শনিবার ০৮ আগস্ট ২০২০
Online Edition

উন্নয়ন বজায় রাখতে নৌকায় ভোট দিন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল শনিবার খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে খুলনা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেন

খুলনা অফিস : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশে কেউ কুঁড়ে ঘরে থাকবে না। নিদেন পক্ষে একটা টিনের ঘর হলেও আমরা করে দেবো। সেই ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘খালেদা জিয়া দুর্নীতি করেছে, আদালতের রায়ে সে কারাগারে, আমাদের কিছুই করার নেই। দুর্নীতি করেছে, তাই খালেদা জিয়া কারাগারে।’ তিনি আরো বলেন, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আসন্ন নির্বাচনে আবারও আওয়ামী লীগকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চাই। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামীতেও নৌকা মার্কায় ভোট দিতে হবে।’ গতকাল শনিবার বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ সব কথা বলেন।
খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হারুনুর রশীদের সভাপতিত্বে ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মিজানুর রহমান মিজান এমপি ও কেন্দ্রীয় নেতা এস এম কামালের পরিচালনায় বক্তব্য দেন-খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক এমপি, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ এমপি ও ডা. দিপু মনি, বিজেএর সাবেক সভাপতি ও সাবেক ফুটবলার সালাম মুর্শিদী, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, শেখ হেলাল উদ্দিন এমপি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মোজাম্মেল হক এমপি, আব্দুর রহমান এমপি, নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি, আবু সাঈদ স্বপন এমপি, খালেদ মাসুদ চৌধুরী এমপি, বেগম মন্নজান সুফিয়ান এমপি, মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী নাজমা আক্তার, জোনায়েদ আহমেদ পলক এমপি, এডভোকেট আফজাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, আমিরুল আলম মিলন, বাগেরহাট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ কামরুজ্জামান টুকু, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ, এডভোকেট শেখ নূরুল হক এমপি, মাহবুবুর রহমান হিরণ, মাহফুজুর রহমান কাজল, শেখ তন্ময়, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সুজিত অধিকারী, সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট সাইফুল ইসলাম, সোনাডাঙ্গা থানা সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, কৃষক লীগ নেতা অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল, জেলা যুবলীগের সভাপতি কামরুজ্জামান জামাল, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ শাহজালাল সুজন প্রমুখ।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘খালেদা জিয়া দুর্নীতি করেছে, আদালতের রায়ে সে কারাগারে, আমাদের কিছুই করার নেই। দুর্নীতি করেছে, তাই খালেদা জিয়া কারাগারে।’ তিনি বলেন, মানুষকে পুড়িয়ে হত্যার হুকুম দিয়ে নিজে অফিসে বসে বিরিয়ানী খায়। তার নির্দেশে পাঁচ শতাধিক মানুষকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। সাড়ে তিন হাজার মানুষ আহত হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে আর কখনও রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধীদের স্থান হবে না। আওয়ামী লীগ আগামীতে ক্ষমতায় আসলে ৪১ সালের মধ্যে দেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মার্চ মাস আমাদের ঐতিহাসিক মাস। ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের দিন। ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন। ২৫ মার্চ পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী আমাদের বাঙালি জাতির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারপর আমাদের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। আমরা বিজয়ী হই।
‘বিজয়ী জাতি হিসেবে আজ বাংলাদেশ বিশ্বসভায় মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। আমাদের সরকার দেশের উন্নয়নে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আপনারা জানেন, পদ্মাসেতু থেকে যশোর, খুলনা, বাগেরহাট হয়ে মংলা বন্দর পর্যন্ত রেলসেবা চালুর উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছি আমরা।’ আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের ফিরিস্তি তুলে ধরার পাশাপাশি বিএনপি-জামায়াত সরকারের হত্যা-লুটপাট কার্যক্রমের চিত্র তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার বিকেলে নগরীর সার্কিট হাউজ ময়দানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা বিজয়ী জাতি। বিজয়ী জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে বিশ্বসভায় চলতে আমরা উন্নয়ন কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। তারই অংশ হিসেবে আজ খুলনার ১০০ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেছি।
উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আসন্ন নির্বাচনে আবারও আওয়ামী লীগকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চাই। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামীতেও নৌকা মার্কায় ভোট দিতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আজকে আমি আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। খুলনার উন্নয়নের দায়িত্ব নিয়েছিলাম। ১০টি নয়, ২০টি নয় আজকে ১০০টি প্রকল্প নিয়ে খুলনায় হাজির হয়েছি। এর মধ্যে ৪৮টি উদ্বোধন ও ৫২টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে দিয়েছি।
খুলনার উন্নয়ন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন কল-কারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ, রাস্তা-ঘাট নির্মাণ করেছি। এখন রেললাইন একেবারে মংলা বন্দর পর্যন্ত যেন যায় সেই প্রকল্পের কাজ শুরু করেছি। সামাজিক উন্নয়নের কাজ করে যাচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আপনাদের এখন বই কিনতে হয় না, আমি বইয়ের দায়িত্ব নিয়েছি। জানুয়ারির ১ তারিখ বই উৎসব হয়। বই কিনতে বাবা-মাকে একটা টাকাও খরচ করতে হয় না। স্বাস্থ্যসেবা দিতে খুলনায় বিশেষায়িত হাসপাতাল করেছি।’ এসময় বাংলাদেশে কেউ কুঁড়েঘরে থাকবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিদেন পক্ষে একটা টিনের ঘর হলেও আমরা করে দেবো সেই ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি।
তিনি বলেন, আমরা যা ওয়াদা দিয়েছিলাম তার বাইরে যে সব কাজ করলে জনগণের কল্যাণ হয় সেগুলোও আমরা করেছি। আমাদের লক্ষ্য উন্নয়ন। বিএনপি ক্ষমতায় ছিল, তখন ওই মংলা বন্দর বন্ধ করে দিয়েছিল। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে মংলা বন্দর চালু করে দিয়েছি।
এ সময় খুলনাবাসীকে একটা সুখবরও দেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, খুলনাবাসীকে একটা সুখবর দিতে চাই। ভোলায় অনেক গ্যাস পাওয়া গেছে। সেই গ্যাস আমরা পাইপলাইনে করে বরিশাল ও খুলনা যেন আসে সেই ব্যবস্থা আমরা করে দেবো।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বিজয়ী জাতি, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা বিজয় অর্জন করেছি। সে ধারাতেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।’ তিনি ৩ টা ৩২ মিনিটে বক্তব্য শুরু করেন এবং ৩টা ৫৫ মিনিটে বক্তব্য শেষ করেন।
একশ’ প্রকল্পের উদ্বোধন ঃ শনিবার দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঐতিহাসিক সার্কিট হাউজ মাঠের জনসভাস্থলে পৌঁছান। এরপর তিনি খুলনাঞ্চলের ৯৯টি উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। যার মধ্যে ৪৮টি উন্নয়ন কাজ ও ৫২টি ভিত্তিপ্রস্তের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনকৃত প্রকল্পগুলো হলো-সড়ক ও জনপথ বিভাগের গল্লামারী-বটিয়াঘাটা-দাকোপ-নলিয়ান ফরেস্ট সড়ক ও রূপসা-শ্রীফলতলা- তেরখাদা সড়ক।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর: কেডিএ খানজাহান আলী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাডেমিক-কাম-প্রশাসনিক ভবন, লাইন্স স্কুল এন্ড কলেজ এর একাডেমিক ভবন, চালনা মোবারক মেমোরিয়াল কলেজের একাডেমিক ভবন, খুলনা আইডিয়াল কলেজের একাডেমিক ভবন, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের একাডেমিক ভবন, খুলনা ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজের একাডেমিক ভবন।
খুলনা গণপূর্ত বিভাগ: খুলনা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন, মহেশ্বরপাশা সরকারি শিশু পরিবার হোস্টেল ভবন, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ ভবন ও অডিটোরিয়াম ভবন, শহিদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল ভবন, তেরখাদা থানা ভবন, রূপসা ফায়ার স্টেশন ভবন, সেনহাটি রিভার ফায়ার স্টেশন, বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রক অফিস ভবন, কৃষি বিভাগের অফিস কাম ট্রেনিং এন্ড প্রসেসিং সেন্টার ভবন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর: রূপসা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, দিঘলিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, তেরখাদা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, ডুমুরিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, পাইকগাছা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, পাইকগাছা আর এন্ডএইচ-বাকা জিসি সড়কের কপোতাক্ষ নদের উপর ব্রিজ, হাতিয়ার ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন সেল্টার ভবন, শিমলার আইট খেজুরডাঙ্গা আরএনজিপিএস কাম সাইক্লোন সেল্টার ভবন, দেয়াড়া পশ্চিমপাড়া আরএন জিপিএস কাম সাইক্লোন সেল্টার ভবন, তেরখাদা আব্দুলের মোড় আরএন্ডএইচ-মাঝিরগাথি জিসি ভায়া কোলা বাজার সড়ক, বটিয়াঘাটা উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সম্প্রসারণ, পাইকগাছা হাবিবনগর মাদরাসার মোড় হতে ডুমুরিয়া মাগুরখালি-কাঁঠালতলা বাজার পর্যন্ত সংযোগ সড়ক।
খুলনা গণপূর্ত বিভাগ-২: দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য হোস্টেল ভবন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, কয়রা থানা ভবন, পাইকগাছার কপিলমুনি ইউনিয়ন ভূমি অফিস, ডুমুরিয়ার    শোভনা ইউনিয়ন ভূমি অফিস, বটিয়াঘাটা জলমা ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়: বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল (বর্ধিতাংশ), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল (ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ), শহিদ তাজউদ্দিন আহমদ ভবন (ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ), মাইকেল মধুসূদন দত্ত অতিথি ভবন, আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় কেন্দ্রীয় গবেষণাগার (বর্ধিতাংশ)।
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : শহিদ মিনার, খুলনা রেলওয়ে স্টেশন এবং ইয়ার্ড রি-মডেলিং প্রকল্প। তাছাড়া রয়েছে সিটি কর্পোরেশনের সিআর এইচসিসি ভবন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার জেলা স্টেডিয়াম। জেলা পরিষদের পাঁচ তলা বিশিষ্ট কয়রা আধুনিক ডাকবাংলো ভবন। খুলনা ওয়াসা ভবন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকৃত প্রকল্প গুলো হলো-সড়ক ও জনপথের খুলনা-চুকনগর-সাতক্ষীরা সড়ক (খুলনা অংশ)। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের পাইকগাছা কৃষি কলেজ ও বটিয়াঘাটা ডিগ্রি কলেজের একাডেমিক ভবন। খুলনা গণপূর্ত বিভাগ-১ এর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমেজিং ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ‘এ’ ব্লকের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নার্সেস ডরমেটরি, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্টাফ ডরমেটরি, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বাংকার, খুলনা সদর হাসপাতালকে ১৫০ বেড থেকে ২৫০ বেডে উন্নীতকরণ, খুলনা সিভিল সার্জন অফিস ভবন, শহিদ শেখ আবু নাসের বিশেয়ায়িত হাসপাতালে আবাসিক ভবন, দিঘলিয়া উপজেলা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, এএসপি ‘ক’ সার্কেল অফস, দৌলতপুর থানা ভবন, আর্ম পুলিশ ব্যাটেলিয়ানের অস্ত্রাগার ভবন, পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের একাডেমিক ভবন, পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ফায়ারিং বার্ট, পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অস্ত্রাগার ভবন, জেলা রেজিস্ট্রি অফিস ভবন, রূপসা উপজেলা মডেল মসজিদ ও আলিয়া মাদরাসা মডেল মসজিদ। এলজিইডি’র  ডুমুরিয়া ভদ্রা নদীর উপর ৩১৫.৩০ মিটার লম্বা পিসিগার্ডার ব্রিজ, বটিয়াঘাটা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, তেরখাদা উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের প্রশাসনিক ভবন ও হলরুম, পাইকগাছা উপজেলার হরিঢালী ইউনিয়ন ভূমি অফিস, পাইকগাছা উপজেলার লতা ইউনিয়ন ভূমি অফিস। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের ফুলতলা উপজেলায় উচ্চ জলাধার ও পাইপ লাইনের মাধ্যমে সুপেয় পানি সরবরাহ।
খুলনা জেলা পরিষদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক হাজার আসন বিশিষ্ট অডিটোরিয়াম কাম মাল্টিপারপাস হল ও ডাকবাংলা মোড়ে একটি বেজমেন্টসসহ ১০ তলা বিশিষ্ট খুলনা ট্রেড সেন্টার বাণিজ্যিক ভবন।
খুলনা গণপূর্ত বিভাগ-২ এর টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট স্থাপন কাজ, জেলা কারাগার, জেলা পুলিশ লাইন, বিএসটিআই আঞ্চলিক অফিস ১০ তলা বিশিষ্ট ভবন, আর আর এফ ব্যারাক ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ, আর আর এফ এর অস্ত্রাগার ভবন, পাইকগাছা উপজেলা কারিগারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, পাইকগাছা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, রূপসা শ্রমকল্যাণ কেন্দ্র পুনঃনির্মাণ ও আধুনিকীকরণ। বিদ্যুৎ বিভাগের ওজোপাডিকো লিমিটেডের ১৫ তলা বিশিষ্ট প্রধান কার্যালয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিকেল ৩টায় সার্কিট হাউজ ময়দানে নৌকার আদলে তৈরি সুবিশাল মঞ্চ থেকে জনসভায় ভাষণ দেন। খুলনার ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে বড় ও ব্যয়বহুল মঞ্চ নির্মাণ এবারই প্রথম। ১১০ ফুট দীর্ঘ ও ৩০ ফুট প্রশস্ত এই মঞ্চ তৈরি করা হয়। মঞ্চে ৪০০ নেতা বসার ক্ষমতা থাকলেও ২৫০ নেতা উপস্থিত ছিলেন। গত ৩০ জানুয়ারি সিলেট সফরের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন শেখ হাসিনা। এরপর ৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল, ২২ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী এবং গতকাল ৩ মার্চ শনিবার খুলনায় জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ