মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

হত্যাকান্ডের দায় স্বীকার করে দু’বন্ধুর  আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী

খুলনা অফিস ঃ খুলনা মহানগরীর রূপসা বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী খলিলুর রহমান সিয়াম (১৭) হত্যা মামলায় জড়িত চারজনের মধ্যে দুই বন্ধু আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করেছে। রায়হান খান ও আবু সাঈদ নামে এই দুই আসামীর ১৬৪ ধারায় মহানগর হাকিম শাহিদুল ইসলাম এ জবানবন্দী রেকর্ড করেন। জবানবন্দীতে তারা হত্যার দায় স্বীকার করে করেছে বলে আদালত সূত্র জানিয়েছে। 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মিলন কুমার মৈত্র জানান, বুধবার গ্রেফতারকৃত চার আসামীকে আদালতে পাঠানো হয়। এর মধ্যে রায়হান খান ও আবু সাঈদ নামের দুই আসামী বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী নেয়া হয়েছে। তারা জবানবন্দীতে উল্লেখ করেন-খেলাধুলা নিয়ে বিরোধে এবং মোবাইল সিমকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকান্ডটি ঘটিয়েছে।

খুলনা থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, সিয়াম হত্যার ঘটনায় জড়িত এজাহারভুক্ত চার আসামীকে বুধবার ভোরে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে দুইজনকে হরিণটানা থানাধীন হোগলাডাঙ্গা এলাকা থেকে ও বাকী দুইজনকে পশ্চিম বানিয়াখামার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। 

মামলার বিবরণীতে জানা যায়, মঙ্গলবার ২৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মহানগরীর চাঁনমারি এলাকায় সিয়ামকে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে রাত ৮টা ২০ মিনিটে মারা যায়। নিহত সিয়াম মহানগরীর চাঁনমারি চতুর্থ গলি এলাকার বাসিন্দা আইনাল হকের ছেলে। হত্যাকান্ডের ঘটনায় রাতে নিহতের পিতা আইনাল হক ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা  দায়ের করেন।

এজাহারভুক্ত আসামীরা হলো-খুলনা থানাধীন খ্রিস্টানপাড়া এলাকার বাবু গোলদারের ছেলে রনি ওরফে বড় রনি (২৭), দারোগাপাড়া এলাকার ইউসুফ খানের ছেলে রায়হান (১৮), টুটপাড়া খ্রিস্টানপাড়া এলাকার বাবুলের পুত্র নয়ন (২০), চাঁনমারী মেছের সড়ক এলাকার মহারাজের পুত্র রাসেল (২০), মেছের সড়কের হানিফের ছেলে রাব্বি (১৮), টুটপাড়া মেইন রোড এলাকার আলাউদ্দিন মৃধার ছেলে আবু সাঈদ ওরফে ছোট (১৬), টুটপাড়া এলাকার লতা স্টোর গলির শহিদুল ইসলামের ছেলে আলআমিন ওরফে ছোট রনি (১৭), টুটপাড়া খ্রিস্টানপাড়া এলাকার বাবুলের পুত্র সুমন (৩০), দারোগাপাড়া এলাকার প্রত্যুষ (১৮) এবং বটতলা এলাকার ওসমান (১৭)।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ