মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট ২০২০
Online Edition

গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজের সাংবাদিক সম্মেলন

 

গত  সোমবার, সকাল ১১ টায় গণস্বাস্থ্য সমাজ ভিত্তিক মেডিকেল কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগে এক ‘সাংবাদিক সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত হয়। কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. ফরিদা আদিব খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণবিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ডা. লায়লা পারভীন বানু। বিশেষ অতিথি ছিলেন চিকিৎসা অনুষদের ডীন, বিশিষ্ট চক্ষু চিকিৎসক অধ্যাপক এ.কে. খান এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রধান সম্বনয়ক ডা. মনজুর কাদির।

এমবিবিএস তৃতীয় বর্ষের ১১৮ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে দিনাজপুর কাহারোলে মাসব্যাপী আরএফএসটি (রুরাল ফিল্ড সাইট ট্রেনিং) এবং গ্রামীণ স্বাস্থ্য শিক্ষা কার্যক্রম, এবং গবেষণার ফলাফল সাংবাদিক ও আমন্ত্রিতজনদের সামনে ব্রোশিউর, বিবরণী, মাল্টিমিডিয়া ও ভিডিও’র মাধ্যম উপস্থাপন করে শিক্ষার্থীরা।

কমিউনিটি মেডিসিনের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর বুলবুল সরওয়ারের সঞ্চালনে সংবাদ সম্মেলনটি প্রায় দেড় ঘণ্টা সবার মনোযোগ ধরে রাখে। এতে জানানো হয়: সমস্ত মেডিকেল কলেজে ১০ দিনের এই প্রোগ্রাম বাধ্যতামূলক থাকলেও বেশিরভাগ মেডিকেল কলেজই তা যথাযথভাবে করে না; এবং কেউ কেউ একেবারে করেই না। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মনিটরিং করার কথা থাকলেও তারা উদাসীন- ফলে স্বাস্থ্যসেবার একদিকে যেমন কমছে; অন্যদিকে দরিদ্র ও নিঃসম্বল মানুষের হকও তত উপেক্ষিত হচ্ছে। কিন্তু গণস্বাস্থ্য মেডিকেল কলেজ যথাযথ নিয়মমাফিক গত ১৯ বছর এই কার্যক্রম বিরতিহীনভাবে চালিয়ে আসবে। এ কারণে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার “আদর্শ সামাজিক মেডিকেল কলেজের” তালিকার মধ্যে এটি জায়গা করে নিয়েছে।

কাহারোলের ২ থকে ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রার মধ্যে (ডিসে.২৩ -- জানু.১৮) শিক্ষার্থীরা” মা ও শিশুর হাত ধোয়ার জ্ঞান ও অভ্যাস” বিষয়ে জরিপ পরিচালনা করে এবং পাশাপাশি তারা মুক্তিযোদ্ধাদের কবর জিয়ারত, জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদেও সাথে মতবিনিময়, চাল-ডাল-ডিম-মাংস নিয়ে হত দরিদ্র পরিবারে পুরো একদিন অবস্থান করে এবং ধূমপান বিরোধী জন সচেতন সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রণোদনামূলক র‌্যালি করে। দিনাজপুরের এনজিও “সিডিএ” তাদের সহযোগিতা দেয়। 

প্রায় সত্যেরা লক্ষ টাকা ব্যায়ে অনুষ্ঠিত এই কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের থাকা-খাওয়া-যাতায়াত এবং দৈনিক ভাতাদি কলেজ কর্তৃপক্ষই বহন করে- যা এক আদর্শ উপমা। সভার প্রধান অতিথি ভিসি ডা. লায়লা পারভীন এবারের প্রোগ্রাম সফল এবং সার্থক বলে মন্তব্য করেন। অধ্যক্ষ ডা. ফরিদা খানম আয়োজকদের ভূয়সী প্রসংসা করেন এবং সকল মেডিকেল কলেজকে এই “অতীব জরুরী” কার্যক্রম যথাযথ ভাবে পালনের আহ্বান জানান। জনাব নাভিদ নওরোজ নির্মিত একটি ‘ডকু-ফিল্ম’ ছিল প্রোগ্রামের বাড়তি আকর্ষণ- যা পুরো কার্যক্রমের সাক্ষ্য দেয়। পরিশেষে, সকল সাংবাদিকদেরকে এক সেট করে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বই ও ফুলের শুভেচ্ছা দিয়ে কৃতজ্ঞতা জানানো জানানো হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ