শনিবার ১১ জুলাই ২০২০
Online Edition

সীমান্ত রক্ষীদের নিয়ন্ত্রণের জন্য ভারতকে পরামর্শ চীনের

 

২৯ ডিসেম্বর, সিনহুয়া : চলতি বছর আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সাফল্য হিসেবে ডোকলাম সঙ্কটকে উল্লেখ করে চীনা সামরিক বাহিনী বলেছে, সীমান্তজুড়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য ভারতের উচিত তার সেনাদের ওপর ‘কঠোর নিয়ন্ত্রণ’ আরোপ করা এবং সীমান্ত চুক্তিগুলো বাস্তবায়ন করা। চীনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী কর্নেল রেন গুয়াকিং বলেন, ২০১৭ সালে তার দেশের আন্তর্জাতিক সামরিক সহযোগিতার বিশেষ অর্জন ছিল ডোকলামের মতো ‘উত্তপ্ত ইস্যুগুলোর’ সমাধান করা।

তিনি বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে মিডিয়াকে বলেন, সমন্বিত মোতায়েনের আওতায় চলতি বছর সামরিক বাহিনী ডোকলাম এবং দক্ষিণ চীন সাগরে ‘কঠোরভাবে’ চীনা সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা স্বার্থ নিরাপদ রাখে।

চীনা সামরিক বাহিনী ভুটানের দাবি করা এলাকায় একটি রাস্তা নির্মাণকাজ শুরু করলে ১৬ জুন ডোকলাম অচলাবস্থার সূচনা হয়। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সাথে সংযোগ ক্ষেত্র ‘চিকেন নেকে’র প্রতি নিরাপত্তা হুমকি সৃষ্টির অভিযোগ তুলে ভারতীয় সেনারা রাস্তাটি নির্মাণে হস্তক্ষেপ করে। দুই দেশের মধ্যে সমঝোতার পর অচলাবস্থার নিরসন ঘটে ২৮ আগস্ট। চীন রাস্তা নির্মাণকাজ বন্ধ করে এবং ভারত তার সেনাদের সরিয়ে নেয়।

জম্মু ও কাশ্মীর থেকে অরুনাচল প্রদেশ পর্যন্ত ভারতের সাথে চীনের ৩,৪৮৮ কিলোমিটার প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা রয়েছে। ডোকলাম অচলাবস্থার প্রেক্ষাপটে ২০১৭ সালে ভারতীয়দের সাথে চীনা সামরিক বাহিনীর সম্পর্ক কেমন ছিল- এ প্রশ্নের জবাবে কর্নেল রেন বলেন, ভারতের উচিত সীমান্ত চুক্তিগুলো বাস্তবায়ন করা এবং তার সেনাদের নিয়ন্ত্রণ করা।

 তিনি বলেন, আমরা আশা করছি, ভারতীয় পক্ষ আন্তরিকভাবে সীমান্ত ইস্যুগুলোতে দুই দেশের মধ্যকার সংশ্লিষ্ট চুক্তিগুলো বাস্তবায়ন করবে, তার সীমান্ত প্রতিরক্ষা সেনাদের কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে এবং ভারত-চীন সামরিক বাহিনী পর্যায়ে ইতিবাচক সম্পর্ক সৃষ্টিতে আরো কিছু করবে। গত ২২ ডিসেম্বর ডোকলামে ৭৩ দিনের সামরিক অচলাবস্থার পর প্রথম সীমান্ত আলোচনায় ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং চীনা স্টেট কাউন্সিলর ইয়াং জিচি উভয়েই সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বলে কর্নেল রেন জানিয়েছেন।

 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ