শনিবার ০৬ জুন ২০২০
Online Edition

জেরুসালেমে ১৩২ ফিলিস্তিনী বাড়ি ধ্বংস ইসরাইলের

গুঁডিয়ে দেওয়া হচ্ছে ফিলিস্তিনীদের ভবন

 

১০ জানুয়ারি, জেরুসালেম পোস্ট/ আল-কুদস : জেরুসালেম খ্যাত বায়তুল মুকাদ্দাস শহরে গত এক বছরে ১৩২টি ফিলিস্তিনি বাড়ি বা ভবন ধ্বংস করেছে দখলদার ইহুদিবাদী ইসরাইল। এর ফলে ২৪০ জন ফিলিস্তিনি সহায়-সম্বল হারিয়ে শরণার্থীতে পরিণত হয়েছেন, যাদের অর্ধেকই শিশু। ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংগঠন ‘আল-কুদস’ এ খবর জানিয়েছে। সংগঠনটি এক বিবৃতিতে বলেছে, ২০১৭ সালের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এসব ফিলিস্তিনি ঘরবাড়ি ধ্বংস করে ইহুদিবাদীরা। সংস্থাটি আরো জানায়, ফিলিস্তিনি ভূমিতে ২০১৭ সালে ইহুদি বসতি নির্মাণের পরিমাণ ২০১৬ সালের তুলনায় তিনগুণ বৃদ্ধি করেছে দখলদার ইসরাইল।এর আগে গত ৩১ ডিসেম্বর ফিলিস্তিনের একটি বেসরকারি সংস্থা জানিয়েছিল, ইহুদিবাদী ইসরাইল ২০১৭ সালে জর্দান নদীর পশ্চিম তীরের ৯০০ হেক্টর ফিলিস্তিনি ভূমি অধিগ্রহণ করেছে। নতুন নতুন ইহুদি বসতি নির্মাণের জন্য এসব ফিলিস্তিনি ভূমি জবরদখল করে তেল আবিব। আন্তর্জাতিক সমাজের প্রতিবাদ ও জাতিসংঘের প্রস্তাব লঙ্ঘন করে ইহুদিবাদী ইসরাইল ফিলিস্তিনি ভূমিতে অবৈধ ইহুদি বসতি নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এ কাজে তেলআবিবের পাশে রয়েছে সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকা। আন্তর্জাতিক আইনে এই বসতি নির্মাণ সম্পূর্ণ অবৈধ।

ট্রাম্পের ফিলিস্তিনীদের সাহায্য বন্ধের ঘোষণায় উদ্বিগ্ন সুইডেন :

ট্রাম্প প্রশাসন ফিলিস্তিনীদের মানবিক সাহায্য বন্ধ করার পরিকল্পনা করছে এমন খবরে উদ্বিগ্ন সুইডেন। জাতিসংঘের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক বিবৃতিতে দেশটির রাষ্ট্রদূত ওলোফ স্কুগ একথা জানিয়েছেন। ওলোফ স্কুগ বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যদি জাতিসংঘের ত্রাণ ও কর্মসংস্থান সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ) কে ফিলিস্তিনী শরণার্থীদের সাহায্যে অর্থায়ন বন্ধ করে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা চিন্তা করে তাহলে তা বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে’। উল্লেখ্য, জাতিসংঘের এই ত্রাণ ও কর্মসংস্থান সংস্থা এখন প্রায় ৫ মিলিয়ন ফিলিস্তিনী উদ্বাস্তুদের নিয়ে কাজ করছে এবং এই সংস্থার অধিকাংশ অর্থায়ন আসে মার্কিন তহবিল থেকে। সংস্থাটির ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, শুধুমাত্র ২০১৬ সালেই মার্কিন সরকার এই খাতে ৩৭০ ডলার প্রদান করেছে।

গতমাসে জেরুসালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে ট্রাম্পের স্বীকৃতির কারণে ফিলিস্তিন ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সম্পর্ক ক্রমশ খারাপ হতে থাকে। ইসরাইলের বিপরীতে ফিলিস্তিনিরা পূর্ব জেরুসালেমকে তাদের রাজধানী করার দাবি করে আসছিল তাই তারা ওয়াশিংটনকে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্ততাকারী হিসেবে মানতে অনিচ্ছা প্রকাশ করে। 

তবে স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে যে, এখনো সহযোগিতা সংস্থাগুলোর অর্থায়ন বন্ধের ব্যাপারে কোন সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ