তার সঙ্গে বেশ কয়েক জন বিজেপি-বিরোধী নেতার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ভারতের সবচেয়ে পুরোনো রাজনৈতিক দল কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর সঙ্গেও সংসদে বৈঠক হতে পারে মমতার। তবে মমতার দল তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রের খবর, দেখা করতে হলে রাহুলকেই মমতার কাছে আসতে হবে। সেটাই স্বাভাবিক সৌজন্য।

তৃণমূল সূত্রের খবর, বয়স, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা সব বিষয়েই তৃণমূলনেত্রী রাহুলের থেকে অনেক বড়। তাছাড়া রাহুল নিজেই মমতার সঙ্গে বৈঠক করতে আগ্রহী। মমতার এই সফর বাড়তি গুরুত্ব পেয়েছে উত্তরপ্রদেশে মহাজোটের ঘোষণার পর। গত শনিবারই মায়াবতী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে তার এই জোট বজায় থাকবে। এমনকি ভারতের কেন্দ্রীয় স্তরেও কংগ্রেসকে সমর্থনের স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন মায়া। মমতা এ বার দিল্লিতে সমাজবাদী ও বহুজন সমাজ পার্টির নেতাদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। এছাড়া সংসদ ভবনে তার সঙ্গে এনসিপি, তেলুগু দেশম, তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতি, বিজেডি, ডিএমকে, ন্যাশনাল কনফারেন্স, শিবসেনা, জেডিএস নেতারাও দেখা করতে পারেন।

এদিকে তৃণমূল নেতাদের দাবি, সংসদে যারা আসবেন, তাঁদের সঙ্গে বুধবার মমতার দেখা হতে পারে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালও তার সঙ্গে দেখা করবেন।

লোকসভায় গতবার মোদী ঝড়েও বিজেপি মাত্র ৩১% ভোট পেয়েছে। সেটা সম্ভব হয়েছিল বিরোধী ভোট বিভাজনের ফলে। রাজ্যে একাধিক বিজেপি বিরোধী দল থাকলে এবং তারা একজোট হলে কী ফল হয়, উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুর ও ফুলপুর লোকসভার উপনির্বাচন তার প্রমাণ। বেশ কিছু আঞ্চলিক দল বিজেপি বিরোধী হলেও, কংগ্রেসের সঙ্গ পেতে তাদের আপত্তি। এই দলগুলোর মধ্যে আছে নবীন পট্টনায়েকের বিজেডি, চন্দ্রবাবু নাইডুর টিডিপি এবং চন্দ্রশেখর রাওয়ের টিআরএস।

এই দলগুলো যদি কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএর থেকে বেশি আসনে জিতে আসতে পারে, তখন যুক্তফ্রন্ট সরকারের সময়ের পুনরাবৃত্তি হতে পারে। আপাতত বিরোধী দলগুলোকে একজোট করে আগামী দিনের সমীকরণের হিসেব মিলাতেই ব্যস্ত থাকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ