সোমবার ২৫ জানুয়ারি ২০২১
Online Edition

অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়েই খুলনায় দুই দিনব্যাপী স্বাস্থ্য মেলা সমাপ্ত

খুলনা অফিস : ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থাপনার মধ্যদিয়েই নগরীতে দুই দিনব্যাপী স্বাস্থ্য মেলা সমাপ্ত হয়েছে। খুলনা জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে দু’দিনব্যাপী এ মেলার বেশির ভাগ সময় জুড়েই উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান হয়েছে। এতে খুলনা জেলার মা, নবজাতক ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় জবাবদিহিতা শক্তিশালীকরণ এবং সেবা গ্রহীতাদের অধিকার নিশ্চিতকরণে সহায়তা প্রদান (এমএনসিএইচ) প্রকল্পের আওতায় এ মেলার অর্জন নিয়ে প্রশ্ন করেছেন দর্শনার্থী ও সেবাপ্রত্যাশীরা।
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, মেলায় সর্বমোট ৩৫টি স্টল ছিল। যেগুলো বিভিন্ন এনজিও কর্মীরা ও নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা পরিচালনা করেছে। সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মেলা উন্মুক্ত’র কথা থাকলেও একদিনও সকাল ৯টায় শুরু হয়নি মেলা অন্যদিকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত থাকেনি উন্মুক্ত। ১ম দিন মেলার উদ্বোধনী দিনেও স্টল সাজাতে গিয়ে সকাল সাড়ে ১০টা বেজেছে আর দুপুর ২টার মধ্যে স্টল বন্ধ হয়েছে। আর সমাপনী দিনেও বিকেল ৩টার আগেই মেলার কার্যক্রম শেষ করেছে আয়োজকরা। অধিকাংশ স্টল ছিল প্রস্পেকটাস নির্ভর।
এদিকে বৃহস্পতিবার মেলার সমাপনী দিনে নগরীর শামসুর রহমান রোডস্থ স্কুল হেলথ কিনিক চত্বরে দুই দিনব্যাপী স্বাস্থ্য মেলা-২০১৭ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ মিজানুর রহমান মিজান। খুলনা সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের পরিচালক ব্রজ গোপাল ভৌমিক এবং উপ-পরিচালক গুরু প্রসাদ ঘোষ। আরও বক্তৃতা করেন ওয়েভ ফাউন্ডেশনের প্রকল্প সময়ন্বকারী অনিরুদ্ধ রায় এবং কবিরুল আলম লিটন। পরে প্রধান অতিথি স্টল প্রতিনিধিদের মাঝে ক্রেস্ট বিতরণ করেন।
তবে অনুষ্ঠানের সময় ও মান নিয়ে প্রকল্প পরিচালক মো. কিবরিয়া বলেন অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও কেবিনেট মিটিং থাকার কারণে তিনি আসতে পারেননি।
 তাই স্থানীয় সংসদ সদস্যকে নিয়ে সমাপনী অনুষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের আগেই শুরু করা হয়। এছাড়া এখানে নার্সিং ইনস্টিটিউটের ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করায় আগে আগে তাদের ছেড়ে দেয়া হয় নিরাপদে ফিরে যাওয়ার জন্য। তাছাড়া বিভিন্ন স্টলের মান নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন সাধ্যমত চেষ্টা করা হয়েছে। তবে বড় বড় মেডিকেল ইকুইপমেন্ট যেমন এক্সরে মেশিন ও সিটিস্ক্যান মেশিন নিয়ে তো আসা সম্ভব না। কতজন সাধারণ দর্শনার্থী সেবা পেয়েছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন সঠিক সংখ্যা এখন বলা সম্ভব না, তবে সংখ্যা হাজারের বেশি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ