সোমবার ১০ আগস্ট ২০২০
Online Edition

খালেদা জিয়ার মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে

গতকাল শনিবার বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশান কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও যুগ্ম মহাসচিবদের বৈঠকে বক্তব্য রাখেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : দলের চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। গতকাল শনিবার বিকেলে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্যবৃন্দ, যুগ্ম মহাসচিব ও সাংগঠনিক সম্পাদকদের নিয়ে এক যৌথ বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একথা বলেন। বৈঠকের পর মির্জা ফখরুল বলেন, বৈঠকে খালেদা জিয়ার জামিন বিলম্ব ও চলমান কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। দেশনেত্রীর জামিন না হওয়ায় নেতৃবৃন্দ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে নেত্রী মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। পরবর্তী কর্মসূচি আমরা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এর মধ্যে বিভাগীয় শহরগুলোতে জনসমাবেশসহ বিভিন্ন  সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে বৈঠকে স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
দলের ভাইস চেয়ারম্যানদের মধ্যে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, জয়নাল আবেদীন, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, বরকতউল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, খন্দকার মাহবুব হোসেন, মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, রুহুল আলম চৌধুরী, আমিনুল হক, আবদুল আউয়াল মিন্টু, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, আহমেদ আজম খান, নিতাই রায় চৌধুরী, গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্যে উকিল আবদুস সাত্তার, এজে মোজাম্মদ আলী, লুৎফর রহমান খান আজাদ, সাবিহউদ্দিন আহমেদ, মনিরুল হক চৌধুরী, মশিউর রহমান, আবুল খায়ের ভুঁইয়া, মাহবুবুর রহমান, জয়নুল আবদিন ফারুক, জয়নাল আবেদিন ভিপি, আবদুর রশিদ, জিয়াউর রহমান খান, তাজমেরী ইসলাম, সাহিদা রফিক, গোলাম আকবর খন্দকার, আবদুল হাই, কবীর মুরাদ, ফজলুর রহমান, আতাউর রহমান ঢালী, সিরাজুল ইসলাম, সুকোমল বড়ুয়া, আবদুল কাইয়ুম, বিজন কান্তি সরকার, তৈমুর আলম খন্দকার, মান্নান তালুকদার, অধ্যাপক আব্দুল বায়েস ভুঁইয়া, ময়নুল ইসলাম শান্ত, মোহাম্মদ শাহজাদা মিয়া, এসএম ফজলুল হক, আবদুল কুদ্দুস, মামুন আহমেদ, ফরহাদ হালিম ডোনার, মুক্তাদির হোসেন, শামসুল আলম, আবদুল হাই শিকদার, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন, খায়রুল কবির খোকন, হারুনুর রশীদ, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সাখাওয়াত হোসেন জীবন, বিলকিস জাহান শিরিন, শামা ওবায়েদ, প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ও সহ-দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপুও ছিলেন বৈঠকে।
শাহ জালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জাফর ইকবালের ওপর সন্ত্রাসী হামলার  ঘটনার নিন্দা জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন,  তার (অধ্যাপক জাফর ইকবাল) ওপর হামলার ঘটনার আমরা তীব্রভাষায় নিন্দা জানাচ্ছি। আমরা কখনোই এই ধরনের সন্ত্রাসের পক্ষে নই। আমরা মনে করি যে, এটা আরেকটা চক্রান্ত। যারা দেশে এই ধরনের ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় এটা তাদেরই চক্রান্ত।
খুলনার জনসভায় খালেদা জিয়ার সাজা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য জালিয়াতি একটা কাগজের ওপর ভিত্তি করে শুধুমাত্র রাজনীতি থেকে দূরে সরানোর জন্য, বিএনপিকে নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে রাখার জন্য তাকে সাজা দিয়েছেন। তারা জানেন যে, তাদের পক্ষে কখনো একটা সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। সেজন্য এটা (সাজা) দিয়েছেন।
 বৈঠকের পর মির্জা ফখরুল বলেন, দেশনেত্রীর জামিন না হওয়ায় নেতৃবৃন্দ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে নেত্রী মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। পরবর্তী কর্মসূচি আমরা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এর মধ্যে বিভাগীয় শহরগুলোতে জনসমাবেশসহ বিভিন্ন  সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ