বুধবার ১২ আগস্ট ২০২০
Online Edition

আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে খুলনায় আট দিনের বই মেলা সমাপ্ত

খুলনা অফিস : সঙ্গীত, আবৃত্তি, নৃত্য, নাটক মঞ্চস্থের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সার্কিট হাউস ময়দানে আট দিনের বইমেলা শনিবার রাতে  শেষ হয়েছে। জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্রের উদ্যোগে জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এই মেলার আয়োজন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার মো. লোকমান হোসেন মিয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুবি’র ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্রের পরিচালক নজরুল ইসলাম, বিএল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর জাফর ইমাম ও উমেশচন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরীর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির। সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. আমিন উল আহসান।
বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীরা হচ্ছেন চিত্রাঙ্কন ‘ক’ গ্রুপে প্রথমে আয়রিন চৌধুরী আরিয়া, দ্বিতীয় মোহাম্মদ ইয়াসিন ইউনুস আলিফ, তৃতীয় নুসরাত জাহান। ‘খ’ গ্রুপে প্রথম তাসনুভা তাসনীম তোয়া, দ্বিতীয় মাহিয়ান ইসলাম কাদি, তৃতীয় ফারিয়া হাসান মীম। ‘গ’ গ্রুপে প্রথম নুসাইবা ইসলাম তিতলী, দ্বিতীয় মো. আশিকুজ্জামান, তৃতীয় রাজিবুল আলম মাহিন। আবৃত্তি ‘ক’ গ্রুপে প্রথম ফাহমিদ রেজা সাজিদ, দ্বিতীয় নাদিয়া, তৃতীয় আইয়ান, ‘খ’ গ্রুপে প্রথম ফারজানা রেজা স্নিগ্ধা, দ্বিতীয় রোহান ইসলাম বাঁধন, তৃতীয় মাহিয়ান ইসলাম কাদি। ‘গ’ গ্রুপে প্রথম ইয়াসির আরাফাত, দ্বিতীয় অনুপমা দেবনাথ, তৃতীয় হাফিজা কবীর। ‘ঘ’ গ্রুপে প্রথমে খান নাভিদ জারিফ, দ্বিতীয় প্রিয়াংকা কর্মকার প্রিয়া, তৃতীয় সরদার আল শাহরিয়ার মাহিম। বই পাঠে ‘ক’ গ্রুপে তাসনুভা তাসমীম তোয়া, দ্বিতীয় আনজুম রহমান রাফি। ‘খ’ গ্রুপে প্রথম সমর্পণ বিশ্বাস, দ্বিতীয় সরদার আল শাহরিয়ার মাহিম, তৃতীয় তাজরিয়ান তাসনীম। সঙ্গীত প্রতিযোগিতা লোক-সঙ্গীত ‘ক’ গ্রুপে প্রথম ঐন্দ্রিলা রায় উর্মি, দ্বিতীয় রোহান ইসলাম, তৃতীয় রথিন বিশ্বাস। ‘খ’ গ্রুপে প্রথম বৃষ্টি রায়, দ্বিতীয় অংগনা মজুমদার, তৃতীয় প্রাপ্তি মল্লিক। দেশাত্মবোধক ‘ক’ গ্রুপে প্রথম হুমায়রা জাহান নদী, দ্বিতীয় ঐন্দ্রিলা রায় উর্মি, তৃতীয় অপরূপা রায়। ‘খ’ গ্রুপে প্রথম অন্তরা রায়, দ্বিতীয় অংগনা মজুমদার, তৃতীয় দৃষ্টি রায়। নৃত্য (লোক নৃত্য) ‘ক’ গ্রুপে প্রথম ফাইজাহ ইউনুস, ‘খ’ গ্রুপে প্রথম তাসনুভা তাসনীম তোয়া, দ্বিতীয় পাশা রহমান পুষ্প, তৃতীয় কাঞ্চি সাহা রথি। ‘গ’ গ্রুপে প্রথম অংগনা মজুমদার পূঁজা, দ্বিতীয় শারমিন আক্তার তুয়া, তৃতীয় অথৈ সাহা। সাধারণ নৃত্য ‘ক’ গ্রুপে প্রথম ফাইজাহ ইউনুস। ‘খ’ গ্রুপে প্রথম তাসনুভা তাসনিম তুয়া, দ্বিতীয় পাশা রহমান পুষ্প, তৃতীয় কাঞ্চি সাহা রথিন, ‘গ’ গ্রুপে প্রথম শারমিন আক্তার তোয়া, দ্বিতীয় অথৈ সাহা ও তৃতীয় অংগনা মজুমদার পূঁজা বিজয়ী হন।
লাইসেন্স নবায়নের সময়সীমা বৃদ্ধি : খুলনা জেলা ম্যাজিস্ট্রেসি হতে ইস্যুকৃত ২০১৮ সালের জন্য আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রমের সময়সীমা বিলম্ব ফি ব্যতীত ১ জানুয়ারি হতে ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এনপিবি পিস্তল ও রিভলবার লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নূর ই আলম এবং একনলা বন্দুক/দোনলা বন্দুক/ পয়েন্ট ২২ বোর/৭এমএম/৮এমএম/৯এমএম রাইফেল লাইসেন্স ও ডিলার, মেরামতকারী প্রতিষ্ঠান, সেফকিপিং লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য খুলনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের জে এম শাখার সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিয়া আফরীন-কে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। খুলনা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আমিন উল আহসান স্বাক্ষরিত পত্রে এ সকল তথ্য জানানো হয়েছে।
খুলনায় কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মহিলাদের
বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান
কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগী মহিলাদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা হেলথ ক্যাম্প কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গতকাল রোববার দুপুরে খুলনার খালিশপুুর প্রভাতী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা জেলা প্রশাসন এবং জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. জামাল উদ্দিন ভূঁইয়া। সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পারভীন আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ খুলনা মহানগর ইউনিট কমান্ডার অধ্যাপক আলমগীর কবির। স্বাগত বক্তৃতা করেন জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নার্গিস ফাতেমা জামিন।
উল্লেখ্য, জুন ২০১৬ থেকে জুন ২০১৮ সাল পর্যন্ত খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ২ হাজার ৬শত ৮৬ জন উপকারভোগী মহিলাকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান এবং প্রতিমাসে পাঁচশত টাকা করে মাতৃকালীন ভাতা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রায় তিনশত ২৪ জন মা ও শিশুকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়। পরে মা ও শিশুদের মাঝে স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ করা হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ