মঙ্গলবার ২৬ মে ২০২০
Online Edition

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে হামলা বাধা গ্রেফতার

দলের চেয়ারপার্সনের মুক্তি দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে বিএনপি -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : দলের চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বিএনপি। রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে দলটি। বিএনপি অভিযোগ করে, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্নস্থানে কর্মসূচি পালনে পুলিশ ও সরকারি দলের নেতাকর্মীরা হামলা ও বাধা দিয়েছে। ঢাকায় মানববন্ধন থেকে স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল আলম বাবুকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেফতার করে। এছাড়া ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির উদ্যোগে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন চলাকালে পুলিশ অতর্কিত হামলা চালিয়ে ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে এবং মানববন্ধন পন্ড করে দেয়। কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দের উদ্যোগে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচি পালনকালে ছাত্রলীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা পুলিশের সহায়তায় আক্রমণ করে মানববন্ধন পন্ড করে দেয়।
যশোর জেলা বিএনপির উদ্যোগে মানববন্ধন চলাকালে পুলিশ অতর্কিত হামলা চালিয়ে মানববন্ধন পন্ড করে দেয়। মানববন্ধনে চলমান আন্দোলন সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের এই আন্দোলন শুধুমাত্র বিএনপির জন্য আন্দোলন নয়, এটি গণতন্ত্রের মুক্তির আন্দোলন। এই আন্দোলন দেশকে একটি অপশক্তির হাত থেকে, একটি ফ্যাসিস্ট ডিকটেটর আমাদের বুকের ওপর চেপে বসেছে, এই আওয়ামী লীগ সরকারের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করবার জন্য এই আন্দোলন।
 বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে দ্বিতীয়বারের মতো জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপির মানববন্ধনে মানুষের ঢল নামে। গতকাল বেলা ১১টায় কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল ১০টার মধ্যে নেতাকর্মীরা এসে জড়ো হন প্রেসক্লাবের সামনে। সময় বাড়তে বাড়তে তোপখানার মোড় থেকে হাইকোর্টের কদম ফোয়ারা পর্যন্ত পুরো এলাকায় হাজার হাজার নেতা-কর্মী-সমর্থকরা এই মানববন্ধনে অংশ নেয়। এ মানববন্ধনে ব্যাপক সংখ্যা মহিলা কর্মী-সমর্থকরা অংশ নেন। প্রথম দিকে পুলিশ বাধা না দিলেও পরে কর্মসূচি থেকে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়। কর্মসূচি ঘিরে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও সাদা পোশাকের আইনশৃঙ্খলণা বাহিনী মোতায়েন করা হয়। এ সময় নেতা-কর্মীরা নানা শ্লোগান দেয়। এর মধ্যে ছিল, ‘জেলের তালা ভাঙব-খালেদা জিয়াকে আনব, আমার নেত্রী আমার মা- জেলে থাকতে দেবো না।’ মানববন্ধনে বিএনপির সিনিয়র নেতারা বক্তব্য রাখেন।
বাংলাদেশকে ‘জঙ্গি’ রাষ্ট্র বানানোর চক্রান্ত হচ্ছে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আপনারা নিশ্চয়ই ষড়যন্ত্র লক্ষ্য করেছেন। সেই ষড়যন্ত্র হচ্ছে এই দেশকে একটি সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর রাষ্ট্র, ব্যর্থ রাষ্ট্রের পরিণত করবার চক্রান্ত। সেই চক্রান্তের ফলেই দেখা গেলো এদেশের সবচাইতে জনপ্রিয় লেখক, বিজ্ঞানী এবং একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবালকে ছুরিকাঘাত করা হলো প্রকাশে সিলেটে। কোনো রকম তদন্ত না করেই বলে দেয়া হলো যে, বিএনপি হচ্ছে এটার জন্য দায়ী। অথচ দেখা গেলো যাদের ধরা হচ্ছে তারা সবাই আওয়ামী লীগের লোকজন। আজকে স্বাভাবিকভাবে এই প্রশ্ন এসে যাবে যে, তাহলে কী আওয়ামী লীগ একদলীয়ভাবে টিকে থাকবার যে হীন উদ্দেশ্য, সেই উদ্দেশ্যে এই দেশকে একটা অকার্য্কর রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়, একটা জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। এই হীন চক্রান্ত হচ্ছে।
 দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও অর্থনীতির ধ্বংসের চিত্র তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের অর্থনীতি ধবংস হয়ে গেছে। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা শেষ। পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস এখন নিয়মিত ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। সব কিছু মুখ থুবড়ে পড়েছে। যে স্বাধীনতা আমরা রক্তের বিনিময় অর্জন করেছি সেই স্বাধীনতাকে একেবারে অর্থহীন করে ফেলেছে, সেই স্বাধীনতাকে বিপন্ন করে ফেলা হয়েছে। আজকে দেশকে একটা নতজানু রাষ্ট্রে পরিণত করবার জন্য এই সরকার চক্রান্ত করছে।
তিনি বলেন, যারা গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত নয়, অবৈধভাবে ক্ষমতায় আছে। তাদের অধীনে এই দেশে কোনো নির্বাচন হতে পারে না। আমরা বলতে চাই, দেশনেত্রীকে মুক্তি দিতে হবে, সংসদ ভেঙে দিতে হবে। সকল দলের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। আমাদের নেতা-কর্মীদের সকল মামলা প্রত্যাহার করতে হবে, একটা পরিবেশ সৃষ্টি করে নির্বাচন দিতে হবে।
খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে চলমান আন্দোলন সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের এই আন্দোলন শুধুমাত্র বিএনপির জন্য আন্দোলন নয়, এটি গণতন্ত্রের মুক্তির আন্দোলন। এই আন্দোলন দেশকে একটি অপশক্তির হাত থেকে, একটি ফ্যাসিস্ট ডিকটেটর আমাদের বুকের ওপর চেপে বসেছে, এই আওয়ামী লীগ সরকারের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করবার জন্য এই আন্দোলন। এই আন্দোলনে দেশবাসীসহ সকল রাজনৈতিক দলকে সরকার পরিবর্তনের এই আন্দোলনে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বানও জানান তিনি।
খালেদা জিয়ার জামিন প্রলম্বিত করে তাকে সাংবিধানিক ও আইনি অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, সম্পূর্ণ মিথ্যা একটা মামলাকে কারসাঁজি করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আটকিয়ে রাখা হয়েছে। তাকে আইনি যে অধিকার সংবিধান সম্মত, সেই আইনি অধিকার থেকে তাকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তাকে জামিন পর্যন্ত দেয়া হচ্ছে না।
 সেজন্য কলা-কৌশল করে, তারা(সরকার) কারসাঁজি করে, ছল-চাতুরি করে, তার মুক্তিকে বিলম্বিত করা হচ্ছে।
সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান রেখে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা সমগ্র দেশের মানুষের কাছে, সব রাজণৈতিক দলের কাছে আহ্বান জানিয়েছি যে, আপনারা আসুন ঐক্যবদ্ধ হউন, জাতীয় ঐক্যসৃষ্টি করুন। এই দেশকে মুক্ত করবার জন্যে, গণতন্ত্রকে মুক্ত করবার জন্য আমরা সকলে ঐক্যদ্ধ হয়ে আন্দোলন করি।
স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, সরকার দেশনেত্রীর কারাবাসকে দীর্ঘায়িত করতে চায়, যাতে করে আগামী একাদশ নির্বাচনে দেশনেত্রী ও বিএনপিকে বাইরে রেখে ২০১৪ সালের মতো প্রহসনের নির্বাচন করতে পারে। আমরা দৃঢ়তার সাথে বলতে চাই, দেশনেত্রী ও ২০ দল ছাড়া দেশে কোনোভাবেই অংশগ্রহনমূলক নির্বাচন হবে না। দেশনেত্রীকে বাইরে রেখে যারা নির্বাচন করতে চান তারা দুঃস্বপ্নে আছে। ইনশাল্লাহ আমরা নেত্রীকে নিয়ে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠা করে নির্বাচনে অংশ নেবো।
স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন., সরকারকে বলতে চাই, যত বিলম্ব করার চেষ্টা করুন না কেনো, যতই ষড়যন্ত্র করুন না কেনো, যত ছলচাতুরি করুন না কেনো ইনশাল্লাহ বেগম খালেদা জিয়া মুক্ত হয়ে বেরিয়ে আসবেনেই। সেটা আর বেশি দূরে নয়, আদালতের মাধ্যমেই তা হবে। আন্দোলনের মাধ্যমেই এই সরকারকে বাধ্য করা হবে একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দেবার জন্য। নির্বাচনের ৯০ দিন আগে অবশ্যই সংসদ ভেঙে দিতে হবে, নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে।
মির্জা আব্বাস বলেন, আওয়ামী লীগ আগামীতে একটি পাতানো নির্বাচন করতে চায়, জনগনকে বাদ দিয়ে কুর্তা মার্কা নির্বাচন করে তারা ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়। সরকারকে বলছি, অনেক ভুল করেছেন, সব কিছুর একদিন জবাব দিতে হবে। এভাবে বেশিদিন টিকে থাকা যাবে না । মনে রাখবেন এক মাঘে শীত যায় না, মনে রাখবেন এদেশের মানুষ একবার আঘাত প্রাপ্ত হলে তা ভুলে যায় না। দয়া করে অস্থির হবে না। দেশের মানুষকে স্বস্তি দিন, বিরোধী দলকে আর কষ্ট দিয়েন না।
বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানির পরিচালনায় মানববন্ধনে স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু, আহমেদ আজম খান, এজেএম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক, আবদুস সালাম, জিয়াউর রহমান খান, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, মহানগর উত্তরের মুন্সি বজলুল বাসিত আনজু, যুব দলের সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের শফিউল বারী বাবু, আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল, মহিলা দলের সুলতানা আহমেদ ও ছাত্র দলের আসাদুজ্জামান আসাদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
২০ দলীয় জোটের কল্যাণ পার্টির  সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপা‘র খন্দকার লুৎফর রহমান, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) আহসান হাবিব লিংকন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মাওলানা মহিউদ্দিন ইকরাম প্রমূখ বক্তব্য রাখেন। এই মানববন্ধনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, আবদুল আউয়াল মিন্টু, কেন্দ্রীয় নেতা আতাউর রহমান ঢালী, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শিরিন সুলতানা, হাবিবুল ইসলাম হাবিব, মীর সরফত আলী সফু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
নিন্দা ও প্রতিবাদ: খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তির দাবিতে আজ বিএনপি’র উদ্যোগে প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি শফিউল বারী বাবুকে গ্রেফতারের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ, নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এক প্রতিবাদ বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ৫ জানুয়ারীর প্রহসণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে গায়ের জোরে ক্ষমতা দখলকারীরা সারাদেশে বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দায়ের করে গ্রেফতারের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণকে আওয়ামী দু:সহ ও দুর্বিনীত শাসনের সংস্কৃতিতে পরিণত করেছে। পাশাপাশি হত্যা, গুম, অপহরণ ও নির্যাতন-নিপীড়ণের মাধ্যমে দেশকে ভয়াবহ নৈরাজ্যময় করে তোলা হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তির দাবিতে অনুষ্ঠিত শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি শফিউল বারী বাবুকে গ্রেফতারের ঘটনা বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর নীতি-নৈতিকতা বিরোধী, নির্মম ও নিষ্ঠূর কর্মকান্ডেরই ধারাবাহিকতা। বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে বানোয়াট ও হাস্যকর মামলা দায়ের করে গ্রেফতারের মাধ্যমে তাদের ওপর জুলুম-নির্যাতন চালানো হচ্ছে। মির্জা আলমগীর বলেন, এভাবে একটা দেশ চলতে পারেনা, চলতে দেয়া যায়না। তিনি বর্তমান অগণতান্ত্রিক ভোটারবিহীন সরকারের সকল অপকর্ম রুখে দিতে গণতন্ত্রকামী দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানান। বিএনপি মহাসচিব অবিলম্বে শফিউল বারী বাবু’র বিরুদ্ধে দায়েরকৃত বানোয়াট ও ভিত্তিহীন মামলা প্রত্যাহার ও শর্তহীন মুক্তির জোর দাবি জানান।
শফিউল বারী বাবুকে গ্রেফতারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভুইয়া জুয়েল। নেতৃদ্বয় অবিলম্বে শফিউল বারী বাবু’র বিরুদ্ধে দায়েরকৃত বানোয়াট, অসত্য ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহার ও নি:শর্ত মুক্তির জোর দাবি জানান। তারা জানান, শফিউল বারী বাবুকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে আজ বুধবার স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে ঢাকা মহানগরসহ সারাদেশে জেলা ও মহানগরগুলোতে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।
শফিউল বারী বাবু’কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রেসক্লাব এলাকা থেকে গ্রেফতার করায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ।
কুমিল্লা অফিস : বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে ও খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন করেছে কুমিল্লা দক্ষিন জেলা ও মহানগর বিএনপি এবং ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরের দিকে কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড়স্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা দক্ষিন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মাহ্বুবর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, জেলা যুবদলের সভাপতি আমিরুজ্জামান আমির, শহর বিএনপির সাধারন সম্পাদক ভিপি জসিম উদ্দিনসহ অন্যান্যরা।এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি,যুবদল ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।
সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা : সৈয়দপুরে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন করেছে বিএনপি। ২০ দলীয় জোট নেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে মঙ্গলবার বিকেলে ৫টা জেলা বিএনপি সদস্য ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এড, এস এম ওবায়দুর রহমানের নেত্বতে সৈয়দপুর বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে সামনে ঘন্টা ব্যাপি মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। এ সময় এড, ওবায়েদুর রহমান খালেদা জিয়ার ও তারেক রহমান সহ নেতাকর্মীদের নামে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবী করেন। অন্যদের মধ্যে পৌর বিএনপি সভাপতি সামসুল আলম, বিএনপি যুব বিষয়ক সম্পাদক এরশাদ হোসেন পাপ্পু ,বিএনপি সদস্য শওকত হায়াৎ শাহ ,যুবদলের সাধারন সম্পাদক আনোয়ার হোসেন প্রামানিক ,সেচছাসেবক দলের আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম জনি,ছাএদলের সভাপতি রেজওয়ান আত্তার পাপ্পু,বিএনপি সদস্য লূৎফর সরকার ,বোতলাগাড়ি ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি গোলাম কিবরিয়া প্রমুখ।
বগুড়া অফিস: কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসাবে মঙ্গলবার বগুড়ায় বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সাজা দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে জেলা বিএনপি। সকাল ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত নবাববাড়ী রোডের দলীয় কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করে। এসময় জেলা বিএনপির সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম, বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এ্যাড.মাহ্বুবর রহমান ও হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন, আলী আজগর তালুকদার হেনা, লাভলী রহমান, অধ্যাপক ডাঃ মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, রেজাউল করিম বাদশা, ফজলুল বারী তালুকদার বেলাল, মাফতুন আহম্মেদ খান রুবেল প্রমূখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
খুলনা অফিস : খুলনায় বিএনপির বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর সভাপতি সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম বলেছেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে যারা আর একটি এক তরফা নির্বাচনের স্বপ্ন দেখছেন তারা ২০১৩ ও ২০১৫ সালের তীব্রতর আন্দোলনের কথা স্মরণে রাখুন। মনে রাখবেন, অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলে রাখলেও রাজপথের দখল কিšুÍ বিএনপির নেতাকর্মীদের। খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে ফ্লপ কর্মসূচি আখ্যায়িত করে তিনি আরো বলেন, ১৬ জেলা থেকে লোক ভাড়া করে এনেও মাঠ ভরতে পারেননি। জনগণ আপনাদেরকে প্রত্যাখ্যান করেছে। নির্বাচন নিয়ে কোন ধরনের ষড়যন্ত্র করলে দেশে গণঅভ্যূত্থান সৃষ্টি হবে বলে তিনি হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন।
মিথ্যা মামলায় প্রতিহিংসামূলক রায়ে কারারুদ্ধ বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কেন্দ্র ঘোষিত তৃতীয় পর্যায়ের কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার খুলনায় অনুষ্ঠিত হয় এ কর্মসূচি। নগরীর কে ডি ঘোষ রোডে দলীয় কার্যালয়ের সামনে গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় শুরু হওয়া এ কর্মসূচি চলে সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত। সড়কের দুপাশে দুই সারিতে ওয়ার্ড, থানা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের হাজার হাজার নেতাকর্মী এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের কর্মীরা কর্মসূচির সমর্থনে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। এ সময় মুর্হুমুর্হু শ্লোগানে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১০ বছরের কারাদন্ডের অন্যায় রায় বাতিল, সারা দেশের কারাগারে আটক হাজার হাজার নেতাকর্মীর মুক্তি দাবি করা হয়।
সমাবেশে বক্তৃতা করেন কেসিসির মেয়র  মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, সাবেক এমপি কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন, মাওলানা গোলাম কিবরিয়া, বিএনপি নেতা মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, ফখরুল আলম, জামায়াতে ইসলামীর নেতা খান গোলাম রসুল, বিজেপি নেতা সিরাজউদ্দিন সেন্টু, মুসলিম লীগ নেতা এডভোকেট আক্তার জাহান রুকু, খেলাফত মজলিসের মাওলানা নাসির উদ্দিন, জেপির মোস্তফা কামাল প্রমুখ।
মেহেরপুর সংবাদদাতা : বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মেহেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি মাসুদ অরুনের নেতৃত্বে মানব বন্ধন করেছে মেহেরপুর জেলা বিএনপি। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় মানব বন্ধন কর্মসূচী শুরু হয়। মানব বন্ধন শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসুচীর সমাপ্ত ঘোষণা করেন জেলা বিএনপির সভাপতি মাসুদ অরুন। বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান, শেখ সাঈদ আহমেদ, পৌর বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর বিশ্বাস, গাংনী উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবলু, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক (গাংনী) জুলফিকার আলী ভুট্টো, জেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক আঃ রহিম, বিএনপি নেতা আবু সুফিয়ান হাবু। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আনছারুল হক, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (সদর) রোমানা আহমেদ রুমা, পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক আবু ওবাইদুল্লাহ সেন্টু,জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আঃ আওয়াল, মুজিবনগর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রশিদ, সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাবুদ্দিন মোল্লা প্রমুখ।
ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতাঃ কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ভূঞাপুরে থানা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে গতকাল বিকেলে উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন থানা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট গোলাম মোস্তফা, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, থানা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এডভোকেট লুৎফর রহমান ভোলা, সহ-সভাপতি মো. ফজলুল হক ভুইয়া, নিয়ামত আলী খান, পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান গিয়াস, গোবিন্দাসী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো: মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু, থানা বিএনপির যূগ্ম-সম্পাদক মো:জাহাঙ্গীর হোসেন মন্ডল, নিকরাইল ইউনিয়ন সভাপতি এডভোকেট সাইফুল ইসলাম, যুবদলের আহ্বায়ক মো.রফিুকুল ইসলাম, শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মো. মফিজুর রহমান খান, ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহম্মেদ কফিলসহ বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
গাজীপুর সংবাদদাতাঃ কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গাজীপুরে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা। মঙ্গলবার সকালে জেলা শহরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে রাজবাড়ি সড়কে এ কর্মসূচী পালন করা হয়।
গাজীপুর জেলা ও মহানগর বিএনপির ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী ছাইয়েদুল আলম বাবুল, সিনিয়র সহসভাপতি সালাহ উদ্দিন সরকার, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোঃ সোহরাব উদ্দিন, বিএনপি নেতা শাহ রিয়াজুল হান্নান, কাজী মাহবুব উল হক গোলাপ, আব্দুল মোতালেব, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, জেলা যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি প্রভাষক বশির উদ্দিন, বিএনপি নেতা বশির আহমেদ বাচ্চু, সাবেক ভিপি জয়নাল আবেদীন তালুকদার, সাখাওয়াৎ হোসেন সেলিম, আনোয়ারুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা হুমায়ূন কবীর রাজু, বিএনপি নেতা কুতুব উদ্দিন, মনিরুজ্জামান খান লাভলু, আব্দুস সামাদ মোল্লা, মহিলাদল নেত্রী আনোয়ারা বেগম, জান্নাতুল ফেরদৌসি, ছাত্রদল নেতা নাসির উদ্দিন, হারুন অর রশীদ, সাজেদুল ইসলাম, লিটন মৃধা, যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর হাজারী, ছাত্রদল নেতা আনিসুর রহমান মন্ডল, নাহীদ চৌধুরী বাবু, বাপ্পী দে, ছাত্রদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।
এছাড়া মহানগরের টঙ্গী হোসেন মার্কেট এলাকায় একই সময়ে ছাত্রদল নেতা শেখ সুমনের নেতৃত্বে মানব বন্ধনে উপস্থিত ছিলেন নুরুল ইসলাম,ফরহ্দা, মেরাজ প্রমুখ।
ইবি সংবাদদাতা : কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় জিয়া পরিষদ বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে। ইবি জিয়া পরিষদ সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ এম এয়াকুব আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মোঃ ইদ্রিস আলীর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন জিয়া পরিষদ সাবেক সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ আলীনূর রহমান, শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ মিজানূর রহমান, প্রফেসর ড. মোঃ নজিবুল হক, প্রফেসর ড. আ.ব.ম ছিদ্দিকুর রহামন আশ্রাফী, প্রফেসর ড. এ.কে.এম মতিনুর রহমান, প্রফেসর ড. আব্দুল মালেক, প্রফেসর ড. মোঃ তোজাম্মেল হোসেন, প্রফেসর মোঃ আব্দুস শাহীদ মিয়া, জিয়া পরিষদ কর্মকর্তা ইউনিট সভাপতি পারভেজ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাহফুজ মঞ্জু, উপ-রেজিস্ট্রার আলাউদ্দীন, মীর সিরাজুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান, আব্দুল লতিফ, খুলনা মহানগরী সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ূন কবীর, কেন্দ্রীয় জিয়া পরিষদের সহকারী মহাসচিব ওয়লিদ হাসান পিকুল, জিয়া পরিষদ কর্মচারী ইউনিটের সভাপতি আমিরুল ইসলাম, তোজাম্মেল হক প্রমুখ।
এদিকে মানববন্ধন চলাকালে প্রক্টর প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবর রহমান এসে বাঁধা প্রদান করে। একই সাথে শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা শিক্ষকদের সাথে উচ্চবাচ্য শুরু করে। এসময় প্রক্টরের সাথে জিয়া পরিষদ নেতাদের বাকবিতান্ডা হয়। বাঁধা উপেক্ষা করে জিয়া পরিষদ সভাপতির বক্তব্যের মাধ্যমে মানববন্ধন সমাপ্ত হয়। মানববন্ধন থেকে বক্তারা বেগম খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তির দাবি করেন।
পরে দুপুর পৌনে একটার দিকে শিক্ষক লাউঞ্জে মানববন্ধনে বাঁধার প্রতিবাদে সাংবাদিকদের সাথে প্রেস ব্রিফিং করেন ইবি জিয়া পরিষদ নেতারা। এসময় ইবি জিয়া পরিষদ সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ এয়াকুব আলী বলেন,‘আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর ও ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা হামলার চেষ্টা করেছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এছাড়াও মানববন্ধনে বাধার প্রতিবাদ জানিয়েছে শিক্ষক সমিতি। তারা বলেন, বাংলাদেশ উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এখানে যে কোন লোকের স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকার আছে। ভবিষ্যতে এধরণের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচীতে বাধা না দেয়াওয়ার অনুরোধ রইল। একইসাথে শিক্ষকদের কর্মসূচীতে ছাত্র সংগঠনের বাধা ও এতে প্রশাসনের নিরবতার নিন্দা জানাই।
মাদারীপুর সংবাদদাতা : বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে বিএনপির মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মেইন রোডে বিএনপির এক মানব বন্ধন পালিত হয়। সকাল ১০.০০- থেকে ১০.৪৫ মিনিট পর্যন্ত বিএনপির এ মানবন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক জাহান্দার আলী জাহান পেীর বিএনপির সভাপতি এডভোকেট শরীফ মো: সাইফুল কবীর সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাডঃ জামিনুর হোসেন মিঠু সদর থানা বিএনপির সভাপতি এডবোকেট জাফর আলী মিয়া ও মাদারীপুর বারের সাধারন সম্পাদক এডভোকেট রেজাউল করীম।
খাগড়াছড়ি সংবাদদাতা : পুলিশের বাধার মুখে দলীয় কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করতে ব্যর্থ হয়ে আদালত সড়কের কলাবাগান সড়কে কর্মসূচি পালন করেছে খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠন।
বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে মঙ্গলবার গতকাল খাগড়াছড়িতে দলীয় নেতাকর্মীরা জেলা দলীয় কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করতে চাইলে পুলিশ সকাল থেকে নেতাকর্মীদের বাধা দেয় এবং দলীয় কার্যালয় অবরুদ্ধ করে রাখে। এক পর্যায়ে দলীয় নেতাকর্মীরা আদালত সড়কে কলাবাগান সড়কে আয়োজিত মানববন্ধনে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশের বাধার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আগামীতে যে কোন বাধা প্রতিহতের হুমকি দেয়া হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি প্রবীন চন্দ্র চাকমা, আবু ইউসুফ চৌধুরী ও সাংগঠনিক সম্পাদক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রব রাজা।
খাগড়াছাড়ি জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ক্ষেত্র মোহন রোয়াজা, মংসুইথোয়াই চৌধুরী, অনিমেষ দেওয়ান নন্দিত, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অনিমেষ চাকমা রিংকু, সাংগঠনিক সম্পাদক এমএন আফসার, সাংগঠনিক সম্পাদক ক্ষণি রঞ্জন ত্রিপুরা, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম সবুজ, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল ও জেলা মহিলা দলের সাধারন সম্পাদিকা কোহেলি দেওয়ানসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ