বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই ২০২০
Online Edition

খালেদা জিয়ার জামিনের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলের শুনানি শেষ ॥ আদেশ আজ

গতকাল রোববার সুপ্রিম কোর্টে মিডিয়া ব্রিফিং করেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবী এডভোকেট জয়নুল আবেদীন -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের বিরুদ্ধে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের করা লিভ টু আপিলের (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) শুনানি শেষ হয়েছে। আদেশের জন্য আজ সোমবার দিন ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চ উভয়পক্ষের শুনানি নিয়ে গতকাল রোববার এই আদেশ দেন। মামলাটি আদেশের জন্য সোমবারের কার্যতালিকায় তিন ও চার নম্বরে রয়েছে। আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন এডভোকেট খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন এডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন ও এ জে মোহাম্মদ আলী।
 আজকের এই আদেশের পর জানা যাবে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন বহাল থাকবে কি না। এদিকে গতকাল আপিল বিভাগে লিভ টু আপিলের শুনানিতে এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম খালেদা জিয়ার জামিনের বিরোধিতা করে বলেছেন, অসুস্থতা ও বয়স বিবেচনায় তিনি বারবার অনুকম্পা পেতে পারেন না। দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, খালেদা জিয়া যে অসুস্থ, এর সপক্ষে তার আইনজীবীরা চিকিৎসা সনদ আদালতে উপস্থাপন করেননি। খালেদা জিয়া আদালতের অনুমতি ছাড়াও বিদেশে গেছেন। এতে জামিনের অপব্যবহার হয়েছে। তবে হাইকোর্টের জামিন আদেশ সঠিক দাবি করে খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, আমরা আশা করছি আপিল বিভাগেও খালেদা জিয়ার জামিন বহাল থাকবে।
গতকাল রোববার আপিল বিভাগে মামলার শুনানির শুরুতেই দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান হাইকোর্টের আদেশের অংশটুকু পড়ে শুনান। তিনি বলেন, গত ১২ মার্চ চারটি যুক্তিতে খালেদা জিয়াকে হাইকোর্ট জামিন দিয়েছেন। খালেদা জিয়াকে লঘুদণ্ড দেয়া হয়েছে। এরপর তিনি ৪৬ ডিএলআর এর একটি মাদক দ্রব্য আইনের মামলার রায়ের অংশ পড়ে শুনান। ওই মামলায় একজনের দুই বছরের সাজা হয়েছিল। তবুও সাবেক বিচারপতি শাহাবুদ্দীন আহমেদ লঘুদণ্ড বিবেচনায় নেননি। তাদের জামিন দেন নাই। হাইকোর্টে আমরা এই যুক্তি দেখিয়েছিলাম।  হাইকোর্ট আমাদের বক্তব্য গ্রহণ না করে খালেদা জিয়ার মামলায় সাংঘর্ষিক আদেশ দিয়েছেন। হাইকোর্ট যে চারটি যুক্তিতে জামিন দিয়েছেন এর একটিতে বলেছিলেন, খালেদা জিয়া জামিনের অপব্যবহার করেননি। কিন্তু খালেদা জিয়া বিচারিক আদালতের অনুমতি না নিয়েই বিদেশে গেছেন। কাজেই হাইকোর্টের এই যুক্তি সঠিক নয়। মেডিকেল গ্রাউন্ডস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখানে তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে কোনো কাগজপত্র দেননি। বিচারিক আদালত তাকে দ-বিধির ৪০৯, ১০৯ ধারায় পাঁচ বছরের সাজা দিয়েছেন। ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ এর (২) ধারায় দুর্নীতির অপরাধ প্রমাণ হওয়ায়ও আদালত তাকে সাজা দেয়নি।
খুরশীদ আলম খান বলেন, তিনি একই সুবিধা দুইবার পেতে পারেন না। তিনি বয়স্ক মহিলা এবং শারীরিকভাবে অসুস্থ এ কারণে বিচারিক আদালত ১০ বছরের সাজা না দিয়ে তাকে পাঁচ বছরের সাজা দেয়া সঠিক মনে করেছেন।  এ সময় আদালত বলেন, এটি কি বিচারিক আদালত গ্রহণ করেছেন? খুরশীদ আলম খান বলেন, হ্যা গ্রহণ করেছেন। ১০ বছরের সাজা না দিয়ে পাঁচ বছরের সাজা দেয়া হয়েছে। তখন আদালত বলেন, পাঁচ বছরের সাজা দেয়ায় উনার শারীরিক অবস্থা কি ভাল হয়ে গেছে? জবাবে খুরশীদ আলম খান বলেন, তিনি কারাগারে আছেন। হাইকোর্টে উনাকে চার মাসের জামিন দিয়েছেন। এ সময়ের মধ্যে পেপারবুক প্রস্তুতের নির্দেশ দিয়েছেন।  তখন আদালত বলেন, এই উপমহাদেশে জয়ললিতা, লালু প্রসাদ যাদব কতদিন কারাগারে ছিলেন? জবাবে খুরশীদ আলম খান বলেন, জয়ললিতার দুর্নীতি মামলায় বিচারিক আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। সুপ্রিম কোর্টেও এ রায় বহাল ছিল। তার সহযোগী শশীকলা এবং অন্য আরেকটি মামলায় লালু প্রসাদ যাদব এখনো কারাগারে আছেন। কাজেই খালেদা জিয়া জামিন পাবেন, এটা ঠিক হবে না।
এ পর্যায়ে এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, আমি সারসংক্ষেপ বলতে চাই। তিনি মামলার বিস্তারিত পড়া শুরু করলে খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী এতে আপত্তি তুলে বলেন, এখন তো আপিলের শুনানি হচ্ছে না। মামলার সারবত্তায় (মেরিট) যাওয়ার দরকার কি। এ সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, আমরা মামলাটি একটু ভাল করে শুনি। আপনারাই বলেছেন, আমরা গতদিন শুনিনি। আমরা আপনাদের কথা পরে শুনবো। এসময় এটর্নি জেনারেল বলেন, এটা হলো একটা সারসংক্ষেপ। বিচারিক আদালতের রায়ে একজন সাক্ষীর মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে, এতিমখানার টাকা উত্তোলনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়ার অনুমোদন ছিল। এর মধ্যে তারেক রহমান ও তার ভাগ্নে মুমিনুর রহমান চারলাখ টাকা তুলে নিয়েছে। তারা কিভাবে এ টাকা তুলে নিলেন?  আদালত বলেন, এটা কি ব্যক্তির নামে ছিল? অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, হ্যা ব্যক্তি নামে ছিল। এফডিআর করা নিয়ে একটা মামলাও হয়- কিভাবে বিদেশ থেকে টাকা এলো, কিভাবে এফডিআর হলো। তারা জমি কেনার জন্য টাকা দিয়েছিলো কিন্তু যখন জমি পাচ্ছিল না তখন তারা জমির জন্য চাপ না দিয়ে টাকা ফেরত চেয়েছে। 
খালেদা জিয়া শারীরিকভাবে অসুস্থ এ যুক্তির জবাবে মাহবুবে আলম বলেন, খালেদা জিয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী। একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান এবং বয়স্ক নারী। এ বিবেচনায় তাকে ১০ বছরের সাজা না দিয়ে পাঁচ বছরের সাজা দিয়েছেন বিচারিক আদালত। একজন আসামীকে কতবার এই সুবিধা দেয়া হবে? এখানে ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৭ ধারা প্রযোজ্য হবে। ৪২৬ ধারা নয়। রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় দয়া এবং বার বার অনুকম্পা দেখানো ঠিক হবে না। কোনো রাষ্ট্রেই এটা দেখানো হয়নি। এরপর পাকিস্তানের এক মামলার নজির তুলে ধরেন এটর্নি জেনারেল।
 তিনি বলেন, আমাদের দেশে সাবেক রাষ্ট্রপতির সাড়ে তিন বছর সাজা হয়েছিলো। উনি জেলও খেটেছেন। এ সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, লালুপ্রসাদের সঙ্গে কি এ ঘটনার মিল আছে? জবাবে এটর্নি জেনারেল বলেন, লালুপ্রসাদের মামলায় সুপ্রিম কোর্টেও তার জামিন খারিজ হয়েছিল।  খালেদা জিয়াকে অসুস্থ বলা হচ্ছে কিন্তু তিনি মিটিং, সমাবেশ করছেন, বিদেশ যাচ্ছেন, সবকিছু করছেন। আজকে যদি জামিন দেয়া হয় তাহলে আপিলের শুনানি অনিশ্চিত হয়ে যাবে।
এ পর্যায়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, আপিল বিচারাধীন থাকাবস্থায় হাইকোর্ট জামিন দিতে পারেন, নাও দিতে পারেন। তবে জামিন দেয়াটাই স্বাভাবিক। লঘুদ-ের কারণে হাইকোর্ট জামিন দিয়েছেন। জামিন না দেয়ার নজির খুবই কম।  সাধারণত দেখা যায়, আপিল বিভাগ হাইকোর্টের জামিনের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেননি। সীমিত ক্ষেত্রে আপিল বিভাগকে হস্তক্ষেপ করতে দেখা গেছে। যদি ন্যায়বিচার বিঘিœত হয়েছে সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগ হস্তক্ষেপ করতে পারেন। হাইকোর্ট এ ধরনের মামলায় জামিন দেয়া বা না দেয়ার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক কর্তৃপক্ষ। এরপর বেলা ১১ টার দিকে ৩০ মিনিটের বিরতিতে যান আদালত। বিরতির পর শুনানির শুরুতেই এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, ৪২৬ ধারায় মামলার সারবত্তা যাচাই করা হাইকোর্টের জন্য বাধ্যতামূলক নয়। হাইকোর্টে আবেদন আসবে তারা এটা পুরোটাই দেখবে। তারপর তারা জামিন দিবে কী দিবে না, সিদ্ধান্ত জানাবেন। আপিল বিভাগ হস্তক্ষেপ করে না, যদি না এখানে বিচারের বিচ্যুতি না ঘটে।  এ সময় একজন বিচারপতি জানতে চান, বিচারিক আদালত ও হাইকোর্ট দ- দিলে সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগ কী হস্তক্ষেপ করতে পারে না? জবাবে এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, অনেক মামলায় হাইকোর্ট জামিন দিয়েছেন। মুষ্টিমেয় মামলায় আপিল বিভাগ হস্তক্ষেপ করেছেন। মামলার কাগজপত্র বা রায়ের কোথাও বলা হয়নি খালেদা জিয়া অর্থ আত্মসাতে জড়িত। তার স্বাক্ষর ছিল কোথাও বলা হয়নি। এটা পরিষ্কার যে, এ ধরনের জামিনের ক্ষেত্রে আপিল বিভাগ হস্তক্ষেপ করেননি।
খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, সাজা যদি কম হয় তাহলে জামিন দিয়ে ভারসাম্যের উপর জোর দিতে হবে। লাখ লাখ সাধারণ মামলা ছেড়ে দিয়ে এটাকে সামনে আনা হচ্ছে। এটাকেই আগে শুনতে হবে। উনি (এটর্নি জেনারেল) অনেক বড় গল্প বললেন। আমি এটার জবাব দেয়া সমিচিন মনে করি না। মামলাটি আদালতের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চলুক। আমি মনে করি, হাইকোর্টের জামিনের সিদ্ধান্ত সঠিক।
এ পর্যায়ে খালেদা জিয়ার আরেক আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, এটা খালেদা জিয়ার মামলা। তাই এ মামলার গুরুত্ব অনেক। তিনি না হলে আমরাও আসতাম না। সরকারও এতো উৎসাহি হতো না। হাইকোর্টের ক্ষমতা আছে জামিন দেয়ার। এ সময় এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, ১০ বছরের সাজার দু একটি মামলা আছে যেগুলোতে জামিন মিলেছে। কিন্তু আপিল বিভাগ হস্তক্ষেপ করেনি।
পরে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এ বিষয়ে আদেশের জন্য আজ সোমবার দিন ধার্য্য করেন। এ সময় এটর্নি জেনারেল বলেন, গত সপ্তাহে একটি রায়ে নির্মিত ১৮তলা ভবন এতিমখানাকে বুঝিয়ে দিতে বলেছেন আদালত। অতএব খালেদা জিয়ার মামলাতেও এতিমদের টাকা উধাও হয়েছে। এ সময় মাহবুব উদ্দিন খোকন এটর্নি জেনারেলকে উদ্দেশ করে বলেন, শেখ হাসিনার মামলায় সরকার বা দুদককে এভাবে আসতে দেখিনি। যতটা না এ মামলায় দেখেছি।
শুনানি শেষে মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেন,  হাই কোর্ট যে যুক্তিতে খালেদা জিয়াকে জামিন দিয়েছেন সেটা সঠিক হয়নি। যেখানে এতিমদের অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে সেখানে জামিন দেয়া সঠিক হবে না।
খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন সাংবাদিকদের বলেন,  আইনগত যে দিকগুলো আমরা আদালতে তুলে ধরেছি ইনশাল্লাহ সবই আমাদের পক্ষে। ফলে আমরা আশা করি হাইকোর্ট যে জামিন আদেশটি দিয়েছেন সেটি বহাল রাখবেন আপিল বিভাগ।
তিনি বলেন, আদালতে দুদকের আইনজীবী ও এটর্নি জেনারেল তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন। এটর্নি জেনারেল মূলত রাজনৈতিকভাবে এ মামলাটির মেরিটে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন এবং অনেকগুলো মেরিটের কথা তিনি বলেছেন। পরবর্তীতে আমাদের পক্ষ থেকে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়েছে। আমরা অনেকগুলো সিদ্ধান্ত বিশ্লেষণ করে বলেছি। এ অবস্থায় উপমহাদেশে এবং আমাদের দেশে যতগুলো সিদ্ধান্ত আছে সে সিদ্ধান্ত মোতাবেক হাইকোর্ট বিভাগ যদি কোনো জামিন আবেদন গ্রহণ করেন এবং জামিন দেন এবং সেখানে যদি কারণ উল্লেখ করে জামিন দিয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে সাধারণত আপিল বিভাগ কোনো হস্তক্ষেপ করেন না।
তিনি বলেন, আমরা বলেছি সরকার এবং দুদক একত্রিত হয়ে যে বক্তব্য উপস্থাপন করেছে সেগুলো সবই মামলার মূল বিষয়বস্তু নিয়ে। যার কোনো ভিত্তি নেই। আমরা এ সংক্রান্ত উপমহাদেশের অনেকগুলো সিদ্ধান্ত দেখিয়েছি। এসব সিদ্ধান্তে আছে হাইকোর্ট যদি জামিন দেয় সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগ মেরিটে যাবে না। শুধুমাত্র যে যে ক্ষেত্রে জামিন দিয়েছে সেগুলো যথাযথ হয়েছে কি না সেটা দেখার এখতিয়ার আপিল বিভাগের। চারটি পয়েন্টে হাই কোর্ট খালেদা জিয়াকে জামিন দিয়েছে। তার মধ্যে সর্বশেষ যেটা সেটা হল খালেদা জিয়ার ৭৩ বছর বয়স। এই বয়সের দিকটা চিন্তা করে আদালত তাকে জামিন দিয়েছেন।
গত ১২ মার্চ এই মামলায় খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট। এ আদেশ স্থগিত চেয়ে পৃথক আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদক। পরে আপিল বিভাগ জামিন স্থগিত করেন। একইসঙ্গে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষকে লিভ টু আপিল করতে নির্দেশ দেন।  গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. আক্তারুজ্জামানের আদালত খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদ- দেন। একই আদালত খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয় জনের সবাইকে মোট দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা ৮০ পয়সা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন। বিশেষ আদালতের রায়ের পর থেকে কারাবন্দী রয়েছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।
এদিকে রোববার খালেদা জিয়ার মামলার শুনানিকে কেন্দ্র করে সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। পরিচয়পত্র ছাড়া কাউকে সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। বিচারপ্রার্থীসহ সবাইকে আদালত চত্বরে প্রবেশ করতে হয় কড়া তল্লাশির মধ্যে দিয়ে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ