মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট ২০২০
Online Edition

গণমাধ্যম স্বাধীনতা হারাবে এবং গভীর সংকটে পড়বে -জেএসডি

 

স্টাফ রিপোর্টার : আইসিটি অ্যাক্টের ৫৭ ধারার চেয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৩২ ধারা আরো বেশি নিবর্তনমূলক বলে দাবি করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি স্টিয়ারিং কমিটির নেতৃবৃন্দ। এর ফলে গণমাধ্যম স্বাধীনতা হারাবে এবং গভীর সংকটে পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন তারা।

গতকাল বৃহস্পতিবার দলের সভার প্রস্তাবে এসব কথা বলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন জেএসডি সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন, এম এ গোফরান, আতাউল করিম ফারুক, মো. সিরাজ মিয়া, তানিয়া রব, শহীদ উদ্দীন মাহমুদ স্বপন।

এতে আরো বলা হয়, আইসিটি অ্যাক্টের ৫৭ ধারার চেয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৩২ ধারা আরো বেশি নিবর্তনমূলক, দমনমূলক ও সামগ্রিকভাবে সাংবাদিকদের স্বাধীনতার পথে অন্তরায়। এর দ্বারা সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে প্রতিবেদন তৈরি ও প্রচার বাধাগ্রস্ত হবে। এতে সাংবাদিকরা হয়রানির শিকার হবে, অনুসন্ধানমূলক সাংবাদিকতায় দুর্নীতিপরায়ণ গোষ্ঠী এবং সরকারি ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানের ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্য খুঁজে বের করতে হলে অনেক গোপন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। এটাকে গুপ্তচরবৃত্তির সাথে তুলনা করে শাস্তির আওতায় আনা হলে অনুসন্ধানমূলক সাংবাদিকতা বিপন্ন হবে, দুর্নীতিবাজরা লাভবান হবে। যা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না। এ আইন পাশ হলে তা একটি কালো আইন হিসেবে স্বীকৃত হবে। তাই সরকারের উচিৎ নতুন ৩২ ধারার মাধ্যমে যেসব বিধান প্রবর্তনের ব্যবস্থা করা হয়েছে তা সম্পূর্ণরূপে বাতিল করা।

সভার অপর এক প্রস্তাবে বলা হয়, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পূর্বেই স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী সরকারি সব সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে জনগণকে নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ার জন্য অঙ্গীকার করাচ্ছেন এবং নৌকা মার্কায় ভোট দিলে এলাকা বিশেষে কি ধরনের উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে সে আশ্বাস প্রদান করছেন, যা নির্বাচনী রীতি-নীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থী। অথচ এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ নির্বিকার। এ দিয়ে প্রমাণিত হয় কমিশন নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যাপারে মোটেও তৎপর নন। এ অবস্থা দ্রুত অবসানের পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সভায় নির্বাচন কমিশনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ