শনিবার ১৫ আগস্ট ২০২০
Online Edition

মহেশখালীতে হারিয়ে যাচ্ছে পুরানো দিনের ঐতিহ্য

সরওয়ার কামাল, মহেশখালী (কক্সবাজার) থেকে : মহেশখালীর ৩৮৮.৫০ বর্গ কিলোমিটার বেষ্টিত দ্বীপ উপজেলায় শতকরা ৭০ জন কৃষি নির্ভরশীল এলাকায় হারিয়ে যাচ্ছে পুরানো দিনের ঢেঁিককল।
তথ্য নিয়ে জানাযায়, মহেশখালীতে কৃষি খাস জমির পরিমান ১৩০২.৭৫ একর অ-কৃষি খাস জমির পরিমান ৩৩০৫.১০ একর, বন্দোবস্ত যোগ্য কৃষি খাস জমি ১৩০২.৭৫ একর, এ পর্যন্ত বন্দোবস্ত প্রদত্ত ১১৬৮.৬৬ একর অবশিষ্ট ১৩৮১.৯৭ একর, বন্দোবস্ত অ-কৃষি, খাস জমি ১৩৮২.০৫ একর, এ পর্যন্ত বন্দোবস্ত প্রদত্ত ০০.০৮ একর। অপরদিকে সোনাদিয়া মৌজায় কৃষি জমির পরিমান ২৯৬৫.৩৭ একর খতিয়ানি/ মালিকানাধীন ৩.১৫ একর মোট কৃষি জমির পরিমাণ ১০৩০৮ হেক্টর প্রকৃত ফসলি জমি ৮৪৯০  হেক্টর এক ফসলি জমি ২৬০১ হেক্টর, দু’ ফসলি জমি ৭২০৬ হেক্টর, তিন ফসলি জমি ৫০২ হেক্টর জমিতে ১ থেকে ৩ সেশনি চাষ হয়। উক্ত সেশনি জমিতে আগেকার দিনে দেখা যেত ঢেকিঁকল দিয়ে পানি তুলে জমির সেচ দেওয়া থেকে শুরু করে ধান কাটার আগ মূহুর্তে পর্যন্ত গভীর খাদ থেকে পানি তুলত।
সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে পুরানো দিনের ঢেঁকিকল নিয়ে বিদ্যুৎ তৈলের ধারা চালিত মেশিন দিয়ে চাষ শুরু করে দিয়েছে। যার ফলে দেখা গেছে চাষীদের মনে আগেকার দিনের মত তেমন আনন্দ উল্লাস পরিলক্ষিত হয়না। ধারাক্রমে দেখা যাচ্ছে পুরানো দিনের ঐতিহ্য সব বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে কৃষি কর্মকর্তা জানান, এখন বর্তমান ডিজিটাল যুগযুগের সাথে তালমিলিয়ে পুরানো দিনের কাজ গুলি বিলুপ্ত হতে চলেছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ