বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২০
Online Edition

সাঘাটায় গো-খাদ্যের চরম সংকট

গাইবান্ধা সংবাদদাতা: সাঘাটা উপজেলার সর্বত্র গো-খাদ্যের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। অধিক মূল্যেও গরুর প্রধান খাবার খড় পাওয়া যাচ্ছে না। কোন উপায় না  পেয়ে গরুর মালিকেরা কচুরিপানা, বাঁশ পাতা ও লতা পাতা সংগ্রহ করে গবাদী পশুকে খাওয়াচ্ছেন। এখন কচুরিপানা ও অন্যান্য লতাপাতা মিলছে না।  ফলে বিপাকে পড়েছে গবাদীপশুর মালিকেরা।  গত বছরে সাঘাটা উপজেলার ১০ ইউনিয়নের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া বন্যায় কৃষকদের সংরক্ষিত গরুর খাদ্য খড় সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়।  আমন আবাদ না হওয়ায় চরম সংকট দেখা দেয় খড়ের।  কিছুদিন চড়া মুল্যে খড় কিনে সংকট মিটালেও এখন আর তাও সহজে পাওয়া যাচ্ছে না। 

ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন জেলা থেকে খড় সংগ্রহ করে নিয়ে এসে হাট বাজারে বিক্রি করছে প্রতি আটি ৬/৭ টাকা করে। এ সুযোগে উন্নত ঘাস অটোভ্যানযোগে ফেরি করে বিক্রি করা হচ্ছে। সাময়িকভাবে তারা উচ্চমূল্যে খড় ও উন্নত ঘাস ক্রয় করে গো-খাদ্যের অভাব মেটালেও রোগ ব্যাধির ভয়ে বেশিদিন এটির উপর নির্ভরশীল হতে পারছেন না বলে জানালেন উপজেলার অনন্তপুর গ্রামের খামারী সুজন মিয়া। বারকোনা গ্রামের কৃষক মজিবর রহমান জানান, দ্বিগুন দামেও গো খাদ্য এখন মিলছে না। বাজার থেকে গরুর খাদ্য কিনতে না পারায় খামারীরা কম দামে গরু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। গত শনিবার ভরতখালী গো হাটে গিয়ে দেখা যায়, কম দামে গরু বিক্রি করে বাড়িতে ফিরছেন কৃষক আমির আলী। তিনি বলেন, চাল কিনে নিজেরা ভাত খাব না গরুর খাদ্য কিনবো।  এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানান, গো-খাদ্য সংকটের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পত্র দেয়া হলেও চাহিদামত বিনামূল্যে  গো-খাদ্য বিতরণের বরাদ্দ পাওয়া যায়নি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ