শুক্রবার ২১ জানুয়ারি ২০২২
Online Edition

কেসিসি’র মশক নিধন কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়েছে: অতিষ্ঠ নগরবাসী

 

খুলনা অফিস: খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়েছে। ফলে মশার উপদ্রবে মহানগরী খুলনার বাসিন্দারা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। কয়েল বা স্প্রে ব্যবহার করেও কোন সুরাহা পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। তবে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। 

কর্পোরেশনের কঞ্জারভেন্সি শাখা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে মশক নিধনে দুই কোটি ও ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে দুই কোটি ১০ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এ টাকায় লার্ভিসাইড, অ্যাডাল্ট্রিসাইড, লাইট ডিজেল (কালো তেল), মেশিন মেরামত, ব্লিচিং পাউডার ইত্যাদি কেনা হয়। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে মশক নিধনে বরাদ্দ রাখা হয় দুই কোটি ৫০ লাখ টাকা। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের অক্টোবর পর্যন্ত ৮০ লাখ টাকায় অ্যাডাল্ট্রিসাইড, লার্ভিসাইড ও লাইট ডিজেল কেনা  হয়। একই অর্থ বছরের শেষের দিকে ফের কেনা হয় আরও ১০ হাজার লিটার অ্যাডাল্ট্রিসাইড, দুই হাজার লিটার লার্ভিসাইড ও ১২ হাজার লিটার লাইট ডিজেল। 

এদিকে প্রতি বছর মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয় করেও কার্যকরী পদক্ষেপের অভাব ও অব্যবস্থাপনায় নগরীতে মশার উপদ্রব কমিয়ে আনতে কার্যতঃ ব্যর্থ হচ্ছে কর্পোরেশন। 

নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকার অনার্স পড়–য়া ছাত্রী আমেনা সুলতানা জানান, বর্তমানে মশার উপদ্রব অনেক বেড়েছে। মশার অত্যাচারে কোন কাজ স্বাভাবিকভাবে করতে পারছি না। বিশেষ করে রাতে বেশি অশান্তি সৃষ্টি করছে। তাই বাধ্য হয়ে মশারীর ভেতরে বসে লেখা-পড়া করতে হচ্ছে। 

বড় মির্জাপুর এলাকার গৃহবধূ মুক্তা জানান, মশার উৎপাতে ছেলে-মেয়েরা সঠিকভাবে লেখাপড়া করতে পারছে না। বানিয়াখামার এলাকার বাসিন্দা তুহিন জানান, ইদানীং মশা খুব বিরক্ত করছে। মশার কয়েল না জ্বালিয়ে কোন কাজ করতে পারছি না। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ