সোমবার ০১ জুন ২০২০
Online Edition

নকল নামজারী পর্চা, জাল দলিল সৃজনের মূল হোতা মেহেদী ধরা ছোঁয়ার বাইরে কেন?

সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) সংবাদদাতা: মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) এর স্বাক্ষর বছরের পর বছর যাবৎ নকল করা, জাল দলিল, নকল পর্চা সৃজনের মূল হোতা মেহেদী হাসান ধরা ছোয়ার বাইরে কেন? এটাই এখন সিরাজদিখানের মূল আলোচ্য বিষয়। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তাহলে এদের পিছনে কে রয়েছে? কে নাড়ছে কলকাঠি? গ্রেফতারকৃত আসামী প্রকাশ্যে মেহেদীর নাম বলার পরও কেন মামলার এজাহারে মেহেদীর নাম এল না? কেন গ্রেফতার হচ্ছেনা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা মেহেদী ?
২৭ ফেব্রুয়ারী বিকাল সাড়ে ৪ টায় খবর পেয়ে সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে সামনের এক কম্পিউটার দোকান থেকে এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর নকল করে পর্চা সৃজন করার অপরাধে সিরাজদিখান উপজেলা সহকারী (ভুমি) মোঃ নজরুল ইসলাম ২ ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
আটককৃত মোঃ বাবুল হোসেনকে পুলিশ ঘটনাস্থলে নকল পর্চা, জাল দলিল তৈরী চক্রের সাথে কতজন জড়িত জিজ্ঞাসাবাদ করলে বাবুল জানায় চক্রের মুল হোতা মেহেদীর কাছ থেকে ৪ বছর যাবৎ নকল নামজারী পর্চা, জাল দলিল নিয়ে কাজ থাকে।  এমনকি গ্রেফতারকৃত মোঃ বাবুল হোসেন পুলিশ ও জনগণের সামনে বলেন মেহেদীর কাছে সকল রকম সীল মোহরও রয়েছে। যা দ্বারা মেহেদী জালিয়াতির কাজ করে থাকে।
বাবুলের বক্তব্য অনুসারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) নজরুল ইসলাম উপস্থিত থেকে মেহেদীর কম্পিউটার দোকান সিলগালা করেন। পরে পুলিশ  ঘটনার সাথে জড়িত গ্রেফতারকৃত ২ ব্যক্তিকে থানায় নিয়ে যায়।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, সিরাজদিখান থানায় আসামী মোঃ বাবুল  হোসেন (৩৫) ও মোঃ হাসেম শেখ (৫০) সহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
অপরদিকে আসামী মোঃ বাবুল হোসেন নকল পর্চা, জাল দলিল সৃজন চক্রের মূল হোতা হিসেবে দোষী করেন মেহেদী হাসান (২৯) কে। কিন্তু এজাহারে মেহেদী হাসানের কোন নাম খুজে পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ