সোমবার ০৩ আগস্ট ২০২০
Online Edition

চট্টগ্রামে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস পালিত

চট্টগ্রাম অফিস: চট্টগ্রামে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে।
বিএনপির আলোচনা সভা- আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নস্যাৎ করে গণতন্ত্র ও মানুষের বাক স্বাধীনতা হরণ করেছে বলে অভিযোগ করে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল¬াহ আল নোমান বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম চেতনা ছিল গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও বাক স্বাধীনতা কিন্তু আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে প্রতিবারেই তাঁরা গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও বাক স্বাধীনতা হরণ করে। ’৭৫ সালে তাঁরা বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্র ও বাক স্বাধীনতা হরণ করেছিল। পরবর্তিতে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশবাসীকে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিয়েছিল। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির গৃহীত তিনদিন ব্যাপী কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে নাসিমন ভবনের সম্মূখস্থ মাঠে বিকাল ৩টায় মহানগর বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় আবদুল্লাহ আল নোমান প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন। প্রধান বক্তার বক্তব্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম বলেন, এই দেশের মানুষ স্বৈরাচারী সরকার শেখ হাসিনার কবল থেকে মুক্তি চায়। আগামী ১৮ সাল হবে স্বৈরাচার মুক্ত খালেদা জিয়ার বাংলাদেশ। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, আওয়ামী লীগের পাঁয়ের তলায় মাঠি নেই। নির্বাচন দিলে তারা তাদের পরাজয় নিশ্চিত।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহাসমারোহে ও আনন্দঘন পরিবেশে দু’দিন ব্যাপী কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ১৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় স্বাধীনতা স্মৃতি সৌধ, শহীদ মিনার ও স্মৃতি সৌধ ‘স্মরণ’সহ সকল গুরুত্বপূর্ণ ভবন দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়। ১৫ ডিসেম্বর দিবাগত রাত ১২.০১ মিনিটে বিউগল বাজিয়ে বিজয় দিবসের সূচনা লগ্নকে স্বাগত জানানো হয়। ১৬ ডিসেম্বর ফজরের নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল মসজিদে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের স্ব স্ব উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয় এবং সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
৪৭তম বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন চুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম।
এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডীনগণ ও রেজিস্ট্রার মহোদয়কে সাথে নিয়ে চুয়েট উপাচার্য শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর একে একে চুয়েটের বিভিন্নসামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহতদের স্মরণে দোয়া ও মুনাজাত করা হয়। আলোচনা সভা শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধে চুয়েটের শহীদ দুই শিক্ষার্থীদের কবর জেয়ারত করা হয়। এছাড়া দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা মধ্যে বৈশাখী মঞ্চে শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ