শুক্রবার ২১ জানুয়ারি ২০২২
Online Edition

স্বাধীনতার মাস

স্টাফ রিপোর্টার : আজ শুক্রবার ৯ই মার্চ। একাত্তরের এই দিনে সারাদেশ বিক্ষোভের আগুনে টগবগ করছিল। এদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা হলো-  জেনারেল টিক্কা খানকে পূর্ব পাকিস্তানের গবর্নর হিসেবে শপথ গ্রহণ করাতে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি বিএ সিদ্দিকীর অস্বীকৃতি। এদিন টিক্কা খানকে পূর্ব পাকিস্তানের সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের কথা ছিল। সংবাদপত্রে বলা হয়, ঢাকা হাইকোর্টের হরতালের দরুন কোনো বিচারপতি পূর্ব পাকিস্তানের নব নিযুক্ত সামরিক গবর্নরকে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে সম্মত হচ্ছেন না। এদিন ঢাকার ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। মওলানা ভাসানী তার বক্তৃতায় বলেন, সাত কোটি বাঙালীর মুক্তি ও স্বাধীনতা সংগ্রামকে দাবিয়ে রাখতে পারবে না। পূর্ব বাংলাকে পৃথক রাষ্ট্র বলে স্বীকৃতি দেয়ার মাধ্যমেই দেশের দু' অঞ্চলের তিক্ততার অবসান হতে পারে। সংহতি এখন অতীতের স্মৃতি এবং কোনো শক্তিই অধিকারকে নস্যাৎ করতে পারবে না। শেখ মুজিব বঙ্গবন্ধু বা যে বন্ধুই হোক না কেন আপোষ করতে গেলে পিঠের চামড়া খুলে ফেলবো।

এদিকে এদিন জামায়াতে ইসলামী নেতা অধ্যাপক গোলাম আযম এক বিবৃতিতে বলেন, ‘অধিবেশনের পুনঃ আহবান স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হয়েছে। শাসনতন্ত্র প্রণয়নের অজুহাতে ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি করার কোনো যুক্তি নেই। আমি অতি সত্বর সামরিক আইন প্রত্যাহার করে গণপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করার জন্য আমার পূর্ব দাবির পুনরুল্লেখ করছি।'

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ