সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

মিয়ানমারের শান রাজ্য থেকে পালিয়েছে ১২০০ মানুষ

৮ জানুয়ারি, দ্য ইরাবতী : মিয়ানমারে সেনাবাহিনী ও তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ)-এর মধ্যে লড়াইয়ে উত্তরাঞ্চলীয় শান রাজ্য থেকে পালিয়ে গেছেন কমপক্ষে ১২০০ অধিবাসী। তিনটি গ্রাম এখন জনশূন্য। এ খবর দিয়েছে মিয়ানমারের অনলাইন দ্য ইরাবতী। এতে বলা হযেছে, কাইউমি ও নামশান সীমান্তে সেনাবাহিনীর সঙ্গে টিএনএলএ’র মধ্যে সংঘর্ষ হয় ২৭শে ডিসেম্বর। এর পর সেখানে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে ওইসব মানুষ পালিয়ে যায় কাইউমি ও মংনাউ টাউনশিপে। বিলম্বে পাওয়া এ খবরে বলা হয়, এ ঘটনায় সেনাবাহিনী ও টিএনএলএ’র মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এমনটা বলেছে স্থানীয় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সংগঠন। কাইউমি’তে বাস্তুচ্যুত মানুষদের সহায়তা করছেন এমন একজন স্বেচ্ছাসেবী হলেন কো থার জাওয়া। তিনি বলেছেন, লাশিও, নামশান, কুটকাই টাউনশিপ ও কাইউমি ভিত্তিক বিভিন্ন কমিটি বাস্তুচ্যুত মানুষদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করছে। আমরা জানি না এসব মানুষকে এখানে কতদিন থাকতে হবে। তাদেরকে বাড়তি আর কোনো সহায়তা দিতে হবে কিনা সে বিষয়টিও নিশ্চিত নয়। ওদিকে বাস্তুচ্যুতদের কাছে জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছে সমাজ কল্যাণ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক বিভাগ। এর একজন কর্মকর্তা কো অং কাইওয়া মোয়ে বলেছেন, ৩ শতাধিক বাড়িতে আমরা জরুরি ভিত্তিতে তিন রকম মানবিক সহায়তা পণ্য পৌঁছে দিয়েছি। এর মধ্যে রয়েছে চাল, কাপড়, সাবান, হাঁড়ি পাতিল, কম্বল, তোয়ালে ও অন্যান্য পণ্য। সাতদিনের রেশন দেয়া হচ্ছে। প্রথম দিকে যারা বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন তাদের কেউ কেউ বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন বা গিয়েছেন। ৭৪৪ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন বিভিন্ন উপাসনালয়ে। কেউ আশ্রয় নিয়েছে প্যাগোডায়। রেডক্রমের কাইউমি শাখা এসব মানুষের কাছে কম্বল ও জরুরি সেবা পৌঁছে দিয়েছে। অন্তঃসত্ত্বা নারীদের কাছে দেয়া হয়েছে আরো জরুরি সব সেবা। কো থার জাওয়া বলেন, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও টিএনএলএর মধ্যে সংঘাত সৃষ্টি হয়। তবে কোনো পক্ষই পিছু হঠতে রাজি নয়। বর্তমানে সেখানে সংঘাত বন্ধ থাকলেও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। তারা মনে করছেন, যেকোন সময় ফের শুরু হতে পারে লড়াই। তাই লোকজন পালিয়েছে। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ