বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

জাতীয় ফুটবল দল এবার প্রস্তুতি নিতে থাইল্যান্ড যাচ্ছে

স্পোর্টস রিপোর্টার: কাতার সফর শেষে দেশে ফিরলেও মাত্র চারদিনের ব্যবধানে থাইল্যান্ড যাচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল দল। লাওসের বিপক্ষে ফিফা টায়ার-১ প্রীতি ম্যাচ, এশিয়ান গেমস ও সাফ টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে দু’সপ্তাহের কন্ডিশনিং ক্যাম্প শেষে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশে ফিরেছেন মামুনুলরা। বাফুফের উদ্যোগে ও কাতার ফুটবল ফেডারেশনের সার্বিক সহযোগিতায় কোচ অ্যান্ড্রু ওর্ডের অধীনে প্রশিক্ষন নেয় ২৪ ফুটবলার। কন্ডিশনিং ক্যাম্পে জিম, সুইমিং, মাঠের অনুশীলন ছাড়াও দু’দলে ভাগ হয়ে খেলোয়াড়রা পরস্পরের মধ্যে প্রস্তুতিতে সহায়ক ম্যাচ খেলেছেন।ঢাকায় ফিরেই ফুটবলাররা দু’দিনের ছুটিতে বাড়ি গেছেন। ক্যাম্পে ফিরেই আবারো বিদেশ যাবে দলটি। এবারের মিশন থাইল্যান্ড। আগামী ২০ মার্চ থাইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়বেন জাতীয় দলের ফুটবলাররা। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) সূত্রে জানা গেছে,থাইল্যান্ডে অনুশীলন ক্যাম্পের পাশাপাশি স্থানীয় ক্লাব দলের সাথে ২/১ টি ম্যাচ খেলানোর চেষ্টা হচ্ছে। এ ব্যাপারে বাফুফে থাইল্যান্ড ফুটবল ফেডারেশনের সাথে আলোচনা করছে। থাইল্যান্ড থেকেই আগামী ২৫ মার্চ লাওসের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন মামুনুলরা। উল্লেখ্য, ২৭ মার্চ প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও লাওস।ফিফা প্রীতি ম্যাচ হলেও বাংলাদেশের জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ন। কারন দীর্ঘ ১৬ মাস আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে নির্বাসনে জাতীয় ফুটবল দল। ২০১৬ সালের ১০ অক্টোবর ভুটানের বিপক্ষে এএফসি কাপে হারের পর জাতীয় দল আর ফিফা অনুমোদিত ম্যাচ পায়নি।তাই তো  লাওসের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ, আগষ্টে এশিয়ান গেমস এবং সেপ্টেম্বরে ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে আবারো সরব হয়ে ওঠে জাতীয় দল। কাতারে কন্ডিশনিং ক্যাম্প তারই অংশ। ওই ক্যাম্পে ছিলেন গত মৌসুমে রহমতগঞ্জের ডিফেন্ডার সাদ্দাম হোসেন এ্যানি। কাতারের ক্যাম্প নিয়ে বেশ স্বস্তি প্রকাশ করেন তিনি। এ্যানির কথায়, ‘আমাদের ক্যাম্প খুবই ভালো হয়েছে। অর্ডের অধীনে অনেক নতুন কিছু শিখতে পেরেছি। এগুলো ভবিষ্যতে আমাদের অনেক কাজে দেবে। ক্যাম্পটা খুব প্রয়োজন ছিল। কারণ টানা লিগ, টুর্নামেন্ট খেলে সবাই ক্লান্ত পরিশ্রান্ত ছিল। এই ক্যাম্প দলের মধ্যে চাঙ্গাভাব এনে দিয়েছে।’

এর আগে ৩৫ জনের দল নিয়ে প্রথমে বিকেএসপিতে শুরু হয় জাতীয় দলের অনুশীলন ক্যাম্প। সেখান থেকে কয়েকজন খেলোয়াড়কে বাদ দেয়া হয়। অসুস্থতা এবং বাজে পারফরম্যান্সের কারণেই মূলত বাদ পড়েন তারা। তবে যে ২৪ জন নিয়ে কাতারে ক্যাম্প হয়েছে, সেখানে ছিলেন না আবাহনীর কোনো ফুটবলার। এএফসি ক্লাব কাপ নিয়ে ব্যস্ত থাকায় আবাহনীর কেউ যোগ দিতে পারেননি। থাইল্যান্ড যে ক্যাম্পটি হবে সেখানে থাকবেন আবাহনীর খেলোয়াড়রা। কারণ ইতিমধ্যে দু’টি ম্যাচ খেলে ফেলেছেন ক্লাবের ফুবটলাররা। এখন তারা যোগ দিতে পারেন জাতীয় দলের অনুশীলনে। তাই ২৪ জনের সঙ্গে আবাহনীর খেলোয়াড় মিলে থাইল্যান্ডগামী দলে ফুটবলার সংখ্যা ৩০ ছাড়িয়ে যাবে। সেখান থেকে থাইল্যান্ডের জন্য বেছে নেয়া হবে ২৩ জন। এই ২৩ জনই ফিফা প্রীতি ম্যাচ খেলতে লাওসে যাবেন ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ