শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

দুর্নীতিতে প্রতিবাদী মুখ বন্ধে ডিজিটাল আইন ---সিপিবি

 

স্টাফ রিপোর্টার: সিপিবি-বাসদ ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার নেতারা বলেছেন, বিরোধী দলকে মত প্রকাশে বাধা ও মামলা দিয়ে নিয়ন্ত্রণে আনতেই সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন তৈরি করছে। সরকার সীমাহীন দুর্নীতি করলেও তার প্রতিবাদী মুখকে বন্ধ করতেই এ আইন। দেশের জনগণকে দমন করে শাসন করার জন্যই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ৩২ ধারা সংযুক্ত করা হয়েছে। এই আইন ব্লাসফেমি আইনের চেয়েও ভয়াবহ।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর পল্টনে মুক্তিভবনে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে তারা এসব কথা বলেন। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, গণসংহতি আন্দোলনের ফিরোজ আহমেদ, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট পার্টির আজিজুর রহমান ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের হামিদুল হক প্রমুখ।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সমালোচনা করে সিপিবির সভাপতি মোজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নামে সরকার যে আইন বানাতে যাচ্ছে তা কালো আইনের বদলে কুচকুচে কালো আইন হবে। মত প্রকাশের ক্ষেত্রে অতীতের যেকোনো আইনের চেয়ে এ আইন হবে মারাত্মক।

 বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, স্বাধীন মত প্রকাশে সাংবাদিকতার অন্যতম মাধ্যম অনুসন্ধানী প্রতিবেদন। এই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নামে কালো আইন দ্বারা অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা বাধাপ্রাপ্ত হবে। ৩২ ধারা না থাকলে সরকারের মর্যাদাহানি হবে বাণিজ্যমন্ত্রীর এই কথার মাধ্যমে সরকারের সীমাহীন দুর্নীতির বিষয়টি সুস্পষ্ট হয়েছে। এই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে ব্লাসফেমির মতো মনে করে এ আইনের বিলুপ্তি দাবি করেন তিনি।

গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু বলেন, দেশের মানুষের মুক্তবুদ্ধি চর্চা ও মত প্রকাশের যুক্তিসঙ্গত সমালোচনার অধিকার কেড়ে নেয়ার জন্য ভয়ংকর এ আইন করা হয়েছে। এ আইন প্রতিহত করতে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ