মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

ওয়াপদা হতে হামকুড়িয়া মাদ্রাসা পর্যন্ত রাস্তা যেন মরণ ফাঁদ

শাহজাহান তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) থেকে : তাড়াশ উপজেলার মাগুড়াবিনোদ ইউনিয়নের হামকুড়িয়া গ্রামের চলনবিল এন এই মালটিমিডিয়া কেজি স্কুল সংলঘ্ন ওয়াবাদা হতে কবরস্থান সংলঘ্ন দাখিল  মাদ্রাসা পযন্ত রাস্তা যেন মরন ফাঁদ। গত বছর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ওয়াবদা বাদে কেজিস্কুল থেকে তজির উদ্দিন মৃধার বাড়ি পযন্ত রাস্তা ইট দিয়ে সংস্কার করা হয়েছিল। বর্ষার ভয়াবহ বন্যা ও অনিয়মিত বৃষ্টিপাতে রাস্তার দুপার্শে ধসে ইট বালি সরে যাতায়াতের সম্পুন্ন অযোগ্য হয়ে পড়েছে। যাতায়াতের বিকল্প রাস্তা না থাক্য়া ভোগান্তির শেষ নেই এলাকা বাসির। এই রাস্তায় চলাচলে প্রতিদিন দুঘটনার স্বীকার হচ্ছেন সকল পথচারী। হামকুড়িয়ার এই রাস্তা চলনবিলের কাটা নদী পযন্ত মানচিত্রে থাকলেও সংস্কারের অভাবে বন্যা পরবর্তীতে আস্তে আস্তে মাটির সাথে মিশে যাচ্ছে। তাই দ্রুত সংস্কার আশু প্রয়োজন।
হামকুড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আবুল বাশার মাষ্টার বলেন,এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ মহাসড়কে যেতে হয়। বন্যায় রাস্তাটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারনে যাতায়াতের অযোগ্য হয়ে গেছে। চলাচলের একমাত্র এই রাস্তাটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় যাতায়াতে খুবই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসায় যাতায়াতকারী ছাত্র/ছাত্রীরা অনেক দুভোগে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করছে। ব্যবসায়ী মোহর আলী জানান,ব্যবসার মালামাল ও পণ্যসামগ্রী উঠা নামানোর জন্য এই রাস্তা দিয়ে ভ্যান, রিকশা, ঠেলাগাড়ী নিয়ে মহাসড়কে  উঠতে হয়। অনেক কষ্ট করে জীবনের ঝঁুঁকি নিয়ে সীমাহীন দুর্ভোগের মধ্যে যাতায়াত করছেন  এই গ্রামের সকল জনসাধারণ। সচেতন মহল জানান গ্রামের মধ্যে দিয়ে এই রাস্তাটি পাকাকরন করা হলে চলাচলের দুভোগ লাঘব হবে। তাই হামকুড়িয়া ওয়াবধা বাধ হইতে কাটানদী পযর্ন্ত এই রাস্তাটি ওয়াটার প্লেনিং করার জন্য সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ