শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

বাগমারায় শীতের কাপড় কিনতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়

 

বাগমারা (রাজশাহী) সংবাদদাতা : প্রচন্ড শীত আর উত্তরে হিমেল হাওয়ায় বাগমারায় শীত জেঁকে বসেছে। শীতে রক্ষা পেতে সাধারণ শীতের কাপড় কিনতে ছুটছে। এতে করে হাট বাজারে গরম কাপড়ের দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড় ।

স্ব^ল্প আয়ের মানুষের ভরসা ফুটপাথ হলেও এখন সবাই ঝুকছেন ফুটপাথের দিকে। আর ফুটপাথেই মিলছে তাদের চাহিদামত শীতের রকমারী পোশাক। তুলনামূলক কম দামে পছন্দমত পোশাক কিনতে তাইতো ফুটপাথে ভীড় করছেন ক্রেতারা। গত শুক্রবার হাটবার ভবানীগঞ্জ বাজারের ভবানীগঞ্জ নিউমার্কেট চত্বরে ফুটপাথে শীতের পোশাক কিনতে ছুটে আসেন ক্রেতারা। 

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ভবানীগঞ্জ নিউমার্কেট চত্বরের ফুটপাথে শীতের বিভিন্ন পোশাক নিয়ে পসরা সাজিয়েছেন প্রায় অর্ধশতাধিক দোকানী। এখানেই মিলছে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী নারী পুরুষের শীতের রকমারী পোশাক। বিশ টাকা থেকে শুরু  করে হাজার বারশ’ টাকার পোশাক রয়েছে এসব দোকান গুলোতে। রয়েছে বিদেশ থেকে আমদানীকৃত পুরানো পোশাক আশাক। তবে পুরানো কাপড়ের চাইতে নতুন কাপড়ের প্রতি ঝোক বেশি ক্রেতাদের। কারণ এসব ফুটপথের দোকানগুলোতে  নতুন কাপড়ের দাম তুলনামূলক সস্তা এবং আকর্ষণীয় ডিজাউন হওয়ায় এগুলো সহজেই ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে। মাড়িয়া থেকে তিন বছর বয়সী নাতনীর জন্য শীতের পোশাক কিনতে এসেছেন ইয়াকুব আলী। তিনি জানান, মাত্র একশ টাকা দিয়ে তার নাতনীর জন্য জামা পায়জামা মিলে তিন জোড়া পোশাক কিনেছেন। তিনি আরো জানান, গত হাটেও এই বাজার থেকে তার স্ত্রীর জন্য মাত্র একশ সত্তর টাকা দিয়ে একটি সোয়েটার কিনেছেন। একই ভাবে নাগালের মধ্যে সাধ্যমত শীতের পোশাক কিনে বাড়ি ফিরছিরেন উত্তর একডেলা গ্রামের জিরøুর, দেউলিয়া গ্রামের আব্দুল মজিদসহ অনেকে। তারা কম দামে ভালো শীতের কাপড় পেয়ে বেজায় খুশি।

কাপড় বিক্রেতা আবু বক্কর সিদ্দিক ও মোজাহার হোসেন জানান, প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তারা এখানে দোকান খুলে বসেন। হাটের দিন তাদের কারো কারো বেচা বিক্রির পরিমাণ ত্রিশ হাজার টাকা ছাড়িয়ে যায়। তবে অন্যান্য দিন বিক্রির পরিমাণ দাঁড়ায় দশ থেকে পনের হাজার টাকা। ফুটপাথের এসব ব্যবসায়ীরা জানান, তারা ঢাকা নারায়ণগঞ্জ সহ বড় বড় শহর থেকে এক সঙ্গে কয়েকজন ব্যবসায়ী মিলে সব বয়সী নারী পুরুষের বিভিন্ন পোশাক কিনে আনেন। এতে তাদের পাইকারী মূল্যে ও পরিবহন খরচে অনেক সাশ্রয় হওয়ায় তারা স্বল্প মূল্যে সেগুলো বিক্রি করতে পারেন। এছাড়া ফুটপথ হওয়ায় তাদের দোকান ভাড়াও নেই শুধু হাটের ইজারাদারদের সামান্য কিছু দিলেই চলে। এসব মিলে তাদের ব্যবসা বেশ ভালোই চলছে। তবে শীত আরো জেঁকে বসলে তাদের বেচা বিক্রি আরো জমে উঠবে বলে তাদের প্রত্যাশা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ