রবিবার ২৯ নবেম্বর ২০২০
Online Edition

জীবনের দাবিতে লাখ লাখ মানুষের মিছিল

২৫ মার্চ, রয়টার্স : যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনের দাবিতে রাজপথে নেমে এসেছেন হাজার হাজার মার্কিনি। তাদের সমর্থন জানিয়ে টুইট করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। তিনি বলেন, ‘তরুণদের এই দুর্দান্ত মিছিলে মিশেল ও আমি অনুপ্রাণিত। লেগে থাকো। তোমরাই আমাদের সামনে নিয়ে যাচ্ছো। পরিবর্তনের ডাক দেয়া এই লাখো কণ্ঠকে রুখতে পারবে না কেউই।

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে গত শনিবার মার্চ ফর আওয়ার লাইভস শীর্ষক এই পদযাত্রায়  শিশু, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, ক্ষুব্ধ শিক্ষকসহ অনেকে অংশ নেন। সকাল থেকেই ঘরে বানানো প্ল্যাকার্ড নিয়ে ইউনিয়ন রেলস্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করে তারা। কোনও ব্যানারে এনআরএ’র সমালোচনা ছিল। তাদের দাবি মার্কিন সরকারের ওপর তাদের প্রভাব অনেক। কেউ কেউ কংগ্রেসের কাছে আবেদন জানায়, যেন অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন আরও কঠোর করা হয়। ১৪ ফেব্রুয়ারি ফ্লোরিডার ফোর্ট লডারডেলের মারজোরি স্টোনম্যান ডগলাস হাইস্কুলে বন্দুক হামলা চালানো হয়। 

এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে গোলাগুলীর পর হামলাকারী হিসেবে আটক করা হয় স্কুলটির সাবেক ছাত্র নিকোলাস ক্রুজকে। এ ঘটনায় নতুন করে সামনে আসে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে পুরনো বিতর্ক। মার্কিনিদের মধ্যে আগ্নেয়াস্ত্রের ওপর সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণের প্রত্যাশা থাকলেও গান লবির দোসর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনও কোনও কার্যকর পদক্ষেপের প্রতিশ্রুতি দিতে পারেননি। মার্কিন সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনীতে দেশটির নাগরিকদের ব্যক্তিগতভাবে আগ্নেয়াস্ত্র রাখার বৈধতা দেয়া হয়। তবে এখন অনেক মার্কিন নাগরিকই আগ্নেয়াস্ত্র রাখার  বৈধতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন। 

মূলত তরুণরাই ওয়াশিংটনের এই পদযাত্রার আয়োজন করে। পার্কল্যান্ডসহ অন্যান্য শহরের শিক্ষার্থীরাও এতে অংশ নেন। তাদের বেশিরভাগই বন্দুক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত। অনেক তরুণ কর্মী তাদের সহপাঠীদের পদযাত্রায় অংশ নিয়ে জনমত তৈরির আহ্বান জানায়। এই পদযাত্রার পর সারাদেশেই এর প্রভাব পড়েছে।

 হাওয়াই থেকে আলাস্কা, টেক্সাস থেকে মেইন সবখানেই র‌্যালির জন্য নিবন্ধন করা হচ্ছে।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা, বালটিমোর, বোস্টন, শিকাগো, লস অ্যাঞ্জেলেস, মিয়ামি, মিনেপোলিস, নিউ ইয়র্ক, স্যান ডিয়েগো ও সেন্ট লুইসেও এই মিছিল হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও লন্ডন, মরিশাস ও স্টকহোমেও এমন মিছিলে অংশ নিয়েছেন তরুণরা। সব মিলে বিশ্বজুড়ে ৮০০ এরও বেশি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে একদিনে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ