সোমবার ০১ জুন ২০২০
Online Edition

ঝালকাঠি ও ভোলাহাটে ভয়াবহ অগ্নিকা- বিপুল সম্পদ পুড়ে ছাই

ভোলাহাটে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে টিন বিতরণ করা হচ্ছে

ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) সংবাদদাতা : ভোলাহাটে শনিবার বিকেল ৫টার দিকে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এক গ্রামের ২০ বাড়ী।
প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। উপজেলার দলদলী ইউনিয়নের ময়ামারী গ্রামে বিকেল ৫টার দিকে আশরাফ আলীর ছেলে রাকিবুলের খড়ের পালায় আগুন লাগে।
পরে আগুনের ভয়াবহ লেলিহান শিখা পর্যায়ক্রমে পার্শ্ববর্তী আয়জুদ্দিনের ছেলে লাল মোহম্মদ, লাল মোহম্মদের ছেলে আনারুল, বাবলু, মাসরুল, কাজেম, আজম, লোকমানের ছেলে বাইরুল, শরিফুল, মাইরুল, হামিদুর, লাল মোহম্মদের ছেলে আশরাফ আলী, রাকিবুল, লাকমানের মেয়ে রোকশানা, আব্দুল লতিফের ছেলে সাইরুল, শহিদুল, সোলেমান বিশ্বাসের ছেলে নজরুল, ইদ্রিস আলীর ছেলে আলম, ইদ্রিস আলীর স্ত্রী রাশেদা, দুঃখ শেখের ছেলে শাখাওয়াত এর বাড়ী পুড়ে ছাই হয়ে যায়। দলদলী ইউপি চেয়ারম্যান মাজহারুল ইসলাম পুতুল জানান, বয়াবহ অগ্নিকান্ডে এ ২০টি বাড়ীর সব কিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। কিছুই নিয়ে বের হতে পারেনি। আগুনের ভয়াবহতা ভংয়কর হওয়ায় রহনপুর থেকে ফায়ার ব্রিগেড ঘটনাস্থলে এসে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর এখন ঠাঁই হয়েছে খোলা আকাশের নিচে। আগুন লাগার খবর পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রভাষক আনোয়ারুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন, দলদলী ইউপি চেয়ারম্যান ও ভোলাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত) শামীম হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ঝালকাঠি
ঝালকাঠি শহরের পৌরসভা খেয়াঘাট এলাকার নতুন চরে শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে আগুন লেগে ৯টি বসত ঘর সম্পূর্ন পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
শনিবার ষংৎংা ১২ টার দিকে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু ঝালকাঠিতে অবস্থান করায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
এসময় তার সাথে ছিলেন ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোঃ শহিদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোঃ জোবায়েদুর রহমান, পৌর মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদার, সদর থানার ওসি মোঃ তাজুল ইসলামসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ। এসময় শিল্পমন্ত্রী অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। 
মধ্যরাতে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার সময় আগুন এবং দমকলের পানিতে আরও ৫/৬টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয়রা এবং ফায়ার সার্ভিস জানায়,  ঘন বসতিপূর্ণ এলাকাটির একটি ঘরে রান্নার চুলা থেকে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।
এতে আগুন ছড়িয়ে পড়লে ৯টি ঘর ভস্মীভূত হয়। খবর পেয়ে ঝালকাঠি ও বরিশালের ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট এবং স্থানীয়রা দু’ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুণ নিয়ন্ত্রণে আনে।
কিন্তু ততক্ষনে আগুনে ৯টি ঘরের সব কিছু পুড়ে যায়। আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫০ লাখ টাকা বলে ক্ষতিগ্রস্তরা জানিয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ