মঙ্গলবার ২৬ মে ২০২০
Online Edition

শীতে আগুন পোহাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ পর্যন্ত ১৪ জনের মৃত্যু

রংপুর অফিস : রংপুর সহ দেশের উত্তর জনপদে গত ক’দিনের টানা শৈত্যপ্রবাহের তীব্র শীতে আগুন পোহাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এ পর্যন্ত ১৪ জন নারী-পুরুষের  মৃত্যু হয়েছে।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রমেক বার্ণ ও প্লাষ্টিক ইউনিটের প্রধান অধ্যাপক ডাক্তার মারুফুল ইসলাম জানান আহত ও  নিহতরা গত দুই সপ্তাহে শীত নিবারণ করতে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হয়েছিলেন। এছাড়া অগ্নিদগ্ধ হয়ে এ পর্যন্ত প্রায় দেড়শতাধিক নারী-পুরুষ ও শিশু গুরুতর আহত হয়েছে। 
আগুন পোহাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে রমেক হাসপাতালের বার্ন  ও প্লাষ্টিক ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায়  গতশনিবার রাতে দুইজন এবং রোববার সকালে আরও এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রমেক বার্ণ ইউনিটে এ পর্যন্ত অগ্নিদগ্ধ হয়ে নিহত ব্যাক্তিরা হলেন রংপুর নগরীর জুম্মাপাড়া পাকারমাথার রুমা খাতুন (৬৫),  নজিরের হাট এলাকার বেলাল হোসেনের স্ত্রী আফরোজা খাতুন (৫৫), মাহিগঞ্জ এলাকার চাঁন মিয়ার স্ত্রী মনি বেগম (২৫), রংপুরের  পীরগঞ্জ উপজেলার হাসু বেগম (৬৭),তারাগঞ্জের জামেরন বেওয়া (৮০), কাউনিয়া উপজেলার গোলাপী বেগম (৩০),  ঠাকুরগাঁও শহরের থানাপাড়ার আঁখি আক্তার (৪৫), লালমনিরহাট সদরের শাম্মী আখতার (২৭) ও রাজপুরের শুকুমনি (৭০), পাটগ্রাম উপজেলার ফাতেমা বেগম (৩২) ও আলো বেগম (২২), নীলফামারী সদরের নীলফামারী সদরের সোনারমের আমজাদ হোসেনের স্ত্রী মারুফা খাতুন (৩০) ও  রেহেনা বেগম (২৫), গাইবান্ধার জয়নুল আবেদীন (৬৫),
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ও প্লাষ্টিক ইউনিটের সহকারী  পরিচালক ডাক্তার নূরে আলম জানান, বার্ন ইউনিটের  শয্যা সংখ্যা ১৩।  গত দুই সপ্তাহে এখানে নারী-পুরুষও শিশু রোগী ভর্তির সংখ্যা ৬০ জন।
এদের মধ্যে ৫৫ জনের শরীরের অন্তত ৬০ ভাগ অংশ পুড়ে গেছে। এর মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় গুরুতর আহত ৯ জন অগ্নিদগ্ধ রোগীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ও প্লাষ্টিক ইউনিটে চিকিৎসাধীন ১০ জনেসর অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ