শুক্রবার ২৩ অক্টোবর ২০২০
Online Edition

ভারতের তিনটি প্রদেশে হাতুড়ি কাস্তের পতাকা উড়ে গেছে : গেরুয়ার টার্গেট এবার কেরালা

ইচ্ছা ছিল, আজও বেগম জিয়ার জামিন নিয়ে লিখবো। কারণ গতবার যা বলেছি সেটিই ঘটেছে। তিনি জামিন পাননি। পাবেন কিভাবে? পুরা সপ্তাহ পার হয়ে গেছে কিন্তু বকশীবাজার থেকে হাইকোর্ট পর্যন্ত মাত্র ৩ কিলোমিটারের পথ পড়ি দিতে নিম্ন আদালতের নথি ১৫ দিনেও আসতে পারেনি। পত্রপত্রিকার রিপোর্ট মোতাবেক এই নথি নাকি আসবে আজ অর্থাৎ ১১ মার্চ রবিবার। অন্য কথায়, আজ যদি নথি আসে তাহলে হাইকোর্ট নির্ধারিত সময়সীমা ১৫ দিন পার হয়ে ষোড়শ দিবস হবে। উদ্দেশ্য বুঝতে কারো অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। সোজা কথায়, বেগম জিয়ার জামিন যত বিলম্বিত করা যায় তত বিলম্বিত করার চেষ্টা করা। পত্রপত্রিকায় রিপোর্ট বেরিয়েছে যে, আজ রবিবার জামিন দেয়া হবে কি হবে না, সে সম্পর্কে নাকি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ আদেশ দেবেন। আজ যেহেতু লেখাটি প্রকাশিত হলো তাই সে সম্পর্কে আর কিছু ইচ্ছে করেই লিখলাম না। যদিও তার পরেও অনেক কিছু বলার ছিল। দেখা যাক, আজ কি আদেশ হয়। এ কারণে এখন আমরা অন্য প্রসঙ্গে চলে যাচ্ছি।
ভারতের তিনটি রাজ্যে বিধান সভা নির্বাচন অর্থাৎ প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। এর মধ্যে একটি রাজ্যের নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে সারা ভারতে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্যটি হলো ত্রিপুরা। অথচ এটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র একটি রাজ্য। এর ভৌগোধলিক আয়তন ৪ হাজার ৫০ বর্গমাইল। অর্থাৎ বাংলাদেশ এই রাজ্য অর্থাৎ ত্রিপুরার চেয়ে ১৪ গুণ বড়। জনসংখ্যা মাত্র ৫০ লক্ষ। অর্থাৎ বাংলাদেশের জনসংখ্যা ত্রিপুরার জনসংখ্যার চেয়ে  ৩৪ গুণ বেশি। বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১৭ কোটি। এটি আয়তনের দিক দিয়ে ভারতের ২৭ নং রাজ্য। তারপরেও এই রাজ্যের নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে গবেষক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং রাজনৈতিক মহলের মধ্যে হুলুস্থুল শুরু হয়েছে। বাংলাদেশেও ত্রিপুরার নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।
কারণ বাংলাদেশের সাথে এই রাজ্যটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বৃটিশ আমলে ভারতীয় ত্রিপুরা রাজ্য ছিল একটি দেশীয় রাজ্য। নাম ছিল পার্বত্য ত্রিপুরা। ভারত স্বাধীন হয় ১৯৪৭ সালে। তখনও এই রাজ্যটি দেশীয় রাজ্যের মর্যাদা ধরে রাখে। ১৯৪৯ সালে এই রাজ্যটি ভারতে যোগদান করে।
অন্যদিকে বাংলাদেশের কুমিল্লার নাম বৃটিশ আমলে ছিল ত্রিপুরা। পাঠক ভাইয়েরা লক্ষ্য করুন, আজ যেটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য, সেটির নাম বৃটিশ আমলে ছিল পার্বত্য ত্রিপুরা। আর আজ যেটি বাংলাদেশের কুমিল্লা সেটির নাম ছিল ত্রিপুরা। ১৯৪৭ সালে ত্রিপুরা তৎকালীন পূর্ববঙ্গ বা পূর্ব পাকিস্তানের অংশ হয়। তখন এটি একটি জেলা ছিল। নাম ছিল ত্রিপুরা। ১৯৬০ সালে ত্রিপুরার নাম হয় কুমিল্লা। ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত এই জেলা অর্থাৎ কুমিল্লা জেলার অধীনে ছিল আরো দুটি মুহকুমা। এগুলির নাম ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং চাঁদপুর। ১৯৮৪ সালে ব্রাহ্মনবাড়িয়া এবং চাঁদপুর আলাদা জেলার মর্যাদা লাভ করে। যখন এই তিনটি জেলা (কুমিল্লা, ব্রাহ্মনবাড়িয়া, চাঁদপুর) একীভূত অর্থাৎ কুমিল্লার অধীনে ছিল তখন এদের সম্মিলিত আয়তন ছিল ৪ হাজার ৮ শত ৪৫ বর্গমাইল। পক্ষান্তরে ভারতীয় পার্বত্য ত্রিপুরার আয়তন ছিল ৪ হাজার ৫০ বর্গমাইল। অর্থাৎ পূর্ব পাকিস্তান বা বাংলাদেশে কুমিল্লা একটি জেলা হওয়া সত্ত্বেও ভারতীয় একটি রাজ্য বা প্রদেশের চেয়ে ৮ শত বর্গমাইল বড় ছিল। যেহেতু ঐ ধারে ছিল পার্বত্য ত্রিপুরা আর এই ধারে ছিল ত্রিপুরা, তাই এই দুটি অঞ্চলের মধ্যে অনেক মিল ছিল। তবে ঐধারে কিছু পাহাড়-পর্বত আছে যেটা এই ধারে নাই।
আরেকটি কারণে অনেক বাংলাদেশী সশরীরে ত্রিপুরা না গেলেও বিভিন্ন রাজনৈতিক কারণে এই রাজ্যটি বাংলাদেশীদের কাছে অত্যন্ত পরিচিত। সেটির কারণ হলো ত্রিপুরার রাজধানী। ত্রিপুরার রাজধানীর নাম আগরতলা। পাকিস্তানের শেষের দিকে শেখ মুজিব এবং অন্যান্য সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটির নাম আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা। কয়েক বছর আগে পর্যন্ত আওয়ামী লীগের শ্লোগান ছিল, “মিথ্যা মামলা আগরতলা/বাতিল করো”। কিন্তু আগরতলা মামলার অন্যতম আসামী কর্ণেল শওকত আলী পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের এমপি এবং ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন। তিনি তার অনেক বক্তৃতা বিবৃতিতে এবং তার লিখিত বইয়ে জোরের সাথে বলেছেন যে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলাটি মিথ্যা ছিল না। এটি ছিল একটি সত্যি মামলা। তখন রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে এটিকে মিথ্যা মামলা হিসেবে প্রচার করা হয়। অন্যথায় সরকার যে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা দায়ের করেছিল সেই মামলার অভিযোগসমূহ প্রমাণিত এবং প্রতিষ্ঠিত হয়ে যেত। প্রতিষ্ঠিত হলে শেখ মুজিবসহ মামলার আসামীরা গুরুদ- লাভ করতেন। এখনও বাংলা-ভারত আলোচনার সময় বিশেষ করে ট্রানজিট এবং করিডোরের আলোচনার সময় আগরতলা ফোকাল পয়েন্টে এসে যায়।
॥দুই॥
সেই আগরতলা যার রাজধানী, সেই প্রদেশ বা রাজ্য ত্রিপুরা বিধান সভার নির্বাচনী ফলাফল সেদিন প্রকাশিত হয়েছে। সেই নির্বাচনী ফলাফলে দেখা যায় যে ২০ বছরের পুরাতন তক্তা উল্টে গেছে। সেই ২০ বছর ধরে ত্রিপুরায় নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় ছিল ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি, বা সিপিআই(এম)। আর ২০ বছর ধরে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন মানিক সরকার। এখন নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারতীয় জনতা পার্টি। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিপ্লব দেব।
২০১৬ সালের জানুয়ারিতে বিপ্লব রাজ্য বিজেপির দায়িত্ব পান। যেদিন এই সংবাদটি প্রকাশ পায় যে বিপ্লব দেব আগরতলার মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করছেন সেদিন থেকেই বাংলাদেশের এক শ্রেণীর সংবাদপত্রে এই মর্মে খবর প্রকাশ করা হয় যে বিপ্লব আমাদের বাংলাদেশের ছেলে। এই কথাটি সঠিক নয়। বিপ্লব কচুয়ার সন্তান নয়। তার পিতা মাতা হিরুধন দেব ও মিনা রানী দেব কচুয়ায় বসবাস করতেন। কিন্তু ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তার পিতা মাতা শরণার্থী হয়ে ত্রিপুরা চলে যান। মুক্তিযুদ্ধ শেষে বাংলাদেশ স্বাধীন হলে হাজার হাজার শরণার্থী তাদের স্বদেশ অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন। কিন্তু বিপ্লবের পরিবার ফিরে আসেননি। তারা ত্রিপুরায় স্থায়ীভাবে বসত গাড়েন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই চাঁদপুরের কচুয়াতেই বিপ্লবের মা বিপ্লবকে গর্ভে ধারণ করেন। কিন্তু বিপ্লব ভূমিষ্ঠ হন ত্রিপুরায়। সে জন্য জন্মসূত্রে তিনি ভারতীয়। সুতরাং তাকে বাংলাদেশী বলে যারা গর্ববোধ করতে চান তাদের সেই গর্ববোধ সঠিক ধারণার ওপর প্রতিষ্ঠিত নয়। বাংলাদেশের অসংখ্য হিন্দু পরিবারের মতো বিপ্লবদের পরিবারও স্পিøট ফ্যামিলি বা বিভক্ত পরিবার। পরিবারের একটি অংশ ভারতে থাকেন, আরেকটি অংশ বাংলাদেশে থাকেন। এটি অবশ্য দেখা যায় যে ভাইদের কেউ কেউ ভারতে থাকেন, আর কেউ কেউ বাংলাদেশে থাকেন। তবে যাদের পিতামাতা এবং সন্তানসন্ততি এক সাথে একটি যায়গায় থাকেন তাদেরকে বিভক্ত পরিবার বলা যায় না। তাই বিপ্লবের পরিবারও বিভক্ত পরিবার নয়।
তবে একথা ঠিক যে, বিপ্লবের অনেক আত্মীয়স্বজন কচুয়ায় বসবাস করছেন। তাঁর চাচা প্রাণধন দেব কচুয়া উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি। বিপ্লব দেবের আত্মীয়স্বজন অনেকেই এখনো কচুয়ায় বসবাস করছেন।
॥তিন॥
ভারতে কমিউনিস্টদের শক্তি কেন্দ্র ছিল ৩টি। এগুলো হলো পশ্চিমবঙ্গ, কেরালা এবং ত্রিপুরা। প্রায় ৭ বছর আগে পশ্চিমবঙ্গে কমিউনিস্ট দুর্গের পতন ঘটেছে। তবে সেখানে কংগ্রেস বা বিজেপি আসতে পারেনি। এসেছেন কংগ্রেস ত্যাগ করা নেতা মমতা ব্যানার্জী। তার তৃণমূল কংগ্রেস দুটি মেয়াদ ধরে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে যে আগামী বছর অনুষ্ঠিতব্য বিধান সভার নির্বাচনেও মমতার তৃণমূল কংগ্রেস তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসবে। আরেকটি কেন্দ্র ছিল ত্রিপুরা। এখানে কমিউনিস্ট পার্টি, অর্থাৎ সিপিএম গত ২০ বছর ধরে ক্ষমতায় ছিল। এই ২০ বছর ধরেই মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সিপিএম নেতা মানিক সরকার। এবার কমিউনিস্টদের ত্রিপুরার দুর্গেরও পতন ঘটলো। তবে এখানে সিপিএমের পতনের পর কংগ্রেস বা অন্য কেউ ক্ষমতায় আসেনি, এসেছে কট্টর হিন্দু জাতীয়তাবাদী ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি।
হারাধনের একটি একটি করে ছেলে কমে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত কমিউনিস্ট পার্টির সলতে টিম টিম করে জ্বলছে কেরালায়। এই একটি মাত্র নিভু নিভু সলতে নিভে দিতে চায় বিজেপি। তাই তারা তাদের সমস্ত শক্তি এবং মনোযোগ এবার কেন্দ্রীভূত করেছে কেরালায়। উল্লেখ করা যেতে পারে যে ভারতে সর্বপ্রথম কমিউনিস্ট পার্টি ক্ষমতায় আসে সেদিনের মাদ্রাজ এবং আজকের তামিল নাড়–তে। নির্বাচনী বিজয়ের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা ই এম ই নাম্বুদিরিপাদ। তিনিই মাদ্রাজ তথা ভারতের প্রথম কমিউনিস্ট মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু সেই তামিল নাড়–র কমিউনিস্ট রাজের পতন হয়েছে অনেক আগে। সেখানে আর কমিউনিস্ট শাসন ফিরে আসেনি। পশ্চিমবঙ্গে কমিউনিস্টরা শাসন করেছেন ৩২ বছর। তারপর তাদের হাতুড়ি-কাস্তে পতাকা নামিয়ে দিয়েছেন অগ্নি কন্যা মমতা ব্যানার্জী। পশ্চিমবঙ্গের যে রাজনৈতিক গতিধারা সেগুলো দেখে ধারণা করা যায় যে তৃতীয় মেয়াদের পরে যদি পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটে তাহলে সেখানে আর যাই হোক, কমিউনিস্ট শাসন আর ফিরে আসবে না। যেভাবে হঠাৎ করে সারা ভারতে হিন্দু মৌলবাদী ঢেউ উঠেছে তার ফলে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসলেও আসতে পারে। বিজেপির বিকল্প হতে পারে কংগ্রেস। কিন্তু রাহুল গান্ধী এখন পর্যন্ত কংগ্রেসের অতীতের অন্যান্য সভাপতির মত বিচক্ষণতা দেখাতে পারেননি। তাই অদূর ভবিষ্যতে পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস শাসনের প্রত্যাবর্তনের কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।
ভারতে বর্তমানে ২৯ টি প্রদেশ বা রাজ্য এবং ৭ টি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল রয়েছে। সেই বিশাল ভারতে বর্তমানে মাত্র একটি রাজ্যে অর্থাৎ কেরালায় এখনও কমিউনিস্ট শাসন বলবৎ রয়েছে। এই কেরালার আয়তন ১৫ হাজার ৫ বর্গমাইল। লোকসংখ্যা ৩ কোটি ৫০ লক্ষ। এখন কেরালার ওপর রাজনৈতিক আক্রমণ একমুখী নয়, বরং বহুমুখী। এরমধ্যে প্রধান খেলোয়াড় হচ্ছে বিজেপি এবং কংগ্রেস। এই রাজ্যে যদি কমিউনিস্ট শাসনের অবসান ঘটে তাহলে ১২ লক্ষ ৭০ হাজার বর্গমাইল আয়তন সম্বলিত এবং ১২২ কোটি জনসংখ্যা অধ্যুষিত বিশাল ভরতে কমিউনিস্টদের শেষ প্রদীপটুকুও নিভে যাবে। ঐ প্রদীপ নতুন করে প্রজ্বলনের কোনো সম্ভাবনা এই মুহূর্তে চোখে পড়ছে না। নেহরু এবং ইন্দিরা গান্ধীর সমাজতন্ত্র এবং সেক্যুলারিজম ভারতে আজ গেরুয়া পতাকার নীচে চাপা পড়ে যাওয়ার উপক্রম। গেরুয়া পতাকার হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের উত্থানকে সকলেই বলছেন, হিন্দুত্ববাদ এবং মৌলবাদের উত্থান। তাই সকলেই আতঙ্ক প্রকাশ করেছেন। কিন্তু বাংলাদেশে অসাম্প্রদায়িকতা এবং মৌলবাদের উত্থানের বিরুদ্ধে যারা অষ্টপ্রহর গলা ফাটিয়ে চিৎকার করেন তারা ভারতে হিন্দুত্ববাদের উত্থানে ঠোঁট সেলাই করে বসে আছেন। আসলে ওরা মৌলবাদেরও বিরুদ্ধে নয়, অসাম্প্রদায়িকতারও বিরুদ্ধে নয়। যেখানেই ইসলাম এবং মুসলমানিত্বের রেশ রয়েছে সেখানেই ওরা অসাম্প্রদায়িকতা এবং মৌলবাদের নাম করে ঝাঁপিয়ে পড়ে। 
Email: asifarsalan15@gmail.com

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ