বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

নেপালে ইউএস বাংলার বিমান বিধ্বস্ত নিহত ৫০॥ নিখোঁজ ৯

সংগ্রাম ডেস্ক : গতকাল সোমবার নেপালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৫০ আরোহীর প্রাণহানি ঘটে। এ খবর নিশ্চিত করেছে নেপালের সেনাসূত্র। ৯ জনের নিখোঁজ থাকার কথা জানিয়েছে তারা। ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিএস-২১১ মডেলের ফ্লাইটটি বিধ্বস্ত হয়। ৭৮ জন ধারণে সক্ষম ওই বিমানে ৪ জন ক্রু ও ৬৭ যাত্রী মিলে ৭১ জন আরোহী ছিলেন। বিমানের ৩২ আরোহী বাংলাদেশী এবং ৩৩ জন নেপালি।
নেপালের ত্রিভূবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিএস ২১১ ফ্লাইটের বিমানটি বিধ্বস্তে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখপ্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
গতকাল সোমবার ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে দুপুর ২টা ২০ মিনিটে কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে পৌঁছায় বিমানটি। অবতরণের সময় বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। এরপর বিমানবন্দরের কাছেই একটি ফুটবল মাঠে বিধ্বস্ত হয়। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, যাত্রীদের মধ্যে ৩৭ জন পুরুষ, ২৭ জন নারী ও দুইজন শিশু। ত্রিভুবন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও নেপাল সেনাবাহিনী উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। ত্রিভুবন বিমানবন্দরের মুখপাত্র প্রেমনাথ ঠাকুর জানান, ২৫ জনকে কাঠমান্ডু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ৭ জনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। নেপালের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র গোকুল ভান্ডারি রয়টার্সকে বলেছেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা ৫০টি লাশ উদ্ধার করেছি। জ্বলন্ত ধ্বংসাবশেষ থেকে কয়েকজনকে উদ্ধার করা হয়েছে।’ ওই সেনা মুখপাত্র জানান,  নয়জনের এখনও কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। শীর্ষনিউজ/ বাংলা ট্রিবিউন/আমাদের সময় ডট.কম।
ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমরা নিজেরাও এখনও নিশ্চিত হতে পারিনি কী ঘটেছিল। আমাদের স্টেশন ম্যানেজারও দেশে রয়েছেন।
নেপালের বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের পরিচালক সঞ্জীব গৌতম বলেন, রানওয়েতে অবতরণের সময়  বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এটা দক্ষিণ দিকে নামার কথা থাকলেও উত্তর দিক দিয়ে নামে। তিনি বলেন, ‘কারিগরি ত্রুটির কারণে এমনটা হয়ে থাকতে পারে। আমরা বিধ্বস্ত হওয়ার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি।’
 আর্নিকো পান্ডে নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী নেপালের সংবাদমাধ্যম মাই রিপাবলিকাকে বলেছেন, রানওয়েতে বাঁক নেওয়ার সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। তিনি বলেন, আমি সংযোগ সড়কে ছিলাম। দেখলাম বিমানটি টার্মিনালকে পেছনে ফেলে দক্ষিণ দিকে দ্রুত বাঁক নিলো। এরপরই রানওয়ে থেকে তা অদৃশ্য হয়ে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে বিশালাকার ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়। তিনি জানান, খুব নিচে দিয়ে কন্ট্রোল টাওয়ারের ওপর দিয়ে বিমানটিকে উড়তে দেখেছিলেন।
ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মহাব্যবস্থাপক রাজকুমার চেত্রিকে উদ্ধৃত করে নেপালি সংবাদমাধ্যম মাই রিপাবলিকা জানিয়েছে, বিমানটির ৫০ জনেরও বেশি আরোহী নিহত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। রাজকুমার বলেন, ‘আমরা উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছি। বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর ত্রিভুবন বিমানবন্দরের সব ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে। ত্রিভূবন বিমানবন্দরের মুখপাত্র প্রেম নাথ ঠাকুর জানান, অবতরণের সময় বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। বিমানবন্দরের কাছেই একটি ফুটবল মাঠে বিধ্বস্ত হয় এটি। 
নেপালের বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের পরিচালক সঞ্জীব গৌতম বলেন, রানওয়েতে অবতরণের সময় বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এটা দক্ষিণ দিকে নামার কথা থাকলেও উত্তর দিক দিয়ে নামে। তিনি বলেন, ‘কারিগরী ত্রুটির কারণে এমনটা হয়ে থাকতে পারে। আমরা বিধ্বস্ত হওয়ার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি।’
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক : রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী নেপালের ত্রিভূবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিএস ২১১ ফ্লাইটের বিমানটি বিধ্বস্তে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখপ্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি এ ঘটনায় নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। এ ঘটনায় আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। হতাহতের পরিবারের সদস্যদের প্রতিও সমবেদনা জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নিহতদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
বাংলাদেশী আরোহী ৩২, নেপালি ৩৩ : বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমানে বাংলাদেশী আরোহী ৩২ জন, জানিয়েছে ইউএস বাংলা কর্তৃপক্ষ। আর নেপালের হিমালয়ান টাইমস দাবি করেছে, বিমানের  ৩৩ আরোহী তাদের দেশের নাগরিক। এছাড়া ওই বিমানটিতে একজন মালদ্বীপের নাগরিক ও একজন চীনের নাগরিক ছিলেন। ৮ জনের প্রাণহানির খবর নিশ্চিত করেছে নেপালের বিমান কতৃপক্ষ। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি স্থানীয় সূত্রকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে বেশকিছু লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এদিকে ভারতীয় একটি সম্প্রচারমাধ্যমকে উদ্ধৃত করে রুশ রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আরটি বলছে, দুর্ঘটনাস্থল থেকে অন্তত ২০ টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
৬ যাত্রীর পরিচয় মিলেছে : পরিচয় মিলেছে কাঠমা-ুতে বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স-এর বিমানে থাকা ছয় যাত্রীর।  তারা হলেন- পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের উম্মে সালমা ও নাজিয়া আফরিন চৌধুরী, মো. খাজা হোসেন, পৃথিলা রশিদ, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল হোসেন এবং রুয়েটের সহকারী অধ্যাপক ইরানা কবীর হাসি। 
ইউএস-বাংলা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে ৭৮ আসনের বিমানটিতে ৬৭ জন যাত্রী এবং ৪ জন ক্রু মেম্বার ছিলেন।  ত্রিভুবন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এদের মধ্যে ৩৭ জন পুরুষ, ২৭ জন নারীর সঙ্গে ছিল দুই শিশুও। এদের মধ্যে ৩২ জন বাংলাদেশী। নেপালের ৩৩ জন, মালদ্বীপের ১ জন এবং চীনের ১ জন ছিলেন বাকিদের মধ্যে।
আহতদের তালিকা : উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় এখন বিকাল( ৫.৫০ মি.) পর্যন্ত ৪১ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে নেপালে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। কাঠমান্ডু মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ১৬ জন আহতের তালিকা প্রকাশ করেছে। আহত ১৬ জনের মধ্যে তিনজন আছেন আইসিইউতে। এসএইচসিইউতে আছেন দুইজন। সার্জারি ওয়ার্ডে তিনজন, অর্থপেডিকস ওয়ার্ডে দুইজন, প্লাস্টিক ও নিউরোসার্জিারি ওয়ার্ডে আছেন একজন করে।
এছাড়া চারজনকে রেফার্ড করা হয়েছে বলে মেডিকেল কলেজের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
আইসিইউতে আছেন ১. ইমরান কাবির, ৫০২ ( নারী), ২. সামিনা ব্যাঞ্চনকর, (নারী), ৩. পিঞ্চি ধামি, ৫০৫ (নারী)। এসএইচসিইউতে আছেন ৪. কবির হোসেন (পুরুষ), ৫. রশিদ হাসান (পুরুষ)।
সার্জারি ওয়ার্ড আছেন ৬. মেহেনদী হাসান (পুরুষ), ৭. রেজানা আব্দুল্লাহ (৩৮, নারী), ৮. ড. ইরজানা (নারী)। অর্থপেডিক্ট ওয়ার্ড আছেন ৯. ধীরেন্দ্র সিং পুজানা (৩৭,পুরুষ), অর্থপেডিক্ট হাই কেয়ার আছেন ১০. সওরানা (২২, মেয়ে)। এছাড়া প্লাস্টিক ওয়ার্ডে আছেন ১১. শাহরিন আহমেদ
নিউরোসার্জারিতে ১২. এমডি শাহিন (পুরুষ), রেফার্ড করা ৪জন হলেন ১৩.কিশোর ত্রিপাঠি (৪০, গ্রান্ডি), ১৪. হরিপ্রসাদ সুবেদি (৪০, গ্রান্ডি), ১৫. দয়ারাম প্রামাকার (নিউরো) ও ১৬. কেশব পান্ডে (৪৮, মেডিসিটি)
রাগীব রাবেয়া মেডিক্যালের ১৩ নেপালী শিক্ষার্থী : জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল নেপালে বিধ্বস্ত ইউএস বাংলার এয়ারলাইন্সের বিমানের যাত্রীদের মধ্যে ছিলেন সিলেটের জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজের ১৩ শিক্ষার্থী। তারা সবাই নেপালি বংশোদ্ভূত। এমবিবিএস ফাইনাল পরীক্ষা শেষে ওই ১৩ শিক্ষার্থী বাড়ি যাচ্ছিলেন। কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. আবেদ হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে দুর্ঘটনার পর এই শিক্ষার্থীদের অবস্থা বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। কলেজের শিক্ষার্থী- সঞ্জয় পৌডেল, সঞ্জয়া মহারজন, নেগা মহারজন, অঞ্জলি শ্রেষ্ঠ, পূর্নিমা লোহানি, শ্রেতা থাপা, মিলি মহারজন, শর্মা শ্রেষ্ঠ, আলজিরা বারাল, চুরু বারাল, শামিরা বেনজারখার, আশ্রা শখিয়া ও প্রিঞ্চি ধনি ছিলেন বলে মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে জানা গেছে। অধ্যক্ষ ডা. মো. আবেদ হোসেন জানান, ‘আমরা শুনেছি একজন নিহত হয়েছে। তবে সেটি এখনও কোনও নির্ভরযোগ্য মাধ্যম জানা যায়নি। বিষয়টি এখনও নিশ্চিত নয়।’ মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে জানা গেছে, এদের মধ্যে একজন নিহত ও ছয় জন আহত হওয়ার খবর পেয়েছেন তারা। বাকিদের এখনও কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।
সাংবাদিক সম্মেলনে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স : গতকাল সোমবার ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ নেপালে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ঢাকায় সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন । তারা আটজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। তবে তাদের পরিচয় জানাতে পারেনি সংস্থাটি। ইউএস বাংলার জেনারেল ম্যানেজার (মার্কেটিং অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স) কামরুল ইসলাম জানান, বিমানের বিধ্বস্তের এই ঘটনাকে প্রাথমিকভাবে নিছক ‘দুর্ঘটনা’ বলেই ধরে নিচ্ছেন তারা। তবে তাদের দুই কর্মকর্তা কাঠমান্ডু পৌঁছানোর পরপরই আরও তথ্য পাওয়া যাবে। গতকাল বিকালে রাজধানীর বারিধারায় ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স কার্যালয়ে এই সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
কামরুল ইসলাম জানান, ৬৭ যাত্রী ও চারজন ক্রু নিয়ে বিধ্বস্ত হয়েছে বিমানটি। যাত্রীদের মধ্যে বাংলাদেশি ৩২ জন, নেপালি ৩৩ জন, মালদ্বীপের একজন, চীনের একজন। ক্রুদের মধ্যে ছিলেন ক্যাপ্টেন আবিদ, ফার্স্ট অফিসার একজন, কেবিন ক্রু দুইজন। তিনি আরও জানান, যাত্রীদের মধ্যে পূর্ণবয়স্ক মানুষ ৬৫ জন এবং দুটি শিশু। বিমানের মডেল-ছ৮। স্বজনদের ইমার্জেন্সির জন্য ০১৭৭৭-৭৭৭৭৬৬ নম্বরে কল দিতে বলা হয়েছে ইউএস বাংলার পক্ষ থেকে।
এদিকে জেনারেল ম্যানেজার কামরুল ইসলাম আরও জানান, ‘ঢাকা থেকে ক্যাপ্টেন লুৎফরসহ দুজন কাঠমান্ডুতে যাচ্ছেন। তারা পৌঁছানোর পরই আমরা বিস্তারিত জানতে পারবো। নেপাল সিভিল এভিয়েশন উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।’ কী কারণে এই ঘটনা ঘটলো জানতে চাইলে কামরুল ইসলাম বলেন, ‘তিন বছরে ৩৬ হাজার ফ্লাইট আমরা পরিচালনা করেছি। এর আগে এমন কখনও হয়নি। ফলে আমরা এটা একটা দুর্ঘটনা বলেই মনে করছি।’
এদিকে ইউএস বাংলা কার্যালয়ে উপস্থিত এসএম আবুল কামাল আজাদ নামে একজন জানান, তার বোন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী প্রধান নাজিয়া আফরিন চৌধুরী ও একই সংস্থার উম্মে সালমা অফিসের কাজে তিনদিনের জন্য নেপাল যাচ্ছিলেন। তাদের অবস্থা জানা যায়নি। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক কাজী ইকবাল করিমের দুইজন আত্মীয় সেই ফ্লাইটে ছিলেন। একজন তার খালাতো বোন ও তার স্বামী।
এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘আমরা নেপালে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি। উদ্ধার কাজ সম্পন্ন হলে আহত ও নিহতের শনাক্ত করা সম্ভব হবে। আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত নেপালে একটি টিম পাঠাতে। আমরা নিজেরাও এখন নিশ্চিত হতে পারেনি কী হয়েছিল।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ