মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২০
Online Edition

কাশ্মীরে আধাসামরিক বাহিনীর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে হামলায় নিহত ৮

কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত এক স্বাধীনতাকামীর লাশ নিয়ে বিক্ষোভ পরবর্তী বিদায়ী আয়োজনে জনতার ঢল

 

 

১ জানুয়ারি, এনডিটিভি : ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরে গত রোববার আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফ-এর একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে বন্দুকধারীরা। এতে অন্তত চার ভারতীয় জওয়ান নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও অন্তত তিনজন। বিপরীতে নিরাপত্তা বাহিনীর ১০ ঘণ্টার অভিযানে চার সন্দেহভাজন নিহত হয়েছে। সব মিলিয়ে হামলায় মোট নিহতের সংখ্যা ৮। এদিকে গতকাল সোমবার কাশ্মীরে বনধ পালিত হয়।

স্থানীয় সময় রবিবার রাত ২টার দিকে পুলওয়ামা জেলার লেঠপোরায় সিআরপিএফ-এর ওই প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে এ হামলা চালানো হয়। অন্তত দুই বন্দুকধারী প্রথমে গ্রেনেড নিক্ষেপ এবং পরে গুলিবর্ষণ করে। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধ’ শুরু হয়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর ৫০ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের জওয়ানরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

হামলার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তানভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী জয়েশ-ই-মোহাম্মদ। তাদের কমান্ডার নুর ত্রালিকে খুনের বদলা হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে দলটি। গত ২৬ ডিসেম্বর পুলওয়ামাতে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে দিল্লি বিস্ফোরণ-কা-ের মূল অভিযুক্ত নুর ত্রালি নিহত হন। ২০১১-তে ওই মামলায় নুর-ছাডা আরও চার জনের যাবজ্জীবন কারাদ- হয়েছিল। এর পর ২০১৫-তে প্রথম প্যারোলে মুক্তি পান তিনি। তার পর বেশ কয়েক বার জেলে ফিরলেও বার বার জম্মু ও কাশ্মীর হাইকএর্ট প্যারোলের আর্জি জানানো হলে আদালত সে আবেদনও মঞ্জুর করে। চলতি বছরের জুলাইতে আবারও প্যারোলে মুক্তি পান নুর। গত অক্টোবরে শ্রীনগর বিমানবন্দরের কাছে বিএসএফ শিবিরে গ্রেনেড হামলার পিছনে তার হাত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ