বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগটি প্রশ্নবিদ্ধ হবে ---মুসলিম লীগ

বাংলাদেশ মুসলিম লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ্যাড.বদরুদ্দোজা সুজা ও মহাসচিব কাজী আবুল খায়ের এক  যৌথ বিবৃতিতে বলেন,“গত ১০ বছর ধরে বাংলাদেশে দুর্নীতির প্রকাশ্য প্রতিযোগিতা চলছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়সহ সরকারী প্রায় সকল  ক্ষেত্রেই চলছে দুর্নীতির মহোৎসব যা প্রতিনিয়ত সংবাদপত্রে প্রকাশিত হচ্ছে। ঘুষ প্রদান না করলে সরকারি চাকরি পাওয়াটা প্রায় সোনার হরিনের মতো দুর্লভ। ব্যাংক সেক্টরের অব্যাহত দুর্নীতি দেশের অর্থনৈতিক উন্নতিকে প্রায় গতিহীন করে চলেছে। ঋণের নামে  ব্যাংক থেকে পারস্পারিক যোগসাজশের মাধ্যমে আত্মসাত করা অর্থের পরিমাণ কতো হাজার কোটি টাকা তা জনগণের জানা নেই। এই সকল লোকদের ঋণখেলাপী আখ্যা দিয়ে আত্মসাতকারীদের অবকাশ দেয়া হয়েছে এবং হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক  কর্তৃক চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা ও ঋণখেলাপীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো সেই ব্যাংককে মূলধন হিসেবে সরকার হাজার কোটি টাকা অর্থ সহায়তা দিয়েছে। অপর একটি দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যাংকের মূলধন যোগাতে জনগণের হাজার কোটি টাকা দিয়ে সরকার উক্ত ব্যাংকের শেয়ার ক্রয় করেছে বলে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

বিবৃতিতে তারা বলেন,দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা প্রভাবশালীরা বিদেশে পাচার করছে বলে প্রচার মাধ্যম তথ্য প্রকাশ করেছে। জনগণের ও রাষ্ট্রের লক্ষ কোটি টাকা দুর্নীতের মাধ্যমে আত্মসাতকারী এবং দেশ থেকে অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িত বেপরোয়া রাঘব-বোয়ালদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও কার্যকরী আইনী ব্যবস্থা না নিয়ে পাঁচ বা দশ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলা নিয়ে দুদকের পেরেশান হওয়ার ঘটনা জনমনে উদ্বেগ ও বিরক্তি সৃষ্টি করেছে।নেতৃবৃন্দ আরো বলেন,এই সকল চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ ও রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাৎকারী এবং অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নিতে না পারলে সেক্ষেত্রে একটি বেসরকারী সেবা প্রতিষ্ঠানের জন্য একজন বিদেশীর দেয়া ব্যক্তিগত অর্থ থেকে দুই কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগটি সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত বলে জনগনের কাছে প্রতীয়মান হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ