শুক্রবার ২৯ মে ২০২০
Online Edition

প্রেস ক্লাবের সামনে অনশনে ফিরলো সাধারণ ছাত্র পরিষদ

স্টাফ রিপোর্টার : দুইদিন বন্ধ রাখার পর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ফিরলো চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার দাবিতে অনশনকারীরা। শুক্রবার থেকে কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি তারাও আমরণ অনশনে বসে। শিক্ষার্থীরা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনের রাস্তা ছাড়বেন না।
সংগঠনের সভাপতি মো. ইমতিয়াজ হোসেন বলেন, উন্নত বিশ্বে যেখানে ৪০-৪৫ বছর চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা। সেখানে আমরা অনেক পিছিয়ে রয়েছি। বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে হলে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদ আন্দোলন করে আসছে। এ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আমরা ২০১২ সাল থেকে আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে আসছি। সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমরা আশানুরূপ কোনো ফল পাইনি।
প্রসঙ্গত, দাবি আদায়ের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে স্বারকলিপি পেশ করে শিক্ষার্থীরা। তারা জানায়, দাবি না মানা হলে আজ শনিবার থেকে আমরণ অনশন করবে।
শিক্ষার্থীরা বলেন, চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩০ বছর, এ সীমানা প্রাচীর বাংলাদেশের লাখো কোটি ছাত্র সমাজকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে। তারা নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত।
শিক্ষার্থীরা বলেন, উচ্চ শিক্ষিত বেকার যুব সমাজ যখন উপেক্ষিত তখন বর্তমান রাষ্ট্রপতি স্পিকার থাকা অবস্থায় ২০১২ সালের ৩১ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এতে যুব সমাজ আশার আলো দেখেছিলো।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ২১তম বৈঠকে চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩২ বছর সুপারিশ করে। নবম জাতীয় সংসদে ১৪তম অধিবেশনে ৩৫ বছর করার প্রস্তাব গৃহীত হয়। সেই থেকে বাংলাদেশের সাধারণ শিক্ষার্থীরা এ দাবি বাস্তবায়নের জন্য পাঁচ বছর ধরে আন্দোলন করে আসছে। কিন্তু আজও তা বাস্তবায়ন হয়নি।
তারা বলেন, এ দাবিতে গত ১০ জানুয়ারি হতে প্রেস ক্লাবের সামনে আমরা অবস্থান করছি। সরকার এরপরও দাবি না মানলে পরবর্তীতে আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করা হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাধারণ ছাত্র পরিষদের, মামুনূর রশিদ, এম এ আলী, নাজমুল, ইমরান প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ