শনিবার ০৮ আগস্ট ২০২০
Online Edition

খুলনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে স্ত্রীর অভিযোগ

খুলনা অফিস: খুলনার তেরখাদা উপজেলার বাসারাত ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড সদস্য জাতীয় পার্টির নেতা পলাশ শেখকে হত্যা চেষ্টাকারীরাই তাদের অস্ত্র দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এলাকার এসব চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে এবং ইউপি মেম্বর পলাশ শেখের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করেছে তার পরিবার। সম্প্রতি খুলনা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে পলাশ শেখের স্ত্রী মোছা. ডলি আক্তার এ দাবি করেন।
তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ১৩ জানুয়ারি সকালে বারাসাত মধ্যপাড়ার বাসিন্দা মৃত মো. আউয়ুব মোল্যার ছেলে নুরুল ইসলাম মোল্যাকে মাছ কোপানো ঝুপি দিয়ে জখমসহ তিনজন আহতের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার কথা শুনে ওইদিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মামাতো ভাই স্থানীয় ইউপি মেম্বর পলাশ শেখ জখম ও আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিতে বাড়ী থেকে রওনা হলে বারাসাত পূর্বপাড়া আইয়ুব মোল্যা ও গোলাম মোস্তফার বাড়ীর সামনে পৌঁছালে স্থানীয় মুসা কাজীর ঘরের পাশে দাড়িয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে অবৈধ অস্ত্র দিয়ে চার রাউন্ড গুলি বর্ষন করে মোঃ আলী শেখের ছেলে চিহিৃত সন্ত্রাসী সেলিম শেখ। চিত্রা খালের বিপরীতের শতাধিক মানুষ এ দৃশ্য দেখেছে। গাছের আড়াল নেয়ায় পলাশ মেম্বর অল্পের জন্যে প্রাণে রক্ষায় পায়। এরমধ্যে খালের বিপরীত পাড়ে থাকা শতাধিক মানুষের ডাক-চিৎকার ও পুলিশ চলে আসায় সন্ত্রাসী সেলিম শেখ পালিয়ে যায়। চিহিৃত সন্ত্রাসী সেলিশ শেখ ডিএসবি, ডিবি ও থানা পুলিশের তালিকাভুক্ত দাগী সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা, চাঁদাবাজী, লুটপাট ও জবর দখলের ডজনখানেক মামলা রয়েছে। আধিপত্য বিস্তারে এখানেই ক্ষ্যান্ত হয়নি সন্ত্রাসী সেলিম শেখ; তেরখাদায় সন্ত্রাসী সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রনে সাওতাল বাহিনী গঠন করেছিল। তার সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে এলাকার সর্বস্তরের মানুষ তটস্থ থাকে। সন্ত্রাসী সেলিমদের পরিবার তেরখাদার বারাসাত এলাকায় জুয়া, চুরি ও সুদের কারবারসহ সমস্ত অপকর্মের নিয়ন্ত্রণ করে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ