শনিবার ০৮ আগস্ট ২০২০
Online Edition

৫ জানুয়ারির গণতন্ত্র উপহার দিয়েছে রক্তাক্ত লাশের মিছিল -অধ্যাপিকা রেহানা প্রধান

৫ জানুয়ারির ভোটারবিহীন সরকারের নির্বাচনে জালিমশাহীর বুলেটে পার্বতীপুর উপজেলার যুব জাগপার সাধারণ সম্পাদক শহীদ মাসুদ রায়হান ও নিহত শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জাগপা সভাপতি অধ্যাপিকা রেহানা প্রধান বলেছেন, জনগণ চেয়েছিল ভোট ও ভাতের অধিকার। কিন্তু পেয়েছে জালিমশাহীর বুলেটে ক্ষত-বিক্ষত গণতন্ত্রের লাশের মিছিল। গণতন্ত্রের জন্য মজলুম মানুষের আর্তনাদ আল্লাহর আরশ কেঁপেছে। কিন্তু জালিমশাহীর বুক কাঁপেনি। তিনি বলেন, দিল্লীর নীলনক্সায় পাতানো নির্বাচনে বাংলাদেশ আজ করদরাজ্যে পরিণত হয়েছে। আজ স্বাধীন দেশে বাংলার মানুষ সিকিম-ভুটানের ভাগ্যকে বরণ করতে হচ্ছে। হিন্দুস্থানী ষড়যন্ত্রে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের কবর রচনা হয়েছে। দেশবাসীর জিজ্ঞাসা সুজাতা সিং কারা? কারা স্বাধীনতাকে নিলামে তুলতে চায়। কারা ৫ জানুয়ারি বাংলাদেশের নির্বাচনে নগ্ন হস্তক্ষেপ চালিয়েছে। সুতরাং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে দেশপ্রেমিক জনগণকে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুতি নিতে হবে। মনে রাখবেন শহীদ মাসুদ রায়হানের রক্ত গণতন্ত্রের মন্ত্র। তিনি বলেন, জালিমশাহীর ষড়যন্ত্রের খেলা এখনো থেমে নেই। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় কারা নিক্ষেপ করার ষড়যন্ত্রসহ আরেকটি প্রহসনের নির্বাচন দিয়ে ক্ষমতায় থাকার পাঁয়তারা চালাচ্ছে। দেশবাসী হুশিয়ার থাকবেন। মনে রাখবেন শেখ হাসিনার অধীনে আগামী নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না এবং মজলুম মানুষের বিজয় ছিনিয়ে আনবোই ইনশাআল্লাহ।
গতকাল শুক্রবার বিকাল ৪টায় আসাদ গেট জিইউপি মিলনায়তনে ৫ জানুয়ারি গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে জাগপা আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাগপা সভাপতি অধ্যাপিকা রেহানা প্রধানের সভাতিত্বে ও দপ্তর সম্পাদক গোলাম মোস্তফা কামালের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জাগপার সহ সভাপতি মাস্টার এম.এ মান্নান, জাগপা নেতা হোসেন মোবারক, নাসির উদ্দিন, এনায়েত আহমেদ হালিম, আশরাফুল ইসলাম হাসু, ইয়াসমিন হোসেন, ছাত্রনেতা আব্দুর রহমান ফারুকী, আমির হোসেন আমু, আহমেদ শফি, সায়েদুজ্জামান রাজ, সাইদ আল বাশার, রাজন উদ্দিন প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ