মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

চুয়াডাঙ্গার বেগমপুর-কাটোলী রাস্তায় কার্পেটিং কাজে ব্যাপক অনিয়ম

এফ এ আলমগীর চুয়াডাঙ্গা : চুয়াডাঙ্গা সদরের বেগমপুর বাণিজ্যিক খামার থেকে-কাটোলী বাজার পর্যন্ত রাস্তায় কার্পেটিং কাজে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে উঠেছে। কার্পেটিং করণের পরের দিনই রাস্তা থেকে পাথর উঠে গেছে। এলাকাবাসীর অভিযাগের প্রেক্ষিতে পুনরায় জোড়াতালি দিয়ে মেরামত করে কাজ শেষ করেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।
জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা এল.জি.ই.ডি'র অর্থায়নে সদর উপজেলার বেগমপুর বাণিজ্যিক খামার হতে-কোটালী হাটখালো পর্যন্ত ২ কিলোমিটার রাস্তার নতুন করে কার্পটিং কাজের টেন্ডার দেয়া হয়। এ টেন্ডার কাজ পান চুয়াডাঙ্গার মাদানী এন্টার প্রাইজ। ২ কিলোমিটার কার্পেটিং করণে বরাদ্দ দেয়া হয় ৬৮ লক্ষ টাকা। সেই মোতাবেক রাস্তার কার্পেটিং কাজ শুরু করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।
কাজের প্রথমে রাস্তার উপর ট্রাক্টর দিয়ে হেরিং করে পুরাতন কার্পেটিং তুলে ফেলা হয়। এরপর উচু নিচু সমান না করে তার উপর রোলার দিয়ে দায়সারাভাবে রাস্তার রোলিং কাজ শেষ করে। পরে শুরু করে কার্পেটিং করণ। যেখানে শর্ত মোতাবেক এক ইঞ্চি পুরু করে পাথর দিয়ে কার্পেটিং করার কথা থাকলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিয়মকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে হাফ ইঞ্চির কম পাথর দিয়ে তাদের খেয়াল খুশি মত দায়সারাভাবে কাজ শেষ করে। কাজ শেষ করে চলে যাবার পরের দিন পাথরসহ রাস্তার কার্পেটিং উঠে পড়ে একাধিক স্থান থেকে। এরপর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রাস্তার পিচ উঠে পড়ার এমন খবর জানতে পেরে জোড়া তালি দিয়ে আবার সংস্কার কাজে হাত দেয়। পাথর ও পিচ উঠে পড়াস্থানে জাড়োতালি দিয়ে কাজ স¤পন্ন করে চলে যায়। তবে প্রথম দিক থেকই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরদ্ধে রাস্তার কার্পেটিং করণ কাজের ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠে আসছিল। কিন্তু কাজ দেখভাল করার দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট বিভাগের নিয়োজিত কর্তাবাবুরা তাতে কর্ণপাত করেনি। কার্পেটিং করণ কাজ করে বাড়ি যেতে না যেতেই পরের দিন দেখা গেলো রাস্তার বেশ কয়েকটি স্থানে কার্পেটিংসহ পাথর উঠে আগের চেহারা ফিরে পেয়েছে রাস্তাটি। গত বুধবার সকাল থেকে রাত অবধি পর্যন্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান লোকজন নিয়ে এসে কার্পেটিং উঠে যাওয়া বিভিন্ন স্থান গুলো পুনরায় সংস্কার করে। প্রশ্ন উঠেছে শেষ পর্যন্ত কতদিন রাস্তাটির কার্পেটিং টিকবে? বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরেজমিন দেখার অনুরাধ জানিয়েছে এলাকাবাসী।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ