বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

তাড়াশে ৬৪ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) থেকে শাহজাহান  ঃ সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ৬৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের পাঠদান ব্যাহতের পাশাপাশি প্রশাসনিক কর্মকা-েও নানা সমস্যা হচ্ছে। অতিরিক্ত ক্লাস নিতে গিয়েও হিমশিম খেতে হচ্ছে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়েই এসব স্কুলের কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে শূন্যপদগুলো দ্রুত পূরণ করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরাসরি ৩৫ ভাগ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিচ্ছে সরকার। আর ৬৫ ভাগ নিয়োগের ক্ষেত্রে পদোন্নতির কার্যক্রমে জটিলতা ও অবসরজনিত কারণে পদগুলো দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। 

এদিকে, তাড়াশ উপজেলার আট ইউনিয়নের ১৩৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৬৪টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। 

এর মধ্যে রয়েছে- তালম সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়, লাউতা, চৌড়া, বস্তুল, পেঙ্গুয়ারী,  দেশীগ্রাম, দুলিশ্বর, ধাপতেতুলিয়া, মাকরশোন, মাগুড়া, দোবিলা দেবিপুর, নাদোসৈয়দপুর মধ্যপাড়া, বিরল, সিলট, উপর সিলট, বড়পৌতা, ভেটুয়া, কাটাবাড়ি, বিন্নাবাড়ি, আমবাড়িয়া শ্যামপু, ভায়াট, খুঁটিগাছা, পৌষার, খিরপোতা, গুল্টা আদিবাসী, রানীদিঘী আদিবাসী, জোন্তিপুর, কালিদাসলিনী, পংরৌহালি, উত্তর শ্যামপুর, দক্ষিণ মথুরাপুর, খড়খড়িয়া, মাদারজানী, সোড়াতলা, চৌপাকিয়া, দোবিলা বালিকা, মোহাম্মদপুর, বিদিমাগুড়া সাস্থান, ইসলামপুর, কাউরাইল, জিকেএস, চন্ডিভোগ, দেওঘর, চালামাগুড়া, বলদীপাড়া, পলাশী, সান্দ্রা, বড়গাঁ, কালপাড়া, হামকুড়িয়া পশ্চিমপাড়া, ইসলামপুর, নাদোসৈয়দপুর বাজার পাড়া, সান্দুরিয়া, মাধবপুর, শাকমাল, শেখপাড়া বালিকা, নলুয়াকান্দি, গাবরগাড়ি, দিঘরিয়া, কুশাবাড়ি, বিনোদপুর, খোশালপুর, ভাটরা শেখপাড়া, তেঁতুলিয়া লাঙ্গলমোড়া ও নওখাঁদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক নেই। 

উপজেলার গুড়পিপুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল করিম জানান, প্রধান শিক্ষক না থাকার কারণে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্য পরিচালনায় করতে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। 

তাড়াশ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় বিদ্যালয়গুলোর স্বাভাবিক পাঠদান ব্যাহত হয়েছে। শূন্যপদগুলো দ্রুত পূরণ করলে প্রাথমিক শিক্ষার ব্যাপক উন্নয়ন হবে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের লেখা-পড়ার মানও বাড়বে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ