রবিবার ২৯ নবেম্বর ২০২০
Online Edition

খালেদা জিয়ার সাজা বাড়াতে দুদকের আপিল

স্টাফ রিপোর্টার : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সাজার মেয়াদ বাড়াতে বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
গতকাল রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান এ আপিল দাখিল করেন।
পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আপিল আবেদনটি আগামী মঙ্গলবার আদালতে উপস্থাপন করা হবে। বুধবার শুনানির জন্য কার্যতালিকায় রাখার আবেদনও করা হবে।
দুদক আইনজীবী বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ে বিশেষ আদালত খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের যে সাজা দিয়েছে, তা অপর্যাপ্ত বলে আমাদের মনে হয়েছে। বয়স ও সামাজিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে খালেদা জিয়ার পাঁচ বছর কারাদণ্ডের যে রায় দেয়া হয়েছে, তাতে আমরা সংক্ষুব্ধ। কারণ, খালেদা জিয়া এ মামলার প্রধান আসামী। একই মামলায় অন্য আসামীদের যেখানে ১০ বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে, সেখানে তার পাঁচ বছরের এই কারাদণ্ডের রায় আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তার সাজার মেয়াদ বাড়ানোর জন্যই আমরা উচ্চ আদালতে এই আবেদন করেছি।
বুধবার এ বিষয়ে শুনানি হতে পারে জানিয়ে খুরশীদ বলেন, বিচারিক আদালত যদি সবাইকে ১০ বছরের সাজা দিত অথবা সবাইকে পাঁচ বছরের সাজা দিত, তাহলে আমরা আবেদন করতাম না। যদি খালেদা জিয়াকেও ১০ বছরের সাজা দিত, তাহলেও কোনো আবেদন করতাম না। এটিকে আমরা আপিলে গ্রাউন্ড হিসেবে দেখিয়েছি।
দুদকের এই আপিলের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ও খালেদা জিয়ার অন্যতম আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সংগ্রামকে বলেন,
সরকারের নির্দেশে দুদক এই আবেদন করেছে বলে আমরা মনে করি। আমরা আইনগতভাবে এটি মোকাবিলা করব। বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হয়েছে। আইন অনুসরণ করলে সাজা বাড়ানোর বিষয়টি তো ধোপেই টিকবে না।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদ- দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান। একই মামলায় খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অন্য পাঁচ আসামীকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদ- দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রত্যেককে অর্থদ-ও দেয়া হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ