রবিবার ০৯ আগস্ট ২০২০
Online Edition

ভারতে ২ বছর ধরে ৫০,০০০ মাদরাসা শিক্ষকের বেতন বন্ধ

 

২৬ ডিসেম্বর, ইন্টারনেট : ভারতের উত্তরপ্রদেশ, উত্তরখ-, মধ্যপ্রদেশ ও ঝাড়খ-সহ ১৬টি রাজ্যে ৫০,০০০ হাজার মাদরাসা শিক্ষকের বেতন দুই বছর ধরে বন্ধ রেখেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারি বেতন-ভাতার ওপর নির্ভরশীল এসব শিক্ষক কেন্দ্রীয় সরকারের ‘প্রভাইডিং ফর কোয়ালিটি এডুকেশন ইন মাদরাসা’ (এসপিকিউইএম) প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত। বেতন না পেয়ে অনেকে তাদের শিক্ষকতার কাজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

মাদ্রাসায় মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে ২০০৮-০৯ সালে প্রথম কেন্দ্রীয় এইচআরডি মন্ত্রণালয় এই এসপিকিউইএম প্রকল্প গ্রহণ করে। এই প্রকল্পে কর্মরত মাদরাসা শিক্ষকরা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে বেতন পেতেন।

 কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে স্নাতক শিক্ষকদের প্রতিমাসে ৬,০০০ রুপি এবং স্নাতোকত্তর শিক্ষকদের মাসে ১২,০০০ রুপি তেমন দেয়া হতো। এই অর্থ হলো শিক্ষকদের মোট বেতনের যথাক্রমে ৭৫ শতাংশ ও ৮০ শতাংশ। বাকিটা নিজ নিজ রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া হতো।

অখিল ভারত মাদ্রাসা আধুনিকীকরণ শিক্ষক পরিষদের সভাপতি মুসলিম রেজা খান বলেন, উত্তর প্রদেশের ১৮,০০০ হাজার মাদ্রাসা অর্ধেক শিক্ষকই বেতন পাচ্ছে না। এদের সংখ্যা ২৫,০০০-এর মতো। এই নিয়ে দুই বছর ধরে ১৬টি রাজ্যের মাদ্রাসা শিক্ষকরা তাদের বেতনের কেন্দ্রীয় সরকারের অংশ পাচ্ছেন না। কোনো কোনো রাজ্যে তিন বছর ধরে এই বেতন দেয়া হচ্ছে না।

এ নিয়ে ৮ জানুয়ারি দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক দেয়া হয়েছে বলে খান জানান।

মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন দেয়া বন্ধের কথা স্বীকার করে উত্তর প্রদেশের মাদ্রাসা বোর্ডের রেজিস্টারার রাহুল গুপ্ত বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের শিক্ষকদের বেতনের ২৯৬.৩১ কোটি রুপি ছাড় করেনি। ২০১৭-১৮ সালের অর্ধেক পেরিয়ে গেলেও এ বছরের তহবিলও ছাড় করা হয়নি।

সিজিআইএসি’র সাবেক সদস্য হালিম খান বলেন, ‘পরিস্থিতির জন্য রাজ্যগুলোর সামনে নানা অযুহাত তুলে ধরছে। রাজ্যগুলো ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট জমা দেয়নি বলা হচ্ছে। আরো বলা হচ্ছে যে মাদ্রাসার ব্যাপারে রাজ্যগুলোর কোনো ‘ইউনিফায়েড ডিস্ট্রিক্ট ইনফরমেশন সিস্টেম ফর এডুকেশন কোড’ নেই, ইত্যাদি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ