বৃহস্পতিবার ২৬ নবেম্বর ২০২০
Online Edition

বর্ষণে ফসলের ক্ষতি

কাউখালী (পিরোজপুর) সংবাদদাতা : কাউখালীতে টানা তিন দিনের বর্ষনে জনজীবন বিপর্যস্ত। গত বৃহস্পতিবার থেকে কখনো থেমে থেমে আবার কখনো অঝোরে বৃষ্টি হচ্ছে। প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। সূর্যের মূখ দেখা মেলেনি এই পাঁচ দিনে। রাস্তাঘাট কর্মমাক্ত হয়ে স্বাভাবিক চলাচলে ব্যাঘাত ঘটছে। স্কুল, কলেজ মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি খুবই নগন্য ছিল। দিনমজুররা তাদের শ্রম বিক্রি করতে না পেরে মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে। উপজেলার সদরের বাসিন্দা জনাব আলী উজ্জামান (৭৭) জানান আমি জীবনে কখনও শীতকালে এত বৃষ্টি হতে দেখিনি। এদিকে বৃষ্টির কারনে প্রধান খাদ্য শস্য ধান সহ ফসলী জমির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। শীতকালীন সবজি চাষীরা ক্ষতির সম্মূখীন হয়েছে। যার ফলে সবজির বাজার লাগামহীনভাবে চলছে। বিশেষজ্ঞদের ধারনা জলবায়ূ পরিবর্তনের কারনে শীতকালে এ ধরনের বৃষ্টি হচ্ছে। দক্ষিন বাজারের পিঠা বিক্রেতা রসুল জানান, টানা বৃষ্টির কারনে মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছেনা যাতে করে পিঠা বিক্রি আগের তুলনায় অনেক কম হচ্ছে। পিঠা বিক্রি না করতে পেরে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
নাজিরপুর (পিরোজপুর)
পিরোজপুরের নাজিরপুরে টানা তিন দিনের বর্ষনে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় স্থানীয় কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পরেছে। শুক্র, শনি ও রোববার অবিরাম বর্ষনে নাজিরপুর উপজেলায় ধান ক্ষেতে পানি জমে যাওয়া এবং ধান গাছ মাটিতে শুয়ে পড়ায় পাকা আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া শীতকালীন বিভিন্ন সবজি ক্ষেতে বৃষ্টির পানি জমে সবজি নষ্ট হতে চলেছে। এতে কোটি টাকার ক্ষতি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকার শীতকালীন শাক-সবজি পানিতে নষ্ট হচ্ছে। বৃষ্টির পানি জমে আলু, মরিচ, বেগুন, সিম, খেসারি, মুশুরি, বাধাকপি, মূলা, লালশাক, পালনশা, ধুনে সহ নানা প্রকার সবজি এখন ক্ষেতেই নষ্ট হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা গেছে অনেকেই বিষ্টিতে ভিজে এসব সবজি তুলতে চেষ্টা করছে। উপজেলা সহ-কৃষি কর্মকর্তা মোঃ বাবুল আকতার জানান, ফসলের ক্ষয়ক্ষতির নিরূপণের কাজ চলছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ