শুক্রবার ২১ জানুয়ারি ২০২২
Online Edition

খাবার হোটেলে অব্যবস্থাপনা : ভোক্তা অধিকার আইন উপেক্ষিত

ঝালকাঠি সংবাদদাতা: ঝালকাঠি জেলায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে এবং খাদ্যে ভেজাল রোধ ও পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তেমন কোনো কার্যক্রম নেই। 

তাই জেলায় ভোক্তা অধিকার আইনেরও তেমন বাস্তবায়ন পরিলক্ষিত হচ্ছে না। ক্রেতা সাধারণের জন্য ভোক্তা অধিকার আইন নামে দেশে একটি আইন আছে এবং আইনটি ২০০৯ সাল থেকে বাংলাদেশে চালু রয়েছে। ঝালকাঠি জেলার সাধারণ মানুষের অনেকেই এ ব্যাপারে সঠিক তথ্য জানেন না। 

এ আইন অনুযায়ী কোনো অসাধু ব্যবসায়ী ভোক্তাকে ঠকালে শুধু শাস্তিই পাবেন না বরং ভোক্তাও অভিযোগ করে আর্থিকভাবে লাভবান হবেন। 

এ আইনটির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ও উন্নয়ন, ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্য প্রতিরোধ, ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘনজনিত অভিযোগ নিষ্পত্তি, নিরাপদ পণ্য বা সেবা পাওয়ার ব্যবস্থা, কোনো পণ্য বা সেবা ব্যবহারে ক্ষতিগ্রস্ত ভোক্তাকে ক্ষতি পূরণের ব্যবস্থা, পণ্য বা সেবা ক্রয়ে প্রতারণা রোধ, ভোক্তা অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে গণসচেতনতা সৃষ্টি। জেলার বিভিন্ন হাট-বাজার, মিষ্টির দোকানসহ পাইকারি ও খুচরা খাদ্য সামগ্রী বিক্রির দোকানে দেখা যায়, ওজন দেওয়ার সময় মোটা কাগজে প্রস্তুত মিষ্টির বাক্স অথবা মোটা কাগজে প্রস্তুত ঠোঙাসহ ওজন দেওয়া হয়।

বাক্স বা ঠোঙার ওজনের কারণে ক্রেতা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এর প্রতিবাদ করতে গেলে ভোক্তাকে অপমানিত হতে হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ