শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

কমনওয়েলথ গেমসে শুটিংকে ঘিরেই বাংলাদেশ দলের প্রত্যাশা

স্পোর্টস রিপোর্টার: গোল্ডকোস্ট কমনওয়েথ গেমসে ৪১ সদস্যের বাংলাদেশ দল অংশ নিচ্ছে। আগামী ৪ থেকে ১৫ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়ার গোল্ডকোস্ট শহরে কমনওয়েলথ গেমসের ২১ তম আসর বসবে। ৬ ডিসিপ্লিনে দল পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ। ডিসিপ্লিনগুলো হচ্ছে শুটিং, অ্যাথলেটিক, সুইমিং, ভারোত্তোলন, বক্সিং ও কুস্তি। ছয়টি ডিসিপ্লিনে অংশ নিলেও অতীতের আলোকে পদক জয়ের সম্ভাবনা শুটিংকে ঘিরে। বরাবর এই ডিসিপ্লিন থেকেই সাফল্য পেয়েছে লাল-সবুজ দলটি।শুটার আতিকুর রহমান,আবদুর সাত্তার নিনি,আসিফ হোসেন খান দেশকে স্বর্ণ এনে দিয়েছেন। সেই আলোকে এবার ও শুটাররাই স্বপ্ন দেখাচ্ছে। তাই তো শুটিং দলটিকে ইতিমধ্যেই অস্ট্রেলিয়া পাঠিয়েছে বিওএ। গতকাল রোববার বিওএ অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে গেমসে অংশগ্রহণ ও সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেছেন কর্মকর্তারা। তবে প্রত্যাশা যা সবই শুটিংকে ঘিরে। এ ডিসিপ্লিন থেকেই বাংলাদেশ পদক পেলে পেতে পারে। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা ও সহ-সভাপতি এবং কন্টিনজেন্টের সেফ দ্য মিশন নাজিমউদ্দিন চৌধুরীর মুখে ছিল শুটিং নিয়ে প্রত্যাশার কথা।

বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টের সবচেয়ে বড় দল শুটিংয়ের। ১৩ শুুটারের সঙ্গে আছেন ৩ কোচ ও ২ অফিসিয়াল। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬ সদস্যের দল যাবে ভারোত্তোলনে। দলে ৫ ভারোত্তোলকের সঙ্গে যাচ্ছেন একজন কোচ।

সম্ভাবনা আছে বলেই বড় একটা দলই পাঠানো হয়েছে শুটিংয়ে। ১৩ জন শুটার অংশ নেবেন ৮ ইভেন্টে। কন্টিনজেন্টের সেফ দ্য মিশন নাজিমউদ্দিন চৌধুরী বাংলাদেশ শুটিং স্পোর্ট ফেডারেশনেরও সভাপতি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন,‘শুটিং দল যাওয়ার সময় বলেছি, স্বর্ণ জিতলে ১০ লাখ, রৌপ্য জিতলে ৭ লাখ ও ব্রোঞ্জ জিতলে ৩ লাখ টাকা করে দেয়া হবে শুটারদের।’

এদিকে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) মহাসচিব ঘোষণা দিয়েছেন গেমসে স্বর্ণ জিতলে ১০ লাখ, রৌপ্য জিতলে ৫ লাখ ও ব্রোঞ্জ জিতলে ৩ লাখ টাকা পুরস্কার দেয়া হবে। শনিবার বাংলাদেশ শুটিং দল গোলকোস্ট গেছে। অন্য ডিসিপ্লিনের খেলোয়াড়রা যেতে শুরু করবেন ৩১ মার্চ থেকে। গেমসে বাংলাদেশের খেলা শুরু হবে ৫ এপ্রিল। ওই দিন সুইমিং, বক্সিং ও ভারোত্তোলনে অংশ নেবে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ কন্টিনজেন্ট:অ্যাথলেটিক : মেজবাহ আহমেদ, শিরিন আক্তার, খুরশিদা খাতুন।

বক্সিং : মো. রবিন মিয়া, আল-আমিন, কাজী আব্দুল মান্নান।

ভারোত্তোলন : বিদ্যুৎ কুমার রায়, শিমুল কান্তি সিংহ, ফুলপতি চাকমা, মাবিয়া আক্তার সীমান্ত, জহুরা খাতুন নিশা, ফাহিমা আক্তার ময়না।সুইমিং : রেজাউল হোসেন বাদশা, আরিফুল ইসলাম, মোহাম্মদ মাহমুদুন নবী নাহিদ, নাজমা খাতুন।

শুটিং : আবদল্লাহ হেল বাকী, শোভন চৌধুরী, রিসালাতুল ইসলাম, রাব্বি হাসান মুন্না, শাকিল আহমেদ, আনোয়ার হোসেন, আরমিন আশা, আরদিনা ফেরদৌস, আমিরা হামিদ, সৈয়দা আতকিয়া হাসান, জাকিয়া সুলতানা, সুরাইয়া আক্তার, শারমীন শিল্পা, ক্ল্যাবসজন ক্রিস্টেনসেন, মারকো সকিফ, হোসনে আরা বেগম, গোলাম সফিউদ্দিন খান, ইন্তেখাবুল হামিদ অপু।

কুস্তি : আল আমজাদ, শিরিন সুলতানা ও তাবিউর রহমান পালোয়ান।

 সেফ দ্য মিশন : নাজিম উদ্দিন চৌধুরী।

 জেনারেল টিম ম্যানেজার: ফখরুদ্দিন হায়দার।

টিম ডাক্তার: ডা. মো. শফিকুর রহমান।

প্রশাসনিক কর্মকর্তা : মো. হাবিবুর রহমান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ