শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২০
Online Edition

খুলনায় পাঁচ টাকার ডিম হোটেলে ২০!

খুলনা অফিস : পাঁচ টাকার ডিম হোটেলে বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা। অথচ দেশীয় বাজারে কমেছে ডিমের দাম। বাজারে প্রতি পিস ডিম সর্বনিম্ন পাঁচ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর মহানগরীসহ উপজেলার হোটেলগুলোতে ওই ডিম বিক্রি হচ্ছে চড়া মূল্যে। অধিক মুনাফা পাচ্ছে হোটেল মালিকরা। তারা পকেট কাটছে সাধারণ জনগণের।
নগরীর বিভিন্ন হোটেলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিপিস ডিম ২০ টাকা দরে বিক্রি করছে হোটেল মালিকরা। এদিকে মুরগির ডিমের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় খুলনার পোল্ট্রি খামারিরা পড়েছে লোকসানের মধ্যে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে খামারিরা। প্রতিদিন তাদের হাজার হাজার টাকা লোকসান গুণতে হচ্ছে।
জানা যায়, ডিমের দাম অনেক কমে গেছে। এতে পোল্ট্রি খামারীদের লোকসান হলেও লাভবান হচ্ছে বিভিন্ন হোটেল মালিক। খুচরা বাজারে ডিমের হালি যখন ৩৬-৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে তখনও বিভিন্ন খাবার হোটেলে প্রতিপিস ডিম ২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। তবে নিম্নমানের হোটেলগুলোতে এখনও নাস্তা করতে গেলে প্রতিপিস ডিমের দাম কমপক্ষে ১৫ টাকা রাখা হয়।
নগরীর সাতরাস্তা মোড়স্থ দুলাভাই হোটেলে টানিয়ে রাখা হয়েছে খাবারের মূল্য তালিকা। এ তালিকায় লেখা রয়েছে ডিমের দামও। প্রতিপিস ডিম ভাজি ২০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। একই ভাবে, নগরীর সাতরাস্তা মোড়স্থ হাঙরি রেস্টুরেন্টে টানিয়ে রাখা তালিকায় লেখা রয়েছে প্রতিপিস ডিম ভাজি ২০ টাকা। এছাড়া মহানগরীসহ জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের হোটেলগুলোতে প্রায় একই দামে বিক্রি হচ্ছে।
নগরীর রূপসা স্ট্যান্ড রোডস্থ রূপসা হোটেলের এক কর্মচারী বলেন, ডিম ভাজি প্রতিপিস ১৫ টাকা করে বিক্রি করা হয়। তিনি আরও বলেন, এর আগেও প্রতিপিস ডিম ভাজি ১৫ টাকা দরে বিক্রি করা হয়েছে। নগরীর রূপসা ট্রাফিক মোড়ে রয়েছে একাধিক হোটেল। এসব হোটেলে প্রতিপিস ডিম ন্যূনতম ১৫ টাকা দরে বিক্রি করা হয়।
রূপসা ট্রাফিক মোড়স্থ রূপসা হোটেল থেকে বেরিয়ে আসা সাইদুর রহমান বলেন, ডিমের দাম অনেক নেমে গেছে। কিন্তু তারপরও হোটেলগুলোতে ডিমের দাম কমেনি। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন হোটেলে ভাত খেতে গেলে প্রতিপিস ডিমের দাম ২০ টাকা করে নেয়া হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ